রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্পের ৫৯ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্পের ৫৯ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ: দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ২৪ ঘণ্টা আগে নোটিশ দেওয়ার আহ্বান ৪১ দেশের তুরস্ক সফরের সময় ট্রাম্পের গোপন বিমান বদল: নেপথ্যে ছিল ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি বাবার মৃত্যুশোকে কাতর মেসি ফিরলেন মাঠে, লিগস কাপ থেকে বিদায় মায়ামির বরিশাল আদালত প্রাঙ্গণে বিস্ফোরণ ও সাভারে জেএমবি আস্তানায় অভিযান রাজকুমার সন্তোষীর ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’: সানি দেওল ও প্রীতি জিনতার পারিশ্রমিক নিয়ে চর্চা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটে ফিরছে বাংলাদেশ: রেকর্ডের হাতছানি ও কঠিন চ্যালেঞ্জ সিলেটে তিনজনকে প্রাণহানির ঘটনায় রংমিস্ত্রি বাবুল গ্রেপ্তার কুড়িগ্রামে গণশুনানিতে জনতার কথা শুনছে প্রশাসন: সেবার দুয়ারে নতুন আস্থার বার্তা তিন শহরে নারীদের জন্য বাস সার্ভিসে ই-টিকিটিং সেবা দেবে সহজ

রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্পের ৫৯ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ

সৃষ্টি নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৪
৫৯ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ

রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্পের ৫৯ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ

রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে ৫০০ কোটি ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় ৫৯ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
রোববার (১৮ আগস্ট) গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পের এক প্রতিবেদন থেকে এমন তথ্য জানা যায়।

এতে বলা হয়, রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা-রোসাট্রম মালয়েশিয়ার একটি ব্যাংকের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে এ অর্থ আত্মসাতের সুযোগ করে দেয়। যাতে মধ্যস্ততা করেন ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয় ও ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিক।

গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রাশিয়ার সহযোগিতায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মাণে খরচ ধরা হয় এক হাজার ২৬৫ কোটি ডলার। প্রয়োজনের তুলনায় যা অনেক বেশি। যাতে মালয়েশিয়ার একটি ব্যাংকের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে এই বাজেট থেকে ৫০০ কোটি ডলার আত্মসাতের সুযোগ করে দেয় প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা-রোসাট্রম।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নিজের ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিকের মধ্যস্থতায় রাশিয়ার সঙ্গে এ চুক্তি করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর এ মধ্যস্থতার বিনিময়ে পাচার করা অর্থের ৩০ শতাংশ পেয়েছেন টিউলিপ, শেখ রেহানা ও পরিবারের কয়েকজন সদস্য।

২০১৩ সালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে শেখ হাসিনার সাক্ষাতের সময় সঙ্গী ছিলেন টিউলিপ সিদ্দিক। গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পের দাবি, সে সময় ঢাকা-মস্কোর বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তির মধ্যস্থতাও করেন তিনি।

২০০৯ সালে প্রচ্ছায়া লিমিটেড নামে একটি ভুয়া কোম্পানি চালু করেন টিউলিপ সিদ্দিক, তার মা শেখ রেহানা ও চাচা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক। যুক্তরাষ্ট্রেও জুমানা ইনভেস্টমেন্ট নামে তাদের একটি কোম্পানি রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পের দাবি, এ কোম্পানির মাধ্যমেই বিভিন্ন দেশের অফশোর অ্যাকাউন্টে অর্থপাচার করতেন শেখ হাসিনা। তাদের এ কোম্পানিটি ডেসটিনি গ্রুপ নামে একটি চিটিং ফান্ড কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত হয়ে যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলার পাচার করেছে। তথ‍্য সুত্র

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!