ঢাকা ০৯:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

শেরপুরে জমিতে পানি না দিয়ে পতিত ফেলে রাখার অভিযোগ

বগুড়া থেকে মোঃ রাকিবুল ইসলাম রাকিব
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৯:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৪১৩ বার পড়া হয়েছে

শেরপুরে জমিতে পানি না দিয়ে পতিত ফেলে রাখার অভিযোগ

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের আলম পুকুরের পাশ্বে কৃষি ৫২ শতাংশ জমিতে পানি না দিয়ে পতিত ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে, গভীর নলকূপ কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

গত ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ইং, ২৫ শে মাঘ ১৪২৯ বাংলা রোজ- বুধবার সময় বিকেল ০৪.০০ ঘটিকায় সরজমিনে আলমপুকুর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়,ইউনিয়নের আমিনপুর গ্রামের মৃত মুসলিম উদ্দিনের পুত্র মোঃ মোজাম হোসেন এর জমি পতিত পড়ে আছে।

এসময় জমির পাশে বসে থাকা মোজাম্মেল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, চারদিকে সবাই ইস্পাহানী গ্রুপের ধান চাষ করেছে, আমার কাছেও তারা জমি চেয়েছিল।

জমি তাদেরকে না দেওয়ার কারণে, আঁশগ্রামের গভীর নলকূপের পরিচালক মোঃ রফিকুল ইসলাম জমিতে পানি দেয়নি।

ভবানীপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদের মাধ্যমে পানি চাওয়ার পড়েও জমিতে পানি দেয়নি।

কোনো উপায় না পেয়ে আমি শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর দরখাস্ত করেছি।

এ ব্যপারে ইউপি সদস্য মোঃ আবুল কালাম আজাদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান আমি নিজেও পানি দেওয়ার কথা বলেছিলাম কিন্তু রফিকুল পানি দেয়নি।

এ ব্যপারে আঁশগ্রামের গভীর নলকূপের পরিচালক মোঃ রফিকুল ইসলাম এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, এই জমিতে অন্য ধান লাগালে, প্রজেক্টের জমির ধান নষ্ট হবে তাই পানি দেওয়া হয়নি।

শেরপুর উপজেলা কৃষি অফিসার ফারজানা আক্তার এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান আমি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ব্যপারে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা সুলতানা সুমা’র সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান অভিযোগ পেলে অবশ্যই তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শেরপুরে জমিতে পানি না দিয়ে পতিত ফেলে রাখার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের আলম পুকুরের পাশ্বে কৃষি ৫২ শতাংশ জমিতে পানি না দিয়ে পতিত ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে, গভীর নলকূপ কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

গত ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ইং, ২৫ শে মাঘ ১৪২৯ বাংলা রোজ- বুধবার সময় বিকেল ০৪.০০ ঘটিকায় সরজমিনে আলমপুকুর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়,ইউনিয়নের আমিনপুর গ্রামের মৃত মুসলিম উদ্দিনের পুত্র মোঃ মোজাম হোসেন এর জমি পতিত পড়ে আছে।

এসময় জমির পাশে বসে থাকা মোজাম্মেল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, চারদিকে সবাই ইস্পাহানী গ্রুপের ধান চাষ করেছে, আমার কাছেও তারা জমি চেয়েছিল।

জমি তাদেরকে না দেওয়ার কারণে, আঁশগ্রামের গভীর নলকূপের পরিচালক মোঃ রফিকুল ইসলাম জমিতে পানি দেয়নি।

ভবানীপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদের মাধ্যমে পানি চাওয়ার পড়েও জমিতে পানি দেয়নি।

কোনো উপায় না পেয়ে আমি শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর দরখাস্ত করেছি।

এ ব্যপারে ইউপি সদস্য মোঃ আবুল কালাম আজাদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান আমি নিজেও পানি দেওয়ার কথা বলেছিলাম কিন্তু রফিকুল পানি দেয়নি।

এ ব্যপারে আঁশগ্রামের গভীর নলকূপের পরিচালক মোঃ রফিকুল ইসলাম এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, এই জমিতে অন্য ধান লাগালে, প্রজেক্টের জমির ধান নষ্ট হবে তাই পানি দেওয়া হয়নি।

শেরপুর উপজেলা কৃষি অফিসার ফারজানা আক্তার এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান আমি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ব্যপারে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা সুলতানা সুমা’র সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান অভিযোগ পেলে অবশ্যই তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Facebook Comments Box