ঢাকা ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চেলসির হয়ে বাজে শুরু, সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন মার্তিনেজ ভারত-বাংলাদেশ ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা নিয়ে মুখ খুলল নয়াদিল্লি ট্রাম্পের তোপে সিএনএনসহ তিন সংবাদমাধ্যম, হোয়াইট হাউসে নিষেধাজ্ঞা রাজধানীতে সিরিজ ককটেল বিস্ফোরণ ও তিনটি বাসে অগ্নিসংযোগ রাজধানীর কাফরুল থানার সামনে বাসে আগুন ভারতে ৩৩ মাস কারাভোগের পর ভূরুঙ্গামারী সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরলেন ৩ জন নিজ নাবালিকা কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত পিতা গ্রেফতার ফুলবাড়ী সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মাদকদ্রব্য আটক তাহিরপুরে পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে অভিবাসন ইস্যুতে ডেমোক্র্যাটদের কৌশলী হওয়ার সময় কি এখনই?

ভারত-বাংলাদেশ ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা নিয়ে মুখ খুলল নয়াদিল্লি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৪:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে সই হওয়া ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক বর্তমান বাংলাদেশ সরকার পর্যালোচনা করছে বলে যে খবর ছড়িয়েছে, সে বিষয়ে এখনো ঢাকা আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতকে কিছু জানায়নি। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে আয়োজিত সাপ্তাহিক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ভারতের জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে নয়াদিল্লি বদ্ধপরিকর।

এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি জানিয়েছিলেন, বিগত সরকারের করা চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকগুলোর কোনোটি বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী কি না, তা যাচাই করতেই সরকার পর্যালোচনার উদ্যোগ নিয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে এএনআইয়ের এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সওয়াল জানান, গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের মাধ্যমে তারা বিষয়টি জেনেছেন, কিন্তু কূটনৈতিক চ্যানেলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কোনো বার্তা আসেনি।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারগুলোর ওপর হামলার সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ভারতের মুখপাত্র জানান, আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দেশের ভেতরে থাকা সংখ্যালঘু নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব দায়িত্ব। পাশাপাশি ভারত তার নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব সময় সজাগ রয়েছে এবং এ ধরনের যে কোনো প্রভাবের ওপর তারা নিয়মিত নজর রাখছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহযোগিতার প্রশ্নেও এদিন আলোচনা হয়। মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা ও পাকিস্তান-কুয়েতের সামরিক সহযোগিতার বিষয়টি ভারত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জয়সওয়াল জানান। এছাড়া বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হতে চলেছে। এই চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মুখপাত্র জানান, পানি সংক্রান্ত যে কোনো জটিলতা বা আলোচনার জন্য দুই দেশের যৌথ নদী কমিশন (জেআরসি) রয়েছে এবং কারিগরি পর্যায়ে নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জবাবে তিনি জানান, ভারতের নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে—এমন বিষয়গুলো তারা নজরে রাখছে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভারত-বাংলাদেশ ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা নিয়ে মুখ খুলল নয়াদিল্লি

আপডেট সময় : ০৮:৩৪:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে সই হওয়া ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক বর্তমান বাংলাদেশ সরকার পর্যালোচনা করছে বলে যে খবর ছড়িয়েছে, সে বিষয়ে এখনো ঢাকা আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতকে কিছু জানায়নি। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে আয়োজিত সাপ্তাহিক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ভারতের জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে নয়াদিল্লি বদ্ধপরিকর।

এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি জানিয়েছিলেন, বিগত সরকারের করা চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকগুলোর কোনোটি বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী কি না, তা যাচাই করতেই সরকার পর্যালোচনার উদ্যোগ নিয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে এএনআইয়ের এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সওয়াল জানান, গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের মাধ্যমে তারা বিষয়টি জেনেছেন, কিন্তু কূটনৈতিক চ্যানেলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কোনো বার্তা আসেনি।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারগুলোর ওপর হামলার সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ভারতের মুখপাত্র জানান, আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দেশের ভেতরে থাকা সংখ্যালঘু নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব দায়িত্ব। পাশাপাশি ভারত তার নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব সময় সজাগ রয়েছে এবং এ ধরনের যে কোনো প্রভাবের ওপর তারা নিয়মিত নজর রাখছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহযোগিতার প্রশ্নেও এদিন আলোচনা হয়। মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা ও পাকিস্তান-কুয়েতের সামরিক সহযোগিতার বিষয়টি ভারত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জয়সওয়াল জানান। এছাড়া বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হতে চলেছে। এই চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মুখপাত্র জানান, পানি সংক্রান্ত যে কোনো জটিলতা বা আলোচনার জন্য দুই দেশের যৌথ নদী কমিশন (জেআরসি) রয়েছে এবং কারিগরি পর্যায়ে নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জবাবে তিনি জানান, ভারতের নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে—এমন বিষয়গুলো তারা নজরে রাখছে।

Facebook Comments Box