দুদক পুনর্গঠনে এনসিপিকে টার্গেট করছে সরকার: নাহিদ ইসলাম
- আপডেট সময় : ০৮:২৪:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
সাত মাস বিরতির পর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পুনর্গঠনের মাধ্যমে এনসিপিকে টার্গেট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম। শুক্রবার জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এ অভিযোগ করেন। মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুম প্রতিরোধ, এসআরবি ও সাইবার আইনের বিতর্কিত সংশোধনীর প্রতিবাদে এনসিপি এই কর্মসূচির আয়োজন করে। নাহিদ ইসলাম বলেন, দুদককে নিয়ে নতুন নাটক শুরু হয়েছে এবং এর মাধ্যমে সরাসরি বিরোধী দলকে কোণঠাসা করার চেষ্টা চলছে। তার দাবি, যদি সরকারের সাহস থাকে তবে ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের দুর্নীতির অভিযোগগুলো তদন্ত করুক। সে সময়ের দুর্নীতিবাজদের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, রাস্তার ইট-পাথর থেকে শুরু করে মহিষের ঘাস খাওয়ার মতো ছোটখাটো বিষয়েও তারা দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি করেছে।
তারেক রহমানের কড়া সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম তাকে নতুন স্বৈরাচার হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, তারেক রহমানের হাতে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার কখনোই সুরক্ষিত নয়। তবে জনগণ রাজপথে নেমে তার স্বৈরাচারী প্রবণতা রুখে দেবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ভিন্নমতের নাগরিকদের ওপর দমন-পীড়নের তীব্র নিন্দা জানান। তিনি বিশেষ করে মিরাজ শেখের অন্তর্ধানের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, পাঁচ মাস ধরে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এছাড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গাজী সালাউদ্দিন তানভীর, গাজীপুরের সিফাতসহ অনেকের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা দায়েরের ঘটনাকে তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি প্রশ্ন রাখেন, মিম বানানো বা কটূক্তি করা কি সন্ত্রাস?
গুম প্রতিরোধে প্রণীত নতুন আইনের কঠোর সমালোচনা করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, এই আইনে এমন অদ্ভুত বিধান রাখা হয়েছে যে, অভিযোগকারী যদি কোনো কারণে তার অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হন, তবে তাকেই কয়েক বছরের সাজা দেওয়া হবে। এই ভীতি সৃষ্টির ফলে কেউ আর গুমের অভিযোগ করার সাহস পাবে না। বিএনপি গুমের আন্তর্জাতিক তদন্ত চাইলেও এখন তা করছে না অভিযোগ করে তিনি বলেন, এক বাহিনীর গুমের তদন্ত অন্য বাহিনী দিয়ে করানোর অর্থই হলো বিচারের পথ রুদ্ধ করা। নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে অবিলম্বে এই আইন সংশোধনের দাবি জানান তিনি।
বর্তমান সরকারকে জাতীয় সংসদকে কলুষিত করার দায়ে অভিযুক্ত করে নাহিদ ইসলাম বলেন, মানবাধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে সরকার উল্টো মানবাধিকার হরণের পথ তৈরি করছে। তিনি বলেন, জনগণের মৌলিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে যে গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল, তা এখনো অধরা রয়ে গেছে। এই মেসেজটি জনগণের কাছে পৌঁছে দিতেই আমরা সংসদের সামনে দাঁড়িয়েছি। মানববন্ধনে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। চাকরির আরও তথ্য: এদেশের রাস্তায় ইট পাথর থেকে আপনারা দুর্নীতি করেছেন এবং এখন মহিষ ঘাস খাবে সেখান থেকেও চাঁদাবাজি করছেন। চাকরির আরও তথ্য: তবে, আমরা এটা বিশ্বাস করি তারেক রহমান শেখ হাসিনার মত স্বৈরাচার হতে পারবে না। চাকরির আরও তথ্য: ফলে এমন একটা বন্দোবস্ত করা হয়েছে যেখানে আর কেউই কোন আসলে অভিযোগ দিতে যাবে না। চাকরির আরও তথ্য: সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনের নামে যাতে কোনভাবেই মতপ্রকাশের অধিকারকে হরণ না করা হয় এটি নিশ্চিত করতে হবে।’।
সূত্র: মানবজমিন
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























