ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ম্যান সিটির শাস্তির খবরে হালান্ডকে নিয়ে বাড়ছে জল্পনা ইস্টার্ন ব্যাংকে ট্রেইনি অফিসার নিয়োগ: আবেদন করবেন যেভাবে কাতারে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ধর্মীয় বিশ্বাস পুঁজি করে ফায়দা হাসিল বন্ধের আহ্বান জহির উদ্দিন স্বপনের টিআইবি: ১০ দলের নেতৃত্বে পরিবারতন্ত্র, সিদ্ধান্ত ব্যক্তিনির্ভর তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক মঙ্গলবার শপথ নেবেন মির্জা ফয়সল ও এলিজা জামান রাজবাড়ীতে মানবপাচার মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পুরোনো বাণিজ্য মেলায় শেকৃবি শিক্ষার্থীদের ভাঙচুর, দাবি জমি ফেরত আরব আমিরাতে লরির ধাক্কায় প্রাণ হারালেন বোয়ালখালীর প্রবাসী মহসিন

ভুয়া হেবা ও জাল সই দিয়ে ফ্লাট হস্তান্তর করেন টিউলিপ

সৃষ্টি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৩৫:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ ১৩৯ বার পড়া হয়েছে

টিউলিপ সিদ্দিক। ছবি নেট

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

 

ভুয়া হেবা ও জাল সই দিয়ে ফ্লাট হস্তান্তর করেন টিউলিপ

 

 

ভুয়া হেবা ও জাল সই দিয়ে ফ্লাট আলমিনার কাছে হস্তান্তর করেন টিউলিপ সিদ্দিকী।
যুক্তরাজ্যের সাবেক নগর মন্ত্রী ও শেখ হাসিনার বোনের মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে দেশটির পার্লামেন্টের কাছে ‘মিথ্যাচার’ করার অভিযোগ উঠেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল শনিবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বাংলাদেশে নিজের নামে থাকা ফ্ল্যাট নিয়ে মূলত এমন কাজ করেছেন তিনি।

 

 

বর্তমানে দুর্নীতি বিরোধী কমিশনের (দুদক) অনুরোধে ৬ লাখ পাউন্ড সমমূল্যের ফ্ল্যাটটি বাংলাদেশ সরকার জব্দ করেছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে তদন্তও চলছে। তবে ৪২ বছর বয়সী টিউলিপ দাবি করেছেন তিনি কোনো অন্যায় করেননি।

 

 

ডেইলি মেইলকে টিউলিপ বলেছেন, ২০০২ সালে বাবা-মায়ের কাছ থেকে উপহার হিসেবে ফ্ল্যাটটি পেয়েছিলেন এবং বৈধভাবে বোন আজমিনার কাছে ২০১৫ সালে এটি হস্তান্তর করেন। ওই বছর ব্রিটিশ এমপি নির্বাচিত হওয়ার পরই ফ্ল্যাটটি বোনকে দিয়ে দেয়ার দাবি করেন তিনি।

পড়ুন>>দ্বৈত নাগরিকত্বের কৌশলে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার

 

যুক্তরাজ্যের ওয়েস্ট মিনিস্টার রেজিস্টারে এমপিদের সম্পর্কে যে তথ্য আছে সে অনুযায়ী, ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত এই সম্পদটি পরিবারের সদস্যের সঙ্গে টিউলিপের যৌথ মালিকানাধীন ছিল। পরের মাসে তিনি এটি হস্তান্তর করে দেন। তবে ডেইলি মেইল গত সপ্তাহে ঢাকা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে অনুসন্ধান করে জানতে পেরেছ, টিউলিপ সিদ্দিক এখনো ফ্ল্যাটটির মালিক। যেমনটা দুদক দাবি করছে। এখন বাংলাদেশের আদালত সিদ্ধান্ত নেবে ফ্ল্যাটটি মালিক কে।

 

 

 

গত মাসে দুর্নীতি দমন কমিশন জানায়, হেবার মাধ্যমে ২০১৫ সালে টিউলিপ ফ্ল্যাটটি আজমিনার কাছে হস্তান্তরের চেষ্টা করেন। হেবা ইসলামিক নথি, যার মাধ্যমে পরিবারের এক সদস্য অন্য সদস্যের কাছে ‘ভালোবাসার’ খাতিরে কোনো কিছু দান করতে পারেন। তবে সাব রেজিস্ট্রি অফিস ছাড়া এমন কিছু করা আইনত বৈধ নয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের কয়েকজন বিশেষজ্ঞ।

