ঢাকা ০৫:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফেনীতে বিজিবির অভিযানে অর্ধকোটি টাকার বেশি মূল্যের মদ ও গরু জব্দ রাণীশংকৈলে শয়নকক্ষ থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: মায়ের মামলায় অপমৃত্যুর তদন্ত এনসিসি ব্যাংকে শাখা ব্যবস্থাপক পদে নিয়োগ তাড়াশ উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিঃ পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন রাণীশংকৈলে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে নির্ভুল তথ্য সংগ্রহে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন দোহা–রিয়াদ রুটে কাতার এয়ারওয়েজের একাধিক ফ্লাইট বাতিল বিরল ও পীরগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও মদ উদ্ধার রাণীশংকৈলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা, ৫৫ মণ্ডপের নিরাপত্তায় জোর মাদরাসার সাবেক উপাধ্যক্ষের পেনশন বণ্টন নিয়ে পরিবারের বিরোধ তাহিরপুরে থমকে গেছে ছাত্রী যৌন হয়রানির অভিযোগের বিচার

প্রেক্ষাপট: মুসলিম নারীদের ইতিহাস ও অবদান সংরক্ষণে কাতারের বৈশ্বিক উদ্যোগ ‘আলফু মুসলিমাহ

সৃষ্টি আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:০৮:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশ্বজুড়ে মুসলিম নারীদের ঐতিহাসিক অবদান ও নেতৃত্বকে নতুন করে তুলে ধরতে কাতারের আল-মুজাদিলাহ সেন্টার অ্যান্ড মসজিদ ফর উইমেন ‘আলফু মুসলিমাহ’ নামে একটি বিশেষায়িত বৈশ্বিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো ইতিহাসে মুসলিম নারীদের জীবন, বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা এবং তাদের দীর্ঘস্থায়ী উত্তরাধিকারকে একটি সমন্বিত বিশ্বকোষের মাধ্যমে নথিবদ্ধ করা।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রচলিত সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করা হবে, যেখানে মনে করা হয় যে ইতিহাসে নেতৃত্বদানকারী মুসলিম নারীরা কেবল ব্যতিক্রমী কিছু ব্যক্তি ছিলেন। আল-মুজাদিলাহর রিসার্চ ম্যানেজার ড. নাজাহ নাদি জানান, তরুণ প্রজন্মের কাছে মুসলিম নারীদের আদর্শ হিসেবে উপস্থাপন করার প্রয়োজনীয়তা থেকেই এই প্রকল্পের ধারণা এসেছে। তিনি বলেন, “আমরা আবিষ্কার করেছি যে ইসলামী নেতৃত্বের মডেল ধারণকারী মুসলিম নারীদের পরিসর এতটাই বিস্তৃত যে, তাদের ব্যতিক্রমী নারী হওয়ার যে ধারণা রয়েছে, তা আর টেকে না।”

প্রকল্পটি ইসলামী সভ্যতাভুক্ত বিশ্বের ১১টি বিস্তৃত অঞ্চলকে অন্তর্ভুক্ত করবে। এর মধ্যে রয়েছে আরবি ও ফার্সি-প্রভাবিত অঞ্চল, তুর্কি এলাকা, ভারতীয় উপমহাদেশ, সাব-সাহারান আফ্রিকা, মালয় দ্বীপপুঞ্জ, চীন ও পূর্ব এশিয়া, মধ্য এশিয়া, ইংরেজিভাষী দেশসমূহ, মূল ভূখণ্ডের ইউরোপ এবং লাতিন আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল।

ড. নাজাহ নাদি আরও বলেন, “আলফু মুসলিমাহ প্রকল্পের লক্ষ্য হলো এসব ইতিহাসকে সহজলভ্য করে তোলা এবং ‘রিআয়া’ বা দায়িত্বশীল তত্ত্বাবধানের ইসলামী ধারণার আলোকে নারীদের নেতৃত্ব সম্পর্কে বিস্তৃত ধারণা তুলে ধরা।” তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, জ্ঞান উৎপাদন, রাজনীতি, সমাজ ও অর্থনৈতিক জীবনে নারীদের অবদান নতুন কিছু নয়, বরং তারা ঐতিহাসিকভাবেই এসব ক্ষেত্রে সক্রিয় ছিলেন।

