বাগেরহাটে ২২ কেজির বিরল ধাতিনা ভোল মাছ বিক্রি হলো সাড়ে ৩ লাখ টাকায় : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
বাগেরহাটে ২২ কেজির বিরল ধাতিনা ভোল মাছ বিক্রি হলো সাড়ে ৩ লাখ টাকায় : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাগেরহাটে ২২ কেজির বিরল ধাতিনা ভোল মাছ বিক্রি হলো সাড়ে ৩ লাখ টাকায় বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ: দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ২৪ ঘণ্টা আগে নোটিশ দেওয়ার আহ্বান ৪১ দেশের তুরস্ক সফরের সময় ট্রাম্পের গোপন বিমান বদল: নেপথ্যে ছিল ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি বাবার মৃত্যুশোকে কাতর মেসি ফিরলেন মাঠে, লিগস কাপ থেকে বিদায় মায়ামির বরিশাল আদালত প্রাঙ্গণে বিস্ফোরণ ও সাভারে জেএমবি আস্তানায় অভিযান রাজকুমার সন্তোষীর ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’: সানি দেওল ও প্রীতি জিনতার পারিশ্রমিক নিয়ে চর্চা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটে ফিরছে বাংলাদেশ: রেকর্ডের হাতছানি ও কঠিন চ্যালেঞ্জ সিলেটে তিনজনকে প্রাণহানির ঘটনায় রংমিস্ত্রি বাবুল গ্রেপ্তার কুড়িগ্রামে গণশুনানিতে জনতার কথা শুনছে প্রশাসন: সেবার দুয়ারে নতুন আস্থার বার্তা

বাগেরহাটে ২২ কেজির বিরল ধাতিনা ভোল মাছ বিক্রি হলো সাড়ে ৩ লাখ টাকায়

সৃষ্টি ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬

বঙ্গোপসাগরে ধরা পড়া ২২ কেজি ওজনের একটি বিরল ‘ধাতিনা ভোল’ মাছ বাগেরহাটে ৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে বাগেরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের মিরাজ হাওলদার আড়তে মাছটি নিলামে তোলা হয়। প্রতি কেজি ১৬ হাজার ১৩৬ টাকা দরে মাছটি কিনে নেন মৎস্য ব্যবসায়ী হারুন মীর। মাছটির বিশাল দাম পাওয়ায় স্থানীয় জেলেদের মধ্যে আনন্দের আমেজ তৈরি হয়েছে।

গত ১১ আগস্ট বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বগা গ্রামের ইলিয়াছ হোসেনের মালিকানাধীন ‘এফবি মায়ের দোয়া’ ট্রলারে মাছটি ধরা পড়ে। ট্রলারের মাঝি ইলিয়াছ হোসেন জানান, সাগরে আবহাওয়া প্রতিকূল থাকায় ইলিশ মাছ মিলছিল না। ফেরার পথে শেষবারের মতো জাল ফেললে এই বড় মাছটি আটকা পড়ে। অনেক বছর পর এমন বড় আকারের ধাতিনা ভোল পাওয়ায় তারা বেশ আনন্দিত।

ক্রেতা হারুন মীর জানান, মাছটির বাজার দর মণপ্রতি প্রায় ৬ লাখ টাকা। সেই হিসেবে ২২ কেজির মাছটির দাম ৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকা পড়েছে। তিনি মাছটি বরফ দিয়ে বড় মোকামে পাঠাবেন এবং সেখান থেকে চট্টগ্রামে বিক্রির পরিকল্পনা করেছেন। এই মাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা লাভের আশা করছেন তিনি। সাধারণত চীন, থাইল্যান্ডসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে এই মাছের পটকার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

উপকূলীয় মৎস্য সমবায় সমিতির সভাপতি ইদ্রিস আলী জানান, অসাধু ব্যবসায়ীরা ছোট জাল ব্যবহার করায় অনেক সময় মাছ বড় হওয়ার আগেই ধরা পড়ে যায়। তবে এত বড় মাছ পাওয়া বিরল ঘটনা। তিনি আরও জানান, মাছের পটকা ওষুধ, সার্জিক্যাল সুতা ও প্রসাধনী তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, যার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে এর প্রচুর চাহিদা ও উচ্চমূল্য রয়েছে। বঙ্গোপসাগরে মাঝেমধ্যে এমন বিরল মাছ ধরা পড়লে তা জেলেদের ভাগ্য বদলে দেয়।

আশা করি ৫০ হাজার টাকা লাভ করতে পারব।

তাই বাড়ি ফেরার শেষ মুহূর্তে সাগরে জাল ফেলা হয়।

এটি প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

অনেকদিন পর এই মাছ পাওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!