 

 

দুর্নীতি দমন কমিশন জানিয়েছে, টিউলিপের হেবা করার বিষয়টিও ‘ভুয়া’। যে ব্যারিস্টারের মাধ্যমে এটি করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে তিনি এতে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। একইসঙ্গে অভিযোগ করেছেন তার স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে।

 

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভুয়া হেবা ও জাল সই দিয়ে ফ্লাট হস্তান্তর করেন টিউলিপ

আপডেট সময় : ১০:৩৫:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫

 

 

 

ভুয়া হেবা ও জাল সই দিয়ে ফ্লাট হস্তান্তর করেন টিউলিপ

 

 

ভুয়া হেবা ও জাল সই দিয়ে ফ্লাট আলমিনার কাছে হস্তান্তর করেন টিউলিপ সিদ্দিকী।
যুক্তরাজ্যের সাবেক নগর মন্ত্রী ও শেখ হাসিনার বোনের মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে দেশটির পার্লামেন্টের কাছে ‘মিথ্যাচার’ করার অভিযোগ উঠেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল শনিবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বাংলাদেশে নিজের নামে থাকা ফ্ল্যাট নিয়ে মূলত এমন কাজ করেছেন তিনি।

 

 

বর্তমানে দুর্নীতি বিরোধী কমিশনের (দুদক) অনুরোধে ৬ লাখ পাউন্ড সমমূল্যের ফ্ল্যাটটি বাংলাদেশ সরকার জব্দ করেছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে তদন্তও চলছে। তবে ৪২ বছর বয়সী টিউলিপ দাবি করেছেন তিনি কোনো অন্যায় করেননি।

 

 

ডেইলি মেইলকে টিউলিপ বলেছেন, ২০০২ সালে বাবা-মায়ের কাছ থেকে উপহার হিসেবে ফ্ল্যাটটি পেয়েছিলেন এবং বৈধভাবে বোন আজমিনার কাছে ২০১৫ সালে এটি হস্তান্তর করেন। ওই বছর ব্রিটিশ এমপি নির্বাচিত হওয়ার পরই ফ্ল্যাটটি বোনকে দিয়ে দেয়ার দাবি করেন তিনি।

পড়ুন>>দ্বৈত নাগরিকত্বের কৌশলে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার

 

যুক্তরাজ্যের ওয়েস্ট মিনিস্টার রেজিস্টারে এমপিদের সম্পর্কে যে তথ্য আছে সে অনুযায়ী, ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত এই সম্পদটি পরিবারের সদস্যের সঙ্গে টিউলিপের যৌথ মালিকানাধীন ছিল। পরের মাসে তিনি এটি হস্তান্তর করে দেন। তবে ডেইলি মেইল গত সপ্তাহে ঢাকা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে অনুসন্ধান করে জানতে পেরেছ, টিউলিপ সিদ্দিক এখনো ফ্ল্যাটটির মালিক। যেমনটা দুদক দাবি করছে। এখন বাংলাদেশের আদালত সিদ্ধান্ত নেবে ফ্ল্যাটটি মালিক কে।

 

 

 

গত মাসে দুর্নীতি দমন কমিশন জানায়, হেবার মাধ্যমে ২০১৫ সালে টিউলিপ ফ্ল্যাটটি আজমিনার কাছে হস্তান্তরের চেষ্টা করেন। হেবা ইসলামিক নথি, যার মাধ্যমে পরিবারের এক সদস্য অন্য সদস্যের কাছে ‘ভালোবাসার’ খাতিরে কোনো কিছু দান করতে পারেন। তবে সাব রেজিস্ট্রি অফিস ছাড়া এমন কিছু করা আইনত বৈধ নয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের কয়েকজন বিশেষজ্ঞ।

 

 

দুর্নীতি দমন কমিশন জানিয়েছে, টিউলিপের হেবা করার বিষয়টিও ‘ভুয়া’। যে ব্যারিস্টারের মাধ্যমে এটি করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে তিনি এতে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। একইসঙ্গে অভিযোগ করেছেন তার স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে।

 

 

 

Facebook Comments Box