প্রাকৃতিক মাছ রক্ষায় কঠোর অবস্থানে ঝিনাইগাতী প্রশাসন: অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
প্রাকৃতিক মাছ রক্ষায় কঠোর অবস্থানে ঝিনাইগাতী প্রশাসন: অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাউনিয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এমপি আয়নুল হকের ওপর হামলা ও গাড়ী ভাঙ্গচূর অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের নিয়মিত খেলা উচিত: জেসন গিলেস্পি চা শ্রমিকদের ৮ দফা দাবি: বিশেষ তদন্ত টিম গঠনের আশ্বাস শ্রমমন্ত্রীর নাগেশ্বরীতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ‎​ দুই সপ্তাহ মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে না-ফেরার দেশে প্রভাষক লিটন ডোমারে দুই প্রতিবন্ধী সন্তান‌ নিয়ে হাসিনার মানবেতর জীবন যাপন গ্রীষ্মের দাবদাহে কাতারে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সামুদ্রিক ভ্রমণ ও ওয়াটার স্পোর্টস শাহজালাল মাজারে দানবাক্স ও ডেগের টাকা গণনার সময় শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনায় চিঠি বর্ষার রূপের ছটায় সেজেছে রাঙ্গামাটির সুবলং ঝরনা, পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়

প্রাকৃতিক মাছ রক্ষায় কঠোর অবস্থানে ঝিনাইগাতী প্রশাসন: অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস

শেরপুর থেকে মিজানুর রহমান
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫
প্রাকৃতিক মাছ রক্ষায় কঠোর অবস্থানে ঝিনাইগাতী প্রশাসন: অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস

 

 

প্রাকৃতিক মাছ রক্ষায় কঠোর অবস্থানে ঝিনাইগাতী প্রশাসন: অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস

 

 

প্রাকৃতিক মাছ রক্ষায় কঠোর অবস্থানে ঝিনাইগাতী
প্রশাসন: অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস।
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ধলীবিলে প্রাকৃতিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

 

বুধবার (১৮ জুন) উপজেলার সদর ইউনিয়নের সারিকালীনগর ও দড়িকালীনগর গ্রামের মধ্যবর্তী ধলীবিলে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল আলম রাসেল।

 

 

অভিযানে ৩৫টি অবৈধ ‘চায়না দুয়ারী’ জাল জব্দ করা হয়। পরে দিনের ঘাট ব্রিজসংলগ্ন ফাঁকা স্থানে জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। অভিযান পরিচালনায় ইউএনওকে সহায়তা করেন স্থানীয় মৎস্য অফিসের কর্মকর্তারা।

 

 

ইউএনও মো. আশরাফুল আলম রাসেল বলেন, “চায়না দুয়ারী জাল মাছ ধরার একটি অত্যন্ত ক্ষতিকর অবৈধ ফাঁদ। এটি মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ধ্বংস করে দেয়, যা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। শুধু ব্যবহারকারীরাই নয়, যারা এই জাল সরবরাহ ও বিক্রি করেন, তারাও আইনের আওতায় আসবেন। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।”

 

 

স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, “একসময় এই বিলে প্রচুর প্রাকৃতিক মাছ পাওয়া যেত। কিন্তু চায়না দুয়ারী জালের কারণে মাছের বংশবৃদ্ধি ব্যাহত হয়েছে, যার ফলে বিল এখন প্রায় মাছশূন্য হয়ে পড়েছে। ইউএনও স্যারের এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে হয়তো আমরা আবার প্রাকৃতিক মাছ খেতে পারব।”

পড়ুন>>রানীশংকৈলে ইসলামী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইমামদের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা

 

তবে এলাকাবাসীর মধ্যে কেউ কেউ অভিযানের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, “এই অবৈধ জালের অনেক মালিকই আমাদের গ্রামেরই। তারা অভয়াশ্রমে সেচ দিয়ে মাছ ধরে, আবার স্থানীয় মৎস্য কর্মকর্তার সঙ্গে ঘোরাফেরা করে। তারা আগেভাগেই অভিযানের খবর পেয়ে যায়—এমনটাই সন্দেহ।”

 

 

তিনি আরও বলেন, “অভিযানে সাধারণ মানুষের জালই ধরা পড়ে, প্রকৃত অপরাধীরা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে। তাই অভিযান পরিচালনার তথ্য যেন আগে ফাঁস না হয়, সেদিকে কর্তৃপক্ষের বিশেষ নজর প্রয়োজন।”

 

অভিজ্ঞ মহলের মতে, অবৈধভাবে মৎস্য আহরণে যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত, তাদের কঠোরভাবে আইনের আওতায় না আনলে প্রকৃত অপরাধীরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়ে যাবে।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!