সোনিয়া গান্ধীর স্মৃতিকথা প্রকাশ নিয়ে পেঙ্গুইনের অবস্থান ও নতুন প্রকাশকের সম্ভাবনা : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
সোনিয়া গান্ধীর স্মৃতিকথা প্রকাশ নিয়ে পেঙ্গুইনের অবস্থান ও নতুন প্রকাশকের সম্ভাবনা : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চীনের লংমার্চ: ৯০ বছরের পথচলা ও বিশ্বরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ সোনিয়া গান্ধীর স্মৃতিকথা প্রকাশ নিয়ে পেঙ্গুইনের অবস্থান ও নতুন প্রকাশকের সম্ভাবনা যুক্তরাজ্যে গ্র্যাজুয়েটদের চাকরির বাজারে বড় ধস, এক বছরে সুযোগ কমল ৪৫ শতাংশ লিবিয়ার শান্তি ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে সাদ্দাম হাফতারের সঙ্গে কাতারের প্রতিমন্ত্রীর বৈঠক রংপুরে মাদকের বিরুদ্ধে এক সপ্তাহের মধ্যে দৃশ্যমান পরিবর্তনের ঘোষণা নতুন পুলিশ কমিশনারের গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের গ্লোবাল হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নেপালে বন্যায় ৩৮৯ জনের প্রাণহানি, নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত নভেম্বরে তুরস্ক সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নেপালের পার্বত্য অঞ্চলে হ্রদ ভাঙনের ঝুঁকি, ৫০ লাখ ঘনমিটার পানির আশঙ্কা জাকার্তায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও সহিংসতা: যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত, গ্রেপ্তার ৬৫

সোনিয়া গান্ধীর স্মৃতিকথা প্রকাশ নিয়ে পেঙ্গুইনের অবস্থান ও নতুন প্রকাশকের সম্ভাবনা

সৃষ্টি আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬

 

সোনিয়া গান্ধীর স্মৃতিকথা প্রকাশ নিয়ে পেঙ্গুইনের অবস্থান ও নতুন প্রকাশকের সম্ভাবনা

 

ভারতের কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর বহুল প্রতীক্ষিত স্মৃতিকথা ‘বিলংগিং: আ জার্নি অব লাভ’ নিয়ে সৃষ্ট ধোঁয়াশা দূর করতে বিবৃতি দিয়েছে প্রকাশনা সংস্থা পেঙ্গুইন র‌্যান্ডম হাউস ইন্ডিয়া। প্রতিষ্ঠানটি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, ভারতে এই বইটির প্রকাশক তারা নয়। তবে বইটি প্রকাশ করা থেকে সরে আসার পেছনে সোনিয়া গান্ধীর সম্পাদকীয় পরিবর্তনে অসম্মতিকে দায়ী করে যে খবর ছড়িয়েছে, তা সঠিক নয় বলে দাবি করেছে তারা। যদিও তারা স্বীকার করেছে যে বইটি প্রকাশের ব্যাপারে তাদের আগ্রহ ছিল এবং একজন প্রকাশক হিসেবে লেখকের পাণ্ডুলিপি যাচাই ও পরামর্শ দেওয়া তাদের দায়িত্বের অংশ।

সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে ঠিক কী ধরনের আলোচনা হয়েছিল বা কেন চুক্তিটি সম্পন্ন হয়নি, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে পেঙ্গুইন। তারা জানিয়েছে, লেখকের সঙ্গে গোপনীয় আলোচনার বিষয়ে তারা আর কোনো মন্তব্য করবে না। বর্তমানে বইটি প্রকাশের জন্য হার্পারকলিন্সসহ কয়েকটি ভারতীয় প্রকাশনা সংস্থা দৌড়ে রয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে, পেঙ্গুইন র‌্যান্ডম হাউসেরই একটি ইমপ্রিন্ট ‘আলফ্রেড এ. নফ’ ঘোষণা করেছে যে, আগামী ১০ই নভেম্বর সোনিয়া গান্ধীর এই স্মৃতিকথাটি প্রকাশিত হবে।

 

 

পড়ুন>>যুক্তরাজ্যে গ্র্যাজুয়েটদের চাকরির বাজারে বড় ধস, এক বছরে সুযোগ কমল ৪৫ শতাংশ

নিজের স্মৃতিকথা নিয়ে দেওয়া বিবৃতিতে সোনিয়া গান্ধী বলেন, তার পরিবারকে নিয়ে অনেক কিছু লেখা হলেও পরিবারের সদস্যদের কর্মকাণ্ড, উদ্দেশ্য এবং মানুষের স্বাভাবিক দুর্বলতার সত্যিকারের চিত্র খুব কমই উঠে এসেছে। তিনি এই বইটিকে তার পরিবারের মানবিকতার প্রতি একটি শ্রদ্ধাঞ্জলি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একইসঙ্গে গত ছয় দশকে ভারতে ঘটে যাওয়া সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের একটি অনন্য দৃষ্টিভঙ্গি পাঠকরা এই বইটিতে খুঁজে পাবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

পড়ুন>>মক্কায় বিশেষ প্রার্থনা ও তরুণদের প্রতি রাখি সাওয়ান্তের আবেগঘন বার্তা

বইটিতে নিজের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ও ঘটনাবহুল অধ্যায়গুলো তুলে ধরেছেন সোনিয়া গান্ধী। ১৯৮৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও তার শাশুড়ি ইন্দিরা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড এবং পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে স্বামী রাজীব গান্ধীর হত্যাকাণ্ডের পর তার ব্যক্তিগত জীবন সম্পূর্ণ বদলে যায়। এরপরই তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন এবং দীর্ঘ সময় ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্ব দেন। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের পরাজয় এবং নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের ক্ষমতায় আসার প্রেক্ষাপটও এখানে উঠে এসেছে।

সোনিয়া গান্ধী জানান, প্রিয়জন হারানোর শোক ও হৃদয়ভাঙা অভিজ্ঞতাই তাকে রাজনীতির প্রকাশ্য জগতে ঠেলে দিয়েছিল, যদিও আগে তিনি নিজের জীবনকে কঠোরভাবে আড়াল করে রাখতেন।

আরও পড়ুন>>বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে চীনা উদ্যোক্তাদের আহ্বান এফবিসিসিআইয়ের

স্মৃতিকথা লেখার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে সোনিয়া গান্ধী বলেন, নিজের জীবন নিয়ে লেখা তার জন্য সহজ ছিল না। এটি ছিল নিজেকে উন্মুক্ত করার মতো একটি প্রক্রিয়া, যেখানে তিনি এমন কিছু মুহূর্ত ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন যা এতদিন গভীরে লুকিয়ে রেখেছিলেন। তবে রাজনীতির সক্রিয় পরিসর থেকে সরে এসে অতীতের দিকে তাকালে তিনি জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে ভালোবাসা ও আনুগত্যের একটি যোগসূত্র দেখতে পান।

 

 

ইতালির ছোট শহরে কাটানো সরল শৈশব থেকে শুরু করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর পুত্রবধূ এবং রাজীব গান্ধীর স্ত্রী হিসেবে কাটানো জটিল জীবন—সবই এই বইয়ের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে। তার ভাষায়, এটি ভালোবাসা, পরিবার, ব্যক্তিগত ক্ষতি এবং ছয় দশকের ভারতীয় সমাজ-রাজনীতির পরিবর্তনের এক দীর্ঘ যাত্রা।

 

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!