ব্ল্যাক সোয়ালোয়ার: গভীর সমুদ্রের এক রহস্যময় শিকারি : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
ব্ল্যাক সোয়ালোয়ার: গভীর সমুদ্রের এক রহস্যময় শিকারি : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাউনিয়ায় ১৫০ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফতার ভূরুঙ্গামারীতে দক্ষতা উন্নয়ন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবিতে ভূরুঙ্গামারীতে মানববন্ধন ৩১ জুলাই ২০২৬; আজকের রাশিফল:কেমন কাটবে আপনার আজকের দিনটি সক্রিয় মৌসুমি বায়ু, আজও দেশজুড়ে বৃষ্টি-বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা আজ শুক্রবার ৩১ জুলাই ২০২৬: আজকের নামাজের সময়সুচী শুভ সকাল; আজ শুক্রবার ৩১ জুলাই ২০২৬: আজকের পূর্ণাঙ্গ পঞ্জিকা ভূরুঙ্গামারীতে ভ্রাম‍্যমান আদালতে মাদকসেবী যুবককে ১মাসের কারাদন্ড দৌলতপুরে ভিক্ষুকদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ছাগল বিতরণ সুন্দরগঞ্জে এসকেএস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ডিআরআর চ্যাম্পিয়নদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ 

ব্ল্যাক সোয়ালোয়ার: গভীর সমুদ্রের এক রহস্যময় শিকারি

স‍ৃষ্টি জানা অজানা ডেস্ক
  • প্রকাশিত : বুধবার, ৪ জুন, ২০২৫
ব্ল্যাক সোয়ালোয়ার

 

 

ব্ল্যাক সোয়ালোয়ার: গভীর সমুদ্রের এক রহস্যময় শিকারি

ব্ল্যাক সোয়ালোয়ার এক ধরনের গভীর সমুদ্রের মাছ যা এক অদ্ভুত শিকারি। যদিও এটি সাধারণত ২৫ সেন্টিমিটার লম্বা, তবে এই মাছটি তার শরীরের দ্বিগুণ লম্বা এবং দশগুণ ভারী শিকার গিলে ফেলতে পারে। এর বিস্ময়কর শিকার ধরার ক্ষমতার পেছনে রয়েছে কিছু অসাধারণ শারীরিক বৈশিষ্ট্য।

 

অবিশ্বাস্য শিকার ধরার ক্ষমতা:

 

নমনীয় পেট:

চিয়াসমোডনের পেট খুবই প্রসারিত এবং নমনীয়, যা শিকার গিলতে সাহায্য করে। এটি শিকারকে গিলতে বেলুনের মতো ফুলে যেতে সক্ষম।

ধারালো দাঁত ও শক্ত চোয়াল:

এর দাঁতগুলো পেছনের দিকে বাঁকানো থাকে, যা শিকারকে একবার ঢুকে গেলে আর বের হতে দেয় না। এছাড়া, এর শক্তিশালী চোয়াল শিকার ধরতে এবং খেতে সক্ষম।

বাসস্থান:

চিয়াসমোডন গভীর সমুদ্রে, ৭০০ থেকে ৩০০০ মিটার গভীরে বাস করে, যেখানে সূর্যের আলো পৌঁছায় না। এটি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এবং উপক্রান্তীয় সমুদ্র, যেমন ক্যারিবিয়ান সাগর, ভারত মহাসাগর, এবং প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে পাওয়া যায়।

একটি চমকপ্রদ ঘটনা:

২০০৭ সালে, ক্যারিবিয়ান সাগরের গভীরে একটি ১৯ সেন্টিমিটার লম্বা ব্ল্যাক সোয়ালোয়ার ধরা পড়ে, যার পেটে ছিল একটি ৮৬ সেন্টিমিটার লম্বা স্নেক ম্যাকেরেল মাছ। এটি মাছটির নিজের দৈর্ঘ্যের প্রায় ৪ গুণ লম্বা, এবং এ থেকে বোঝা যায় এর বিশাল শিকার ধরার ক্ষমতা।

বেশী বড় ও শক্তিশালী শিকার গিলে ফেলাায় অনেক সময় বিপত্তিতে পড়তে হয়।

এতো বড় শিকার গিলে ফেলা কখনো কখনো পচন সৃষ্টি করে, কারণ এর পেট শিকার হজম করার জন্য প্রস্তুত থাকে না। গ্যাস জমে গিয়ে মাছটি ভেসে ওঠে এবং মারাও যায়, যা “overambitious predation” নামে পরিচিত। এটি গভীর সমুদ্রের একটি বিপজ্জনক অভিযোজনের উদাহরণ।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!