ঢাকা ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভূরুঙ্গামারীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় সমবায় দিবস পালন ভূরুঙ্গামারীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নীলফামারীতে পৃথক দুই সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ৪ বিরলে বিএনপির আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন নওগাঁয় ডিসি গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের পর্দা উঠছে ১০ নভেম্বর নাগেশ্বরীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল নওগাঁয় ইট প্রস্তুতকারক মালিক সমিতির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো র‍্যাগিং চলবে না-উপাচার্য হাসানাত আলী কাউনিয়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও র‍্যালি সরিষাবাড়ীতে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

সব নারীরা স্বপ্ন দেখে স্বামী, সন্তান ও সংসার নিয়ে ব‍্যস্ত থাকার

সিঙ্গাপুর থেকে শফিকুল ইসলাম রিপন
  • আপডেট সময় : ০৯:০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জুন ২০২৩ ৭১১ বার পড়া হয়েছে

সব নারীরা স্বপ্ন দেখে স্বামী, সন্তান ও সংসার নিয়ে

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সব নারীরা স্বপ্ন দেখে স্বামী, সন্তান ও সংসার নিয়ে ব‍্যস্ত থাকার। সেটা সবার হয়ে ওঠে না। পরিস্থিতির কারণেই কেউ কোমল হাত শক্ত করে সংসারের হাল ধরে। কেউ আবার বাবা ভাইয়ের সংসারে নিজেকে বোঝা ভেবে মানসিক কষ্ট নিয়ে দিনাতিপাত করেন।

কোন নারীই বাচ্চা ঘরের কাজ রেখে আয়ের জন‍্য বাহিরে বের হতে চায় না। সব নারীরই একটাই স্বপ্ন থাকে স্বামীর সংসারের সুখে থাকতে। কিন্তু পরিস্থিতিই পাল্টে দেয়। স্বামী, সন্তান ও সংসার নিয়ে ব‍্যস্ত থাকার স্বপ্নকে। ওই অবলা মন ও হাত দিয়েই ধরতে হয় সংসারের হাল।

অথচ নারী আর পুরুষ দুইজনেই আল্লাহতালার তৈরী মানব জাতি। আল্লাহ পাক নিজেই তাদের কাজকে আলাদা করে দিয়েছেন।

ছেলেরা কাজ করবে মাঠে ঘাটে আর নারীরা থাকবে বাড়িতে। ছেলেরা টাকা ইনকাম করে স্ত্রীর হাতে দিবে। স্ত্রী সেই টাকায় পরিবারের দরকারী জিনিস কিনে আনবে। বাকি টাকা ভবিষ্যতের জন্য জমিয়ে রাখবে।

ছেলেরা পরিশ্রম করবে বাহিরে আর নারীরা ঘরে। এটাই হবার কথা। তবুও আজকে কেন মেয়েরা বাহিরে কাজের তাগিদে ছুটছে?

আসলে কিছু নারী বাড়তি আয় করে সংসারের একটু আয় বাড়াতে। আবার কিছু নারী আছে স্বামী থেকে পরিত‍্যাক্ত হয়ে সংসারের হাল ধরতে।আবার কিছু নারীকে তারা বাবা,মাকে ভালো রাখতে এখনো বিয়ে না করে কাজ করে তাদের সেবা করতে।

হয়তো বা ভাই নেই নয়তো বা ভাই বিয়ে করে চলে গেছে বউ নিয়ে। বৃদ্ধ বাবা, মাকে এখন তার মেয়ে কাজ করে খাওয়াচ্ছে।

নারী তাই কখনো বেকার নয়। যদিও সে বলে আমি কিছু করি না। সংসার দেখি যেন এটা কাজ নয়।

কোন মেয়েই বাচ্চা ঘরের কাজ রেখে আয়ের জন‍্য বাহিরে বের হতে চায় না। সব মেয়েরই একটাই স্বপ্ন থাকে স্বামীর সংসারের সুখে থাকতে। কিন্তু পরিস্থিতিই পাল্টে দেয়। স্বামী, সন্তান ও সংসার নিয়ে ব‍্যস্ত থাকার স্বপ্নকে। ওই অবলা মন ও হাত দিয়েই ধরতে হয় সংসারের হাল।

