ঢাকা ০২:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩০ শয্যার ডেঙ্গু ইউনিট চালু দীর্ঘ এক যুগ পর ঢাকায় ফিরছে বাটেক্সপো ২০২৬ মানবতার নিঃশব্দ পদচারণা: বাংলাদেশে ইতালীয়দের অবদান ও ঐতিহাসিক স্বীকৃতি বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ১০০ শিক্ষককে বিশেষ সম্মাননা দেবে সরকার ক্ষেতলালে ভুয়া ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট দিয়ে কোটি টাকা সৌদি আরবের সুরক্ষায় শর্তহীন প্রতিশ্রুতি পাকিস্তানের ফুটবলের বাস্তবতা বুঝেন না অনেকে: কোচ ডুলি ৮৩ দ্বীপের ভানুয়াতু: প্রশান্ত মহাসাগরের এক অনন্য বৈচিত্র্যের দেশ বাংলাদেশ-চায়না রিনিউয়েবল এনার্জি কোম্পানিতে বড় নিয়োগ কৃষ্ণপুরের সেই ট্র্যাজেডি: ৫৫ বছরেও অমোচনীয় স্বজন হারানোর বেদনা

সরকারি চাকরিতে তদবিরে কড়াকড়ি: নথিতে থাকবে আজীবন রেকর্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৯:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সরকারি কর্মচারীদের চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত তদবির ঠেকাতে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এখন থেকে এ ধরনের তদবিরের ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর বাইরেও, সেই কর্মচারীর পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি বা মহলের তদবিরের বিস্তারিত তথ্য তার সার্ভিস বুক বা চাকরি সংক্রান্ত নথিতে (ডোসিয়ার) আজীবনের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে বলে নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি দেশের সব সিনিয়র সচিব, সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সরকারি কর্মচারীদের করণীয় ও আচরণবিধি ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে। অথচ সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে, অনেক কর্মচারী তাদের চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে বিভিন্ন দফতরে তদবির করতে প্রভাবশালী ব্যক্তি বা অন্য প্রতিনিধিদের পাঠাচ্ছেন, যা বিধিমালাটির ২০ নম্বর বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, এই ধরনের কর্মকাণ্ড ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’-এর ২(খ) ধারার আলোকে অসদাচরণের শামিল। ফলে কেউ ব্যক্তিগত বা অনাকাঙ্ক্ষিত তদবির করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ ধরনের তদবিরের বিষয়টি ডোসিয়ারে স্থায়ীভাবে লিপিবদ্ধ করে রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে এই কড়াকড়ির মানে এই নয় যে, কর্মচারী তার ন্যায্য অধিকার বা আবেদন জানাতে পারবেন না। কোনো সরকারি কর্মচারী তার চাকরি সংক্রান্ত প্রয়োজনে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগে আবেদন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষকে সেই আবেদন সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে যৌক্তিকভাবে নিষ্পত্তি করার বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়েছে। সব দপ্তর ও সংস্থাকে এই নির্দেশনা দ্রুত কার্যকর করার জন্য বলা হয়েছে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সরকারি চাকরিতে তদবিরে কড়াকড়ি: নথিতে থাকবে আজীবন রেকর্ড

আপডেট সময় : ১১:৩৯:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি কর্মচারীদের চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত তদবির ঠেকাতে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এখন থেকে এ ধরনের তদবিরের ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর বাইরেও, সেই কর্মচারীর পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি বা মহলের তদবিরের বিস্তারিত তথ্য তার সার্ভিস বুক বা চাকরি সংক্রান্ত নথিতে (ডোসিয়ার) আজীবনের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে বলে নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি দেশের সব সিনিয়র সচিব, সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সরকারি কর্মচারীদের করণীয় ও আচরণবিধি ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে। অথচ সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে, অনেক কর্মচারী তাদের চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে বিভিন্ন দফতরে তদবির করতে প্রভাবশালী ব্যক্তি বা অন্য প্রতিনিধিদের পাঠাচ্ছেন, যা বিধিমালাটির ২০ নম্বর বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, এই ধরনের কর্মকাণ্ড ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’-এর ২(খ) ধারার আলোকে অসদাচরণের শামিল। ফলে কেউ ব্যক্তিগত বা অনাকাঙ্ক্ষিত তদবির করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ ধরনের তদবিরের বিষয়টি ডোসিয়ারে স্থায়ীভাবে লিপিবদ্ধ করে রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে এই কড়াকড়ির মানে এই নয় যে, কর্মচারী তার ন্যায্য অধিকার বা আবেদন জানাতে পারবেন না। কোনো সরকারি কর্মচারী তার চাকরি সংক্রান্ত প্রয়োজনে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগে আবেদন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষকে সেই আবেদন সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে যৌক্তিকভাবে নিষ্পত্তি করার বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়েছে। সব দপ্তর ও সংস্থাকে এই নির্দেশনা দ্রুত কার্যকর করার জন্য বলা হয়েছে।

Facebook Comments Box