শেরপুরে বন্য হাতির পাল আরো ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে খেয়ে সাবার করেছে গোলার ধান-চাল : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
শেরপুরে বন্য হাতির পাল আরো ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে খেয়ে সাবার করেছে গোলার ধান-চাল : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রেক্ষাপট: নতুন নয়, বিদ্যমান ক্রীড়া স্থাপনা স্বয়ংসম্পূর্ণ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রয়াত নেত্রী খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ: স্মরণ ও প্রার্থনায় বিএনপি জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পরেও বিচারের অপেক্ষায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থি শিক্ষকরা ভূরুঙ্গামারীতে ইয়াবা ও হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে স্থবির দেশের শিল্প খাত, উৎপাদন নেমেছে তলানিতে মিরাজের ফিফটি ও তাসকিনের দৃঢ়তায় দুইশ ছাড়াল বাংলাদেশের লিড ১৫ আগস্ট ঘিরে দেশজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা, রাজধানীতে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মী আটক মেসির পথ ধরে এমএলএসে ইউরোপীয় তারকাদের জয়জয়কার রাণীশংকৈলে মির্জা রুহুল আমিন স্মৃতি গোল্ডকাপের যাত্রা শুরু ফোনের কভারে তেজপাতা, কেন নতুন ট্রেন্ড?

শেরপুরে বন্য হাতির পাল আরো ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে খেয়ে সাবার করেছে গোলার ধান-চাল

শেরপুর থেকে মিজানুর রহমান
  • প্রকাশিত : রবিবার, ২২ জুন, ২০২৫
শেরপুরে বন্য হাতির পাল আরো ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে খেয়ে সাবার করেছে গোলার ধান-চাল

 

 

শেরপুরে বন্য হাতির পাল আরো ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে খেয়ে সাবার করেছে গোলার ধান-চাল

 

 

 
শেরপুরে বন্য হাতির পাল আরো ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে খেয়ে সাবার করেছে গোলার ধান-চাল

শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের পানিহাটা ও তাড়ানী গ্রামে বন্যহাতি ৩টি ঘরবাড়ি ভেঙে তছনছ করে। ঘর থেকে পালিয়ে গিয়ে প্রাণে রক্ষা পান বাড়ির মালিকসহ অন্যান্য সদস্যগণ।

 

 

গত শুক্রবার রাতে বন্যহাতির পালটি ওইসব পরিবারের ঘরে রাখা ধান, চাল, গাছের কাঁঠাল ও কলাগাছ খেয়ে সাবাড় করেছে। পরিবারগুলো হচ্ছে কালাকুমা গ্রামের হাবি মিয়া ও তাঁর মেয়ে পুতুল। তাদের ১টি করে বসতঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে।

পড়ুন>> কাউনিয়ায় প্লাস্টিক দূষণ বন্ধে আলোচনা সভা

 

এছাড়া তাড়ানী গ্রামের হোসেন আলীর এক বসত ও এক রান্নাঘর লন্ডভন্ড করে ফেলেছে। ঘরে গোলায় রাখা ধান, চাল, গাছের কাঁঠাল ও কলাগাছ খেয়ে সাবাড় করেছে বন্যহাতির পাল।

 

 

এলাকাবাসী জানান, প্রায় প্রতিদিনই পাহাড়ি উপজেলা ৩টির কোনো না কোনো পাহাড়ি বাড়িঘরে হানা দিচ্ছে। মানুষ জানমাল রক্ষার্থে প্রতিরোধ গড়ে তুলেও কোনো ফল পাচ্ছেন না।

 

 

তারা হাতির অত্যাচার বন্ধ করতে সরকারিভাবে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান। উত্তর ময়মনসিংহ বন বিভাগের মধুটিলা রেঞ্জ অফিসার দেওয়ান আলী বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে বন বিভাগের নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে বলা হয়েছে। আবেদন পেলে তাদেরকে বনবিভাগ থেকে ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে।

 

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!