আপনি কাকে দোষ দিবেন? মেয়েকে নাকি পরিস্থিতিকে? ওই সমস্ত নারীগুলো পরিস্থিতির কারণে ঘরের বাহিরে কাজ করে। ঝুঁকি নিয়েই বিদেশে আসে।

 

বর্তমানে বিশ্বের শ্রম বাজারে নারী শ্রমিকের সংখ‍্যা প্রচুর। পরিস্থিতি সামাল দিতে সামনের দিকে এগোতে এগোতে এখন নারী শ্রমিকরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছে।

শ্রমিক হিসেবে নারী স্বীকৃত কিনা, তার মজুরী বৈষম্য কেন ঘটছে, বা মুল অর্থনীতিতে নারীর ভুমিকা কি সেটা বারে বারে প্রশ্ন ওঠে, কিন্তু কোন সুরাহা হয় না।

কিছুটা পাওনা আদায় করা গেলেও পুরুষ শ্রমিকের সমান বা আন্তর্জাতিক মানের কোন কাঠামোতে নারীকে ধরা হয় না।

অথচ নারী সবসময়ই শ্রমজীবী, সেটা বাড়ীর ভেতরে হোক বা বাইরে। নারী জন্মের পর থেকে বুঝতে শেখার অংশ হিসেবে তাকে কম পক্ষে গৃহস্থালি কাজ শিখে রাখতে হয়। নইলে তার যে মূল ঠিকানা, অর্থাৎ শ্বশুর বাড়ী সেখানে ঠাঁই হবে না। সেটাই তার কর্মস্থল।

নারী তাই কখনো বেকার নয়। যদিও সে বলে আমি কিছু করি না, সংসার দেখি যেন এটা কাজ নয়।

এগুলো পুরণো প্রসংগ, তবুও নারী শ্রমিককে যখন পথে ঘাটে দেখি এবং তার অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হবার যে যন্ত্রণা দেখি তখন এই মৌলিক দিকগুলো সামনে চলে আসে। নারীর প্রতি মনোভাব কি আমাদের আদৌ বদলেছে? বদল হয়েছে কি আমাদের দৃষ্টি ভঙ্গি।

এখনো অনেকেই তাদের নিয়ে বাজে মন্তব‍্য করি। আড় চোখে দেখি। আমাদের ওই পরিশ্রমী নারীদের নিয়ে বাজে কথা না বলে। আগে তার পরিস্থিতিকে ভালো করে জানা উচিত। তাদের পাশে দাঁড়ানো উচিত। তাদের অবক্তা না করে অভয় দেয়ার।

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সব নারীরা স্বপ্ন দেখে স্বামী, সন্তান ও সংসার নিয়ে ব‍্যস্ত থাকার

আপডেট সময় : ০৯:০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জুন ২০২৩

সব নারীরা স্বপ্ন দেখে স্বামী, সন্তান ও সংসার নিয়ে ব‍্যস্ত থাকার। সেটা সবার হয়ে ওঠে না। পরিস্থিতির কারণেই কেউ কোমল হাত শক্ত করে সংসারের হাল ধরে। কেউ আবার বাবা ভাইয়ের সংসারে নিজেকে বোঝা ভেবে মানসিক কষ্ট নিয়ে দিনাতিপাত করেন।

কোন নারীই বাচ্চা ঘরের কাজ রেখে আয়ের জন‍্য বাহিরে বের হতে চায় না। সব নারীরই একটাই স্বপ্ন থাকে স্বামীর সংসারের সুখে থাকতে। কিন্তু পরিস্থিতিই পাল্টে দেয়। স্বামী, সন্তান ও সংসার নিয়ে ব‍্যস্ত থাকার স্বপ্নকে। ওই অবলা মন ও হাত দিয়েই ধরতে হয় সংসারের হাল।

অথচ নারী আর পুরুষ দুইজনেই আল্লাহতালার তৈরী মানব জাতি। আল্লাহ পাক নিজেই তাদের কাজকে আলাদা করে দিয়েছেন।

ছেলেরা কাজ করবে মাঠে ঘাটে আর নারীরা থাকবে বাড়িতে। ছেলেরা টাকা ইনকাম করে স্ত্রীর হাতে দিবে। স্ত্রী সেই টাকায় পরিবারের দরকারী জিনিস কিনে আনবে। বাকি টাকা ভবিষ্যতের জন্য জমিয়ে রাখবে।

ছেলেরা পরিশ্রম করবে বাহিরে আর নারীরা ঘরে। এটাই হবার কথা। তবুও আজকে কেন মেয়েরা বাহিরে কাজের তাগিদে ছুটছে?

