নুসরাত জাহান রাফি মৃত্যুর ঘটনা মামলা: হাইকোর্টের রায়ে দুইজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল
- আপডেট সময় : ০২:২৮:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ৩৭ বার পড়া হয়েছে
নুসরাত জাহান রাফি মৃত্যুর ঘটনা মামলা: হাইকোর্টের রায়ে দুইজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল
ফেনীর আলোচিত মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় হাইকোর্ট আজ সোমবার গুরুত্বপূর্ণ রায় ঘোষণা করেছেন। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন। রায়ে মামলার প্রধান দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ এসএম সিরাজ-উদ-দৌলা এবং তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী শাহাদাত হোসেন শামীম।
পড়ুন>>মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেল ইরান: চলছে পর্যালোচনা
হাইকোর্টের রায়ে আরও চার আসামির মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং বাকি ১০ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের করা আপিলের ওপর ১৭ কার্যদিবস শুনানি শেষে আদালত এই সিদ্ধান্ত জানান।
রায়ে হাইকোর্ট ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের তৎকালীন বিচারক মামুনুর রশিদের বিচারিক ক্ষমতা কমানোর জন্য আইন মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। নুসরাত হত্যা মামলায় ১৬ আসামির সবাইকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঘটনাটিকে আদালত ‘গণহারে’ মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার নজির হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ঘটনার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তোলেন ১৯ বছর বয়সী শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফি।
পড়ুন>>পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বণ্টন চূড়ান্ত
এ ঘটনায় নুসরাতের মা শিরিন আখতার সিরাজের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল সিরাজের সহযোগীরা নুসরাতকে মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে তার শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় চার দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর ১০ এপ্রিল নুসরাত মারা যান।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ রায় দিয়েছিলেন। সেই রায়ে মামলার ১৬ আসামির সবাইকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, যার মধ্যে সিরাজ-উদ-দৌলা ছাড়াও দুজন বহিষ্কৃত স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ


