গবেষণার অংশ হিসেবে ৫০০টিরও বেশি জীবনী অভিধান, পাণ্ডুলিপি, আর্কাইভ এবং ধ্রুপদি ও সমকালীন উৎস ব্যবহার করা হবে। শুধু নারীদের তথ্য সংগ্রহই নয়, বরং ঐতিহাসিক উৎসগুলোতে তাদের কীভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং সময়ের সঙ্গে সেই বর্ণনার বিবর্তন কীভাবে ঘটেছে, তাও এই প্রকল্পের পর্যালোচনার অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এই উদ্যোগে অংশ নেওয়ার জন্য গবেষক, শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। আবেদনকারীরা প্রকল্পের সুপারিশকৃত তালিকা থেকে ব্যক্তিত্ব নির্বাচন করতে পারবেন অথবা নিজস্ব গবেষণার ক্ষেত্র থেকে নতুন নাম প্রস্তাব করতে পারবেন। প্রতিটি আবেদনকারী সর্বোচ্চ তিনটি প্রস্তাব জমা দেওয়ার সুযোগ পাবেন।

প্রস্তাবনাগুলো আরবি ও ইংরেজি উভয় ভাষায় গ্রহণ করা হবে এবং সেগুলোর গবেষণাগত মান ও পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে নির্বাচন করা হবে। এই উন্মুক্ত প্রস্তাবনা জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমা ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রকল্পটির অন্যতম উদ্দেশ্য হলো একাডেমিক গবেষণাকে গল্প বলা, মৌখিক ইতিহাস এবং ভিজ্যুয়াল উপকরণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে সহজবোধ্য করে তোলা। ড. নাজাহ আশা প্রকাশ করেন যে, এটি কেবল জীবনী সংকলন নয়, বরং মুসলিম নারীদের ইতিহাস নিয়ে ভবিষ্যৎ গবেষণার একটি দীর্ঘস্থায়ী সম্পদ হিসেবে গড়ে উঠবে।

ইতিহাসের উপেক্ষিত অংশগুলোকে সামনে এনে নতুন প্রজন্মকে তাদের শেকড় ও নেতৃত্বের ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতন করাই এই উদ্যোগের চূড়ান্ত লক্ষ্য। এর মাধ্যমে মুসলিম নারীদের অবদানের একটি সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় দলিল তৈরি হবে, যা গবেষণা ও শিক্ষার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করছে আল-মুজাদিলাহ সেন্টার। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সম্প্রতি দ্যা পেনিনসুলায় এবিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ উদ্যোগের আওতায় গবেষক ও শিক্ষাবিদদের একটি যৌথ বিশ্বকোষ তৈরিতে অংশগ্রহণেরও আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মুসলিম নারীদের এসব অবদান নথিবদ্ধ করা ইসলামের আরও পূর্ণাঙ্গ উপলব্ধি গড়ে তোলার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, মুসলিম সম্প্রদায়ের অর্ধেকই নারী। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে এমন সব অঞ্চল ও সময়ের নারীদের, যারা তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত এবং যাদের নিয়ে একাডেমিক গবেষণা বা জনপরিসরে আলোচনা কম হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ব্যক্তিবিশেষ নারীদের তথ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি, মুসলিম নারীদের কীভাবে ঐতিহাসিক উৎসগুলোতে নথিবদ্ধ ও উপস্থাপন করা হয়েছে, কোথায় তথ্যের ঘাটতি রয়েছে, সময়ের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কেমন ছিলো ও বর্ণনাগুলো কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে—তাও এই প্রকল্পে পর্যালোচনা করা হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নাজাহ আরো বলেন, “নারীদের সম্পর্কে নথি আছে কি না, আমরা শুধু সেটিই জানতে আগ্রহী নই; বরং নারীদের কীভাবে নথিবদ্ধ করা হয়েছে, সেটিও আমাদের আগ্রহের বিষয়।” তিনি জানান, মুসলিম নারীদের ইতিহাস কীভাবে সংরক্ষিত ও এর ব্যাখ্যা কিভাবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অংশগ্রহণকারীদের প্রচলিত জীবনী লেখার গণ্ডির বাইরে গিয়ে প্রত্যেক মুসলিম নারীর গুরুত্বপূর্ণ অবদান, নেতৃত্বের ধরন ও উত্তরাধিকার বিশ্লেষণ করতে হবে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: মুসলিম নারীদের ইতিহাস ও অবদান সংরক্ষণে কাতারের বৈশ্বিক উদ্যোগ ‘আলফু মুসলিমাহ