আসলে কিছু নারী বাড়তি আয় করে সংসারের একটু আয় বাড়াতে। আবার কিছু নারী আছে স্বামী থেকে পরিত‍্যাক্ত হয়ে সংসারের হাল ধরতে।আবার কিছু নারীকে তারা বাবা,মাকে ভালো রাখতে এখনো বিয়ে না করে কাজ করে তাদের সেবা করতে।

হয়তো বা ভাই নেই নয়তো বা ভাই বিয়ে করে চলে গেছে বউ নিয়ে। বৃদ্ধ বাবা, মাকে এখন তার মেয়ে কাজ করে খাওয়াচ্ছে।

নারী তাই কখনো বেকার নয়। যদিও সে বলে আমি কিছু করি না। সংসার দেখি যেন এটা কাজ নয়।

কোন মেয়েই বাচ্চা ঘরের কাজ রেখে আয়ের জন‍্য বাহিরে বের হতে চায় না। সব মেয়েরই একটাই স্বপ্ন থাকে স্বামীর সংসারের সুখে থাকতে। কিন্তু পরিস্থিতিই পাল্টে দেয়। স্বামী, সন্তান ও সংসার নিয়ে ব‍্যস্ত থাকার স্বপ্নকে। ওই অবলা মন ও হাত দিয়েই ধরতে হয় সংসারের হাল।

আপনি কাকে দোষ দিবেন? মেয়েকে নাকি পরিস্থিতিকে? ওই সমস্ত নারীগুলো পরিস্থিতির কারণে ঘরের বাহিরে কাজ করে। ঝুঁকি নিয়েই বিদেশে আসে।

 

বর্তমানে বিশ্বের শ্রম বাজারে নারী শ্রমিকের সংখ‍্যা প্রচুর। পরিস্থিতি সামাল দিতে সামনের দিকে এগোতে এগোতে এখন নারী শ্রমিকরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছে।

শ্রমিক হিসেবে নারী স্বীকৃত কিনা, তার মজুরী বৈষম্য কেন ঘটছে, বা মুল অর্থনীতিতে নারীর ভুমিকা কি সেটা বারে বারে প্রশ্ন ওঠে, কিন্তু কোন সুরাহা হয় না।

কিছুটা পাওনা আদায় করা গেলেও পুরুষ শ্রমিকের সমান বা আন্তর্জাতিক মানের কোন কাঠামোতে নারীকে ধরা হয় না।

অথচ নারী সবসময়ই শ্রমজীবী, সেটা বাড়ীর ভেতরে হোক বা বাইরে। নারী জন্মের পর থেকে বুঝতে শেখার অংশ হিসেবে তাকে কম পক্ষে গৃহস্থালি কাজ শিখে রাখতে হয়। নইলে তার যে মূল ঠিকানা, অর্থাৎ শ্বশুর বাড়ী সেখানে ঠাঁই হবে না। সেটাই তার কর্মস্থল।

নারী তাই কখনো বেকার নয়। যদিও সে বলে আমি কিছু করি না, সংসার দেখি যেন এটা কাজ নয়।

এগুলো পুরণো প্রসংগ, তবুও নারী শ্রমিককে যখন পথে ঘাটে দেখি এবং তার অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হবার যে যন্ত্রণা দেখি তখন এই মৌলিক দিকগুলো সামনে চলে আসে। নারীর প্রতি মনোভাব কি আমাদের আদৌ বদলেছে? বদল হয়েছে কি আমাদের দৃষ্টি ভঙ্গি।

এখনো অনেকেই তাদের নিয়ে বাজে মন্তব‍্য করি। আড় চোখে দেখি। আমাদের ওই পরিশ্রমী নারীদের নিয়ে বাজে কথা না বলে। আগে তার পরিস্থিতিকে ভালো করে জানা উচিত। তাদের পাশে দাঁড়ানো উচিত। তাদের অবক্তা না করে অভয় দেয়ার।

 

Facebook Comments Box