ঢাকা ০৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পটিয়ায় অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মৃত্যু: জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী পুলিশ হেফাজতে ঘরোয়া ক্রিকেটে ‘ডি-থ্রি’ ট্রফি চালু করছে বিসিবি কুরিয়ার ও পার্সেল ডেলিভারিতে ডিজিটাল পেমেন্ট আনল পাঠাও পপি সংস্থায় সহকারী পরিচালক পদে নিয়োগ, বেতন ৯৮ হাজার টাকা প্রশ্নপত্র ফাঁসে অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি সিরাজগঞ্জের খাদ্য নিয়ন্ত্রক বদলি সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারেও পিছপা হবে না পুলিশ: আইজিপি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে এনসিপির গণবিক্ষোভ এআই ও রোবট প্রযুক্তিতে ব্যাপক চাকরির ঝুঁকি দেখছেন বিল গেটস ইরানে বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের, নির্দেশ পেলেই ৯৬ ঘণ্টায় অভিযান ত্রুটিপূর্ণ ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বই ফেরতের নির্দেশ মাউশির

নীলফামারীতে স্বর্ণের চালান আটকে আতঙ্কে মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর

নীলফামারী থেকে তপন দাস
  • আপডেট সময় : ০৮:৫০:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ১৮৭ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারীতে স্বর্ণের চালান আটকে আতঙ্কে মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নীলফামারীতে স্বর্ণের চালান আটক করে গলারকাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আধিদপ্তরের।নীলফামারীতে স্বর্ণের চালান আটকের ঘটনায়  আতঙ্কে মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের স্বর্ণ চালান আটককারী অভিযানিক দলের একজন সদস্য সিপাই মেহেদী হাসানকে গ্রেফতার করেছে সৈয়দপুর থানা পুলিশ।

এরপর থেকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আধিদপ্তরে গ্রেফতার আতঙ্কে ভুগছে মাদক বিরোধী অভিযানিক দলটি। এর-ফলে ঘটনাটি ধ্রমজালের সৃষ্টি হয়েছে।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, নীলফামারী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর গোপন সংবাদ পেয়ে অভিযানিক দলটি রংপুর-সৈয়দপুর মহাসড়কের সৈয়দপুর উপজেলার কামার পুকুর নামক স্থানে ইনতেফা বালাইনাশক প্রতিষ্ঠানটির সামনে ১১ ফেব্রুয়ারী সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পঞ্চগড়গামী (ঢাকা-মেট্রো-ব-১৪-৪১৯১) নাবিল পরিবহনে  তল্লাশী চালিয়ে ২০টি স্বর্ণের বারসহ দু’জনকে আটক করে।

২৩ দশমিক ৯৬ ক্যারেটের স্বর্ণের বারের প্রতিটির ওজন ১১৬ দশমিক ৬৬ গ্রাম।এই ২০টি স্বর্ণের ওজন ২ হাজার ৩ শত ৩৩ দশমিক ২০ গ্রাম।

যার বাজার মুল্য ২ কোটি টাকা।আটককৃত স্বর্ণ চোরাচালানের সদস্য ঢাকা মানিকগঞ্জ জেলার সিঈাইর উপজেলার গোবিন্দল ইউনিয়নের মোঃ সমন আলীর ছেলে আব্দুর রহিম (২৫) ও নুরু উল্লাহ’র ছেলে মোহাম্মদ উর্লাহ (২৬)।

নীলফামারী মাদকদব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদক বিরোধী অভিযানে পরিদর্শক শফিকুল ইসলামের নের্তত্বে সৈয়দপুর উপজেলার সহকারি কমিশনার ভুমি মোঃ আমিনুল ইসলাম।

নীলফামারী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শরিফ উদ্দিন, উপ-পরিদর্শক মোঃ এনামুল হক ,সহকারী উপ-পরিদর্শক আব্দুল মোতালেব মৃধা ,সিপাই মেহিদী হাসান ,শামিম, শাওন,নুর ইয়াছিন মুজাহিদ,জিয়াউর রহমান ,রবিন্দ্র নাগ, গাড়ী চালক আবুল কালাম আজাদ অংশ নেয়।

অভিযান শেষে নীলফামারী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানিক দলের পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে সৈয়দপুর থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনেএকটি মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনার মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম সৈয়দপুর থানায় দায়ের কৃত মামলার এজাহারে উল্লেখ  করেছেন।

এ অভিযান পরিচালনাকালে সৈয়দপুর উপজেলার সহকারি কমিশনার ভুমি মোঃ আমিনুল ইসলাম,নীলফামারী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শরিফ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