আপডেট সময় : ০৬:০৮:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

বিশ্বজুড়ে মুসলিম নারীদের ঐতিহাসিক অবদান ও নেতৃত্বকে নতুন করে তুলে ধরতে কাতারের আল-মুজাদিলাহ সেন্টার অ্যান্ড মসজিদ ফর উইমেন ‘আলফু মুসলিমাহ’ নামে একটি বিশেষায়িত বৈশ্বিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো ইতিহাসে মুসলিম নারীদের জীবন, বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা এবং তাদের দীর্ঘস্থায়ী উত্তরাধিকারকে একটি সমন্বিত বিশ্বকোষের মাধ্যমে নথিবদ্ধ করা।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রচলিত সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করা হবে, যেখানে মনে করা হয় যে ইতিহাসে নেতৃত্বদানকারী মুসলিম নারীরা কেবল ব্যতিক্রমী কিছু ব্যক্তি ছিলেন। আল-মুজাদিলাহর রিসার্চ ম্যানেজার ড. নাজাহ নাদি জানান, তরুণ প্রজন্মের কাছে মুসলিম নারীদের আদর্শ হিসেবে উপস্থাপন করার প্রয়োজনীয়তা থেকেই এই প্রকল্পের ধারণা এসেছে। তিনি বলেন, “আমরা আবিষ্কার করেছি যে ইসলামী নেতৃত্বের মডেল ধারণকারী মুসলিম নারীদের পরিসর এতটাই বিস্তৃত যে, তাদের ব্যতিক্রমী নারী হওয়ার যে ধারণা রয়েছে, তা আর টেকে না।”

প্রকল্পটি ইসলামী সভ্যতাভুক্ত বিশ্বের ১১টি বিস্তৃত অঞ্চলকে অন্তর্ভুক্ত করবে। এর মধ্যে রয়েছে আরবি ও ফার্সি-প্রভাবিত অঞ্চল, তুর্কি এলাকা, ভারতীয় উপমহাদেশ, সাব-সাহারান আফ্রিকা, মালয় দ্বীপপুঞ্জ, চীন ও পূর্ব এশিয়া, মধ্য এশিয়া, ইংরেজিভাষী দেশসমূহ, মূল ভূখণ্ডের ইউরোপ এবং লাতিন আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল।

ড. নাজাহ নাদি আরও বলেন, “আলফু মুসলিমাহ প্রকল্পের লক্ষ্য হলো এসব ইতিহাসকে সহজলভ্য করে তোলা এবং ‘রিআয়া’ বা দায়িত্বশীল তত্ত্বাবধানের ইসলামী ধারণার আলোকে নারীদের নেতৃত্ব সম্পর্কে বিস্তৃত ধারণা তুলে ধরা।” তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, জ্ঞান উৎপাদন, রাজনীতি, সমাজ ও অর্থনৈতিক জীবনে নারীদের অবদান নতুন কিছু নয়, বরং তারা ঐতিহাসিকভাবেই এসব ক্ষেত্রে সক্রিয় ছিলেন।

