ঢাকা ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

দাম্পত্য কলহে সাতদিনের নবজাতককে মায়ের কোল থেকে ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৫:৪০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫ ১০৫ বার পড়া হয়েছে

দাম্পত্য কলহে সাতদিনের নবজাতককে মায়ের কোল থেকে ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

দাম্পত্য কলহে সাতদিনের নবজাতককে মায়ের কোল থেকে ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ

 

দাম্পত্য কলহে সাতদিনের নবজাতককে মায়ের কোল থেকে ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ।
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার চরুয়াটারি এলাকায় দাম্পত্য কলহের জেরে সাত দিন বয়সী নবজাতক মায়ের কোল থেকে ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

 

 

 

শিশুটির মা জাহানারা বেগম জানান, ২৩ মে শুক্রবার ভোরে বাথরুমে যাওয়ার সময় তিনি তার সন্তানকে স্বামীর কাছে রেখে যান। ফিরে এসে দেখেন স্বামী নূর মোহাম্মদ নবজাতক সন্তানকে নিয়ে বাড়ি থেকে চলে গেছেন। আশে পাশে অনেক খোজাখুজি করেও তার সন্তানসহ স্বামীকে পাচ্ছিলেন না।

 

 

পড়ুন>> ভূরুঙ্গামারীতে হাসপাতাল থাকা অজ্ঞাত শিশুটির অভিভাবকের সন্ধান মিলেছে

 

 

ঘটনার সূত্রে জানা যায়, নূর মোহাম্মদ শিশুটিকে নিয়ে  ভূরুঙ্গামারীর তার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী আসমাউল হুসনা আশার কাছে আসেন। এবং শিশুটিকে তার জিম্মায় তুলে দেন। তবে আসমাউল হুসনা গণমাধ্যমে দাবি করেন, শিশুটির পরিচয় তিনি জানেন না এবং কেউ তাকে শিশু তুলে দেয়নি।

 

 

 

তিনি আরও জানান, সন্তানের খোঁজ করতে গিয়ে তিনি নিস্তেজ হয়ে পড়েন। পরে ফেসবুকের মাধ্যমে একটি ছবির সূত্র ধরে তিনি নিশ্চিত হন যে ছবিতে থাকা শিশুটি তার সন্তান। এরপর রাতেই তিনি ছুটে যান ভুরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সেখানে গিয়ে সন্তান ফেরত চাইলে বর্তমানে যার কাছে শিশু আছে তিনি তা দিতে অস্বীকার করেন।

পড়ুন>> নবজাতকের কান্না শুনে ঘর থেকে বের হয়েই শিশুকন‍‍্যা পেল নিঃসন্তান দম্পতি

 

জাহানারা বেগম আরও বলেন, “আমি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাই। আমি শুধু আমার বাচ্চাটাকে ফিরে পেতে চাই।”

 

এ ঘটনা নূর মোহাম্মদ স্বীকার করে বলেন,
“আমি আমার সাবেক স্ত্রী আসমাউল হুসনার কাছে শিশুটিকে দিয়ে এসেছি। তারই জিম্মায় আছে সে।”

 

 

এ বিষয়ে ভুরুঙ্গামারী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শামসুজ্জামান বলেন, “শিশুটির তথ্য পেয়ে আমরা রাতেই তাকে মেডিকেলে ভর্তি করি। তদন্ত শেষে শিশুটিকে তার প্রকৃত মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

 

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দাম্পত্য কলহে সাতদিনের নবজাতককে মায়ের কোল থেকে ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:৪০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫

 

 

দাম্পত্য কলহে সাতদিনের নবজাতককে মায়ের কোল থেকে ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ

 

দাম্পত্য কলহে সাতদিনের নবজাতককে মায়ের কোল থেকে ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ।
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার চরুয়াটারি এলাকায় দাম্পত্য কলহের জেরে সাত দিন বয়সী নবজাতক মায়ের কোল থেকে ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

 

 

 

শিশুটির মা জাহানারা বেগম জানান, ২৩ মে শুক্রবার ভোরে বাথরুমে যাওয়ার সময় তিনি তার সন্তানকে স্বামীর কাছে রেখে যান। ফিরে এসে দেখেন স্বামী নূর মোহাম্মদ নবজাতক সন্তানকে নিয়ে বাড়ি থেকে চলে গেছেন। আশে পাশে অনেক খোজাখুজি করেও তার সন্তানসহ স্বামীকে পাচ্ছিলেন না।

 

 

পড়ুন>> ভূরুঙ্গামারীতে হাসপাতাল থাকা অজ্ঞাত শিশুটির অভিভাবকের সন্ধান মিলেছে

 

 

ঘটনার সূত্রে জানা যায়, নূর মোহাম্মদ শিশুটিকে নিয়ে  ভূরুঙ্গামারীর তার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী আসমাউল হুসনা আশার কাছে আসেন। এবং শিশুটিকে তার জিম্মায় তুলে দেন। তবে আসমাউল হুসনা গণমাধ্যমে দাবি করেন, শিশুটির পরিচয় তিনি জানেন না এবং কেউ তাকে শিশু তুলে দেয়নি।

 

 

 

তিনি আরও জানান, সন্তানের খোঁজ করতে গিয়ে তিনি নিস্তেজ হয়ে পড়েন। পরে ফেসবুকের মাধ্যমে একটি ছবির সূত্র ধরে তিনি নিশ্চিত হন যে ছবিতে থাকা শিশুটি তার সন্তান। এরপর রাতেই তিনি ছুটে যান ভুরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সেখানে গিয়ে সন্তান ফেরত চাইলে বর্তমানে যার কাছে শিশু আছে তিনি তা দিতে অস্বীকার করেন।

পড়ুন>> নবজাতকের কান্না শুনে ঘর থেকে বের হয়েই শিশুকন‍‍্যা পেল নিঃসন্তান দম্পতি

 

জাহানারা বেগম আরও বলেন, “আমি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাই। আমি শুধু আমার বাচ্চাটাকে ফিরে পেতে চাই।”

 

এ ঘটনা নূর মোহাম্মদ স্বীকার করে বলেন,
“আমি আমার সাবেক স্ত্রী আসমাউল হুসনার কাছে শিশুটিকে দিয়ে এসেছি। তারই জিম্মায় আছে সে।”

 

 

এ বিষয়ে ভুরুঙ্গামারী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শামসুজ্জামান বলেন, “শিশুটির তথ্য পেয়ে আমরা রাতেই তাকে মেডিকেলে ভর্তি করি। তদন্ত শেষে শিশুটিকে তার প্রকৃত মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

 

 

 

Facebook Comments Box