এই দুই কর্মকতার ঘটনাস্থলের উপস্থিতি এজাহার নজরে পড়লে। ভুল সংশোধনে মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম ৯ দিনের মাথায় সৈয়দপুর থানায় এজাহার ভুল বর্ণনা শুদ্ধকরণে সাধারণ ডায়েরী করেন।

ডায়রীর জিডি ট্রাকিং নং ৪২১১ এফ ইউ,জিডি নং ১২৩৬,তারিখ-১৯-০২-২০২৩। এ ঘটনায় বিষয়টি নিয়ে ধুম্রজালে সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় নীলফামারী মাদকদব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সিপাই মেহেদী হাসানকে সৈয়দপুর থানা পুলিশ গ্রেফতার করলে। অভিযানিক দলের সদস্যদের মাঝে গ্রেফতার আতঙ্কে দিনাতি পাত করছেন বলে জানা গেছে।

এ সংক্রান্ত বিষয়ে নীলফামারী মাদকদব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিনের বলেন, ঘটনাটি ঘটে সকাল ৭ টা ৩০ মিনিটে আমি খবর পাই সকাল ১০টায়।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে। এরপর ১২ টা ৪০মিনিটে সৈয়দপুর থানায় আমি ও সৈয়দপুর উপজেলা কমিশনার ভুমি মোঃ আমিনুল ইসলাম উপস্থিত হয়ে ।

মামলা সংক্রান্ত কার্য্য সম্পাদন করে উদ্ধারকৃত ২০টি স্বর্ণের বার সহ আসামীদ্বয়কে সৈয়দপুর থানায় সোপর্দ্দ করা হয়।মামলার তদন্ত কর্মকতা সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম।

এ প্রতিবেদককে বলেন, আটক স্বর্ণের চোরাচালন সদস্য আব্দুর রহিম, মোহাম্মদ উল্লাহ  ও রেয়াজুল ইসলাম আদালতে জবানবন্দি কালে তারা স্বীকার করেন।

ঢাকা থেকে ৩০টি স্বর্ণের বার নিয়ে নাবিল পরিবহনে পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। সৈয়দপুর কামার পুকুরে নীলফামারী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদক বিরোধী অভিযানে স্বর্ণের চালনসহ দু’জনকে আটক করে।

তাদের কাছে তল্লাশী চালিয়ে ২০ টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করে।এসময় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সিপাই মেহেদী হাসান তাদের কাছে থাকা ১০ স্বর্ণের বার কেড়ে নিয়ে আত্বসাৎ করেন।

এ তথ্যের ভিত্তিতে সিপাই মেহেদী হাসানকে সৈয়দপুর থানা পুলিশ গ্রেফতার করে। মামলার গতি’র প্রশ্নের জবাবে তদন্তকারী কর্মকতা বলেন, তদন্তে র স্বর্থে আরো কেউ জড়িত হবে কি-না তা এই মহুর্তে বলা যাচ্ছে না।

জানতে চাইলে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম বলেন,স্বর্ণ চোরাচালানের সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নীলফামারীতে স্বর্ণের চালান আটকে আতঙ্কে মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর

আপডেট সময় : ০৮:৫০:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

নীলফামারীতে স্বর্ণের চালান আটক করে গলারকাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আধিদপ্তরের।নীলফামারীতে স্বর্ণের চালান আটকের ঘটনায়  আতঙ্কে মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের স্বর্ণ চালান আটককারী অভিযানিক দলের একজন সদস্য সিপাই মেহেদী হাসানকে গ্রেফতার করেছে সৈয়দপুর থানা পুলিশ।

এরপর থেকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আধিদপ্তরে গ্রেফতার আতঙ্কে ভুগছে মাদক বিরোধী অভিযানিক দলটি। এর-ফলে ঘটনাটি ধ্রমজালের সৃষ্টি হয়েছে।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, নীলফামারী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর গোপন সংবাদ পেয়ে অভিযানিক দলটি রংপুর-সৈয়দপুর মহাসড়কের সৈয়দপুর উপজেলার কামার পুকুর নামক স্থানে ইনতেফা বালাইনাশক প্রতিষ্ঠানটির সামনে ১১ ফেব্রুয়ারী সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পঞ্চগড়গামী (ঢাকা-মেট্রো-ব-১৪-৪১৯১) নাবিল পরিবহনে  তল্লাশী চালিয়ে ২০টি স্বর্ণের বারসহ দু’জনকে আটক করে।

২৩ দশমিক ৯৬ ক্যারেটের স্বর্ণের বারের প্রতিটির ওজন ১১৬ দশমিক ৬৬ গ্রাম।এই ২০টি স্বর্ণের ওজন ২ হাজার ৩ শত ৩৩ দশমিক ২০ গ্রাম।