গবেষণার অংশ হিসেবে ৫০০টিরও বেশি জীবনী অভিধান, পাণ্ডুলিপি, আর্কাইভ এবং ধ্রুপদি ও সমকালীন উৎস ব্যবহার করা হবে। শুধু নারীদের তথ্য সংগ্রহই নয়, বরং ঐতিহাসিক উৎসগুলোতে তাদের কীভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং সময়ের সঙ্গে সেই বর্ণনার বিবর্তন কীভাবে ঘটেছে, তাও এই প্রকল্পের পর্যালোচনার অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এই উদ্যোগে অংশ নেওয়ার জন্য গবেষক, শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। আবেদনকারীরা প্রকল্পের সুপারিশকৃত তালিকা থেকে ব্যক্তিত্ব নির্বাচন করতে পারবেন অথবা নিজস্ব গবেষণার ক্ষেত্র থেকে নতুন নাম প্রস্তাব করতে পারবেন। প্রতিটি আবেদনকারী সর্বোচ্চ তিনটি প্রস্তাব জমা দেওয়ার সুযোগ পাবেন।

প্রস্তাবনাগুলো আরবি ও ইংরেজি উভয় ভাষায় গ্রহণ করা হবে এবং সেগুলোর গবেষণাগত মান ও পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে নির্বাচন করা হবে। এই উন্মুক্ত প্রস্তাবনা জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমা ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রকল্পটির অন্যতম উদ্দেশ্য হলো একাডেমিক গবেষণাকে গল্প বলা, মৌখিক ইতিহাস এবং ভিজ্যুয়াল উপকরণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে সহজবোধ্য করে তোলা। ড. নাজাহ আশা প্রকাশ করেন যে, এটি কেবল জীবনী সংকলন নয়, বরং মুসলিম নারীদের ইতিহাস নিয়ে ভবিষ্যৎ গবেষণার একটি দীর্ঘস্থায়ী সম্পদ হিসেবে গড়ে উঠবে।

ইতিহাসের উপেক্ষিত অংশগুলোকে সামনে এনে নতুন প্রজন্মকে তাদের শেকড় ও নেতৃত্বের ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতন করাই এই উদ্যোগের চূড়ান্ত লক্ষ্য। এর মাধ্যমে মুসলিম নারীদের অবদানের একটি সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় দলিল তৈরি হবে, যা গবেষণা ও শিক্ষার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করছে আল-মুজাদিলাহ সেন্টার। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সম্প্রতি দ্যা পেনিনসুলায় এবিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ উদ্যোগের আওতায় গবেষক ও শিক্ষাবিদদের একটি যৌথ বিশ্বকোষ তৈরিতে অংশগ্রহণেরও আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মুসলিম নারীদের এসব অবদান নথিবদ্ধ করা ইসলামের আরও পূর্ণাঙ্গ উপলব্ধি গড়ে তোলার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, মুসলিম সম্প্রদায়ের অর্ধেকই নারী। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে এমন সব অঞ্চল ও সময়ের নারীদের, যারা তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত এবং যাদের নিয়ে একাডেমিক গবেষণা বা জনপরিসরে আলোচনা কম হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ব্যক্তিবিশেষ নারীদের তথ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি, মুসলিম নারীদের কীভাবে ঐতিহাসিক উৎসগুলোতে নথিবদ্ধ ও উপস্থাপন করা হয়েছে, কোথায় তথ্যের ঘাটতি রয়েছে, সময়ের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কেমন ছিলো ও বর্ণনাগুলো কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে—তাও এই প্রকল্পে পর্যালোচনা করা হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নাজাহ আরো বলেন, “নারীদের সম্পর্কে নথি আছে কি না, আমরা শুধু সেটিই জানতে আগ্রহী নই; বরং নারীদের কীভাবে নথিবদ্ধ করা হয়েছে, সেটিও আমাদের আগ্রহের বিষয়।” তিনি জানান, মুসলিম নারীদের ইতিহাস কীভাবে সংরক্ষিত ও এর ব্যাখ্যা কিভাবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অংশগ্রহণকারীদের প্রচলিত জীবনী লেখার গণ্ডির বাইরে গিয়ে প্রত্যেক মুসলিম নারীর গুরুত্বপূর্ণ অবদান, নেতৃত্বের ধরন ও উত্তরাধিকার বিশ্লেষণ করতে হবে।

Facebook Comments Box