ঢাকা ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতে ৩৩ মাস কারাভোগের পর ভূরুঙ্গামারী সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরলেন ৩ জন নিজ নাবালিকা কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত পিতা গ্রেফতার ফুলবাড়ী সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মাদকদ্রব্য আটক তাহিরপুরে পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে অভিবাসন ইস্যুতে ডেমোক্র্যাটদের কৌশলী হওয়ার সময় কি এখনই? দুদক পুনর্গঠনে এনসিপিকে টার্গেট করছে সরকার: নাহিদ ইসলাম বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রধান অর্থনীতিবিদ পদে নিয়োগ পাওনা পরিশোধে বিলম্ব: আশুলিয়ায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ পাকিস্তানের কোহাটে মসজিদে শক্তিশালী আত্মঘাতী হামলা, নিহত ১৬ এআইয়ের অপব্যবহার রোধে কঠোর আইন ও ব্যবস্থার পথে সরকার

ব্ল্যাক সোয়ালোয়ার: গভীর সমুদ্রের এক রহস্যময় শিকারি

স‍ৃষ্টি জানা অজানা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৩০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫ ৩১৪৬ বার পড়া হয়েছে

ব্ল্যাক সোয়ালোয়ার

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

ব্ল্যাক সোয়ালোয়ার: গভীর সমুদ্রের এক রহস্যময় শিকারি

ব্ল্যাক সোয়ালোয়ার এক ধরনের গভীর সমুদ্রের মাছ যা এক অদ্ভুত শিকারি। যদিও এটি সাধারণত ২৫ সেন্টিমিটার লম্বা, তবে এই মাছটি তার শরীরের দ্বিগুণ লম্বা এবং দশগুণ ভারী শিকার গিলে ফেলতে পারে। এর বিস্ময়কর শিকার ধরার ক্ষমতার পেছনে রয়েছে কিছু অসাধারণ শারীরিক বৈশিষ্ট্য।

 

অবিশ্বাস্য শিকার ধরার ক্ষমতা:

 

নমনীয় পেট:

চিয়াসমোডনের পেট খুবই প্রসারিত এবং নমনীয়, যা শিকার গিলতে সাহায্য করে। এটি শিকারকে গিলতে বেলুনের মতো ফুলে যেতে সক্ষম।

ধারালো দাঁত ও শক্ত চোয়াল:

এর দাঁতগুলো পেছনের দিকে বাঁকানো থাকে, যা শিকারকে একবার ঢুকে গেলে আর বের হতে দেয় না। এছাড়া, এর শক্তিশালী চোয়াল শিকার ধরতে এবং খেতে সক্ষম।

বাসস্থান:

চিয়াসমোডন গভীর সমুদ্রে, ৭০০ থেকে ৩০০০ মিটার গভীরে বাস করে, যেখানে সূর্যের আলো পৌঁছায় না। এটি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এবং উপক্রান্তীয় সমুদ্র, যেমন ক্যারিবিয়ান সাগর, ভারত মহাসাগর, এবং প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে পাওয়া যায়।

একটি চমকপ্রদ ঘটনা:

২০০৭ সালে, ক্যারিবিয়ান সাগরের গভীরে একটি ১৯ সেন্টিমিটার লম্বা ব্ল্যাক সোয়ালোয়ার ধরা পড়ে, যার পেটে ছিল একটি ৮৬ সেন্টিমিটার লম্বা স্নেক ম্যাকেরেল মাছ। এটি মাছটির নিজের দৈর্ঘ্যের প্রায় ৪ গুণ লম্বা, এবং এ থেকে বোঝা যায় এর বিশাল শিকার ধরার ক্ষমতা।

বেশী বড় ও শক্তিশালী শিকার গিলে ফেলাায় অনেক সময় বিপত্তিতে পড়তে হয়।

এতো বড় শিকার গিলে ফেলা কখনো কখনো পচন সৃষ্টি করে, কারণ এর পেট শিকার হজম করার জন্য প্রস্তুত থাকে না। গ্যাস জমে গিয়ে মাছটি ভেসে ওঠে এবং মারাও যায়, যা “overambitious predation” নামে পরিচিত। এটি গভীর সমুদ্রের একটি বিপজ্জনক অভিযোজনের উদাহরণ।

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ব্ল্যাক সোয়ালোয়ার: গভীর সমুদ্রের এক রহস্যময় শিকারি

আপডেট সময় : ১০:৩০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

 

 

ব্ল্যাক সোয়ালোয়ার: গভীর সমুদ্রের এক রহস্যময় শিকারি

ব্ল্যাক সোয়ালোয়ার এক ধরনের গভীর সমুদ্রের মাছ যা এক অদ্ভুত শিকারি। যদিও এটি সাধারণত ২৫ সেন্টিমিটার লম্বা, তবে এই মাছটি তার শরীরের দ্বিগুণ লম্বা এবং দশগুণ ভারী শিকার গিলে ফেলতে পারে। এর বিস্ময়কর শিকার ধরার ক্ষমতার পেছনে রয়েছে কিছু অসাধারণ শারীরিক বৈশিষ্ট্য।

 

অবিশ্বাস্য শিকার ধরার ক্ষমতা:

 

নমনীয় পেট:

চিয়াসমোডনের পেট খুবই প্রসারিত এবং নমনীয়, যা শিকার গিলতে সাহায্য করে। এটি শিকারকে গিলতে বেলুনের মতো ফুলে যেতে সক্ষম।

ধারালো দাঁত ও শক্ত চোয়াল:

এর দাঁতগুলো পেছনের দিকে বাঁকানো থাকে, যা শিকারকে একবার ঢুকে গেলে আর বের হতে দেয় না। এছাড়া, এর শক্তিশালী চোয়াল শিকার ধরতে এবং খেতে সক্ষম।

বাসস্থান:

চিয়াসমোডন গভীর সমুদ্রে, ৭০০ থেকে ৩০০০ মিটার গভীরে বাস করে, যেখানে সূর্যের আলো পৌঁছায় না। এটি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এবং উপক্রান্তীয় সমুদ্র, যেমন ক্যারিবিয়ান সাগর, ভারত মহাসাগর, এবং প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে পাওয়া যায়।

একটি চমকপ্রদ ঘটনা:

২০০৭ সালে, ক্যারিবিয়ান সাগরের গভীরে একটি ১৯ সেন্টিমিটার লম্বা ব্ল্যাক সোয়ালোয়ার ধরা পড়ে, যার পেটে ছিল একটি ৮৬ সেন্টিমিটার লম্বা স্নেক ম্যাকেরেল মাছ। এটি মাছটির নিজের দৈর্ঘ্যের প্রায় ৪ গুণ লম্বা, এবং এ থেকে বোঝা যায় এর বিশাল শিকার ধরার ক্ষমতা।

বেশী বড় ও শক্তিশালী শিকার গিলে ফেলাায় অনেক সময় বিপত্তিতে পড়তে হয়।

এতো বড় শিকার গিলে ফেলা কখনো কখনো পচন সৃষ্টি করে, কারণ এর পেট শিকার হজম করার জন্য প্রস্তুত থাকে না। গ্যাস জমে গিয়ে মাছটি ভেসে ওঠে এবং মারাও যায়, যা “overambitious predation” নামে পরিচিত। এটি গভীর সমুদ্রের একটি বিপজ্জনক অভিযোজনের উদাহরণ।

 

Facebook Comments Box