যার বাজার মুল্য ২ কোটি টাকা।আটককৃত স্বর্ণ চোরাচালানের সদস্য ঢাকা মানিকগঞ্জ জেলার সিঈাইর উপজেলার গোবিন্দল ইউনিয়নের মোঃ সমন আলীর ছেলে আব্দুর রহিম (২৫) ও নুরু উল্লাহ’র ছেলে মোহাম্মদ উর্লাহ (২৬)।

নীলফামারী মাদকদব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদক বিরোধী অভিযানে পরিদর্শক শফিকুল ইসলামের নের্তত্বে সৈয়দপুর উপজেলার সহকারি কমিশনার ভুমি মোঃ আমিনুল ইসলাম।

নীলফামারী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শরিফ উদ্দিন, উপ-পরিদর্শক মোঃ এনামুল হক ,সহকারী উপ-পরিদর্শক আব্দুল মোতালেব মৃধা ,সিপাই মেহিদী হাসান ,শামিম, শাওন,নুর ইয়াছিন মুজাহিদ,জিয়াউর রহমান ,রবিন্দ্র নাগ, গাড়ী চালক আবুল কালাম আজাদ অংশ নেয়।

অভিযান শেষে নীলফামারী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানিক দলের পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে সৈয়দপুর থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনেএকটি মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনার মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম সৈয়দপুর থানায় দায়ের কৃত মামলার এজাহারে উল্লেখ  করেছেন।

এ অভিযান পরিচালনাকালে সৈয়দপুর উপজেলার সহকারি কমিশনার ভুমি মোঃ আমিনুল ইসলাম,নীলফামারী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শরিফ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

এই দুই কর্মকতার ঘটনাস্থলের উপস্থিতি এজাহার নজরে পড়লে। ভুল সংশোধনে মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম ৯ দিনের মাথায় সৈয়দপুর থানায় এজাহার ভুল বর্ণনা শুদ্ধকরণে সাধারণ ডায়েরী করেন।

ডায়রীর জিডি ট্রাকিং নং ৪২১১ এফ ইউ,জিডি নং ১২৩৬,তারিখ-১৯-০২-২০২৩। এ ঘটনায় বিষয়টি নিয়ে ধুম্রজালে সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় নীলফামারী মাদকদব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সিপাই মেহেদী হাসানকে সৈয়দপুর থানা পুলিশ গ্রেফতার করলে। অভিযানিক দলের সদস্যদের মাঝে গ্রেফতার আতঙ্কে দিনাতি পাত করছেন বলে জানা গেছে।

এ সংক্রান্ত বিষয়ে নীলফামারী মাদকদব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিনের বলেন, ঘটনাটি ঘটে সকাল ৭ টা ৩০ মিনিটে আমি খবর পাই সকাল ১০টায়।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে। এরপর ১২ টা ৪০মিনিটে সৈয়দপুর থানায় আমি ও সৈয়দপুর উপজেলা কমিশনার ভুমি মোঃ আমিনুল ইসলাম উপস্থিত হয়ে ।

মামলা সংক্রান্ত কার্য্য সম্পাদন করে উদ্ধারকৃত ২০টি স্বর্ণের বার সহ আসামীদ্বয়কে সৈয়দপুর থানায় সোপর্দ্দ করা হয়।মামলার তদন্ত কর্মকতা সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম।

এ প্রতিবেদককে বলেন, আটক স্বর্ণের চোরাচালন সদস্য আব্দুর রহিম, মোহাম্মদ উল্লাহ  ও রেয়াজুল ইসলাম আদালতে জবানবন্দি কালে তারা স্বীকার করেন।

ঢাকা থেকে ৩০টি স্বর্ণের বার নিয়ে নাবিল পরিবহনে পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। সৈয়দপুর কামার পুকুরে নীলফামারী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদক বিরোধী অভিযানে স্বর্ণের চালনসহ দু’জনকে আটক করে।

তাদের কাছে তল্লাশী চালিয়ে ২০ টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করে।এসময় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সিপাই মেহেদী হাসান তাদের কাছে থাকা ১০ স্বর্ণের বার কেড়ে নিয়ে আত্বসাৎ করেন।

এ তথ্যের ভিত্তিতে সিপাই মেহেদী হাসানকে সৈয়দপুর থানা পুলিশ গ্রেফতার করে। মামলার গতি’র প্রশ্নের জবাবে তদন্তকারী কর্মকতা বলেন, তদন্তে র স্বর্থে আরো কেউ জড়িত হবে কি-না তা এই মহুর্তে বলা যাচ্ছে না।

জানতে চাইলে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম বলেন,স্বর্ণ চোরাচালানের সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।

Facebook Comments Box