রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন দ্রুত করতে কূটনৈতিক তৎপরতা মালয়েশিয়ার
- আপডেট সময় : ০৮:০৮:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬৪ বার পড়া হয়েছে
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন দ্রুত করতে কূটনৈতিক তৎপরতা মালয়েশিয়ার
মালয়েশিয়া থেকে মিয়ানমারের নাগরিকদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে দেশটির সরকার নতুন করে কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংকে সরকারি সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এর লক্ষ্য হলো মিয়ানমারের নাগরিকদের, বিশেষ করে রোহিঙ্গাদের ধাপে ধাপে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা জোরদার করা।
দেশটির জাতীয় সংবাদমাধ্যম বারনামা ও ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে জানিয়েছে, মালয়েশিয়া থেকে মোট পাঁচ হাজার মিয়ানমার নাগরিককে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার সরকার সম্মত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম জানিয়েছেন, আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যেই প্রায় ১ হাজার ৫০০ জনকে নিজ দেশে পাঠানো সম্ভব হবে।
পড়ুন>>হরমুজ খুললেও কেন স্বাভাবিক হবে না এলএনজি সরবরাহ?
এর আগে ২৯ সেপ্টেম্বর প্রথম ধাপে ১ হাজার ৪৭৬ জন মিয়ানমারের নাগরিককে স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের কথা জানানো হয়েছিল।
মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ হাজার জনকে ধাপে ধাপে ফেরত পাঠানোর বৃহত্তর কর্মসূচির অংশ হিসেবেই এই ১ হাজার ৪৭৬ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই পুরো কার্যক্রম নিরাপদ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার জন্য দুই দেশ সমন্বয় করে কাজ করছে। পরিকল্পনায় মিয়ানমারের দুটি নৌবাহিনীর জাহাজ ও একটি হাসপাতাল জাহাজ ব্যবহারের বিষয়টিও রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম স্পষ্ট করেছেন, একসাথে অনেক মানুষকে ফেরত নেওয়া সম্ভব না হলে ধাপে ধাপে সেই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে হবে। তিনি বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি নাগরিকদের গ্রহণের দায়িত্ব তাদেরই পালন করতে হবে।
প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার প্রয়োজনীয় লজিস্টিক ব্যয় বহনেও মালয়েশিয়া প্রস্তুত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, খাবার, পোশাক ও নৌযানের ভাড়া বাবদ খরচ মালয়েশিয়া বহন করতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, আটককেন্দ্রে শরণার্থী ব্যবস্থাপনায় প্রতিদিন মাথাপিছু ৫০ থেকে ২০০ রিঙ্গিত পর্যন্ত ব্যয় হয়, যার তুলনায় এই প্রত্যাবাসন ব্যয় অনেক সাশ্রয়ী।
পড়ুন>>হুথিদের হামলায় ১৩ জন আহত
এদিকে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার সঙ্গে তাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। মিয়ানমারে চলমান সংঘাত ও সহিংসতার প্রেক্ষাপটে শরণার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে সংস্থাটি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ইউএনএইচসিআর-এর মতে, যে কোনো প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া অবশ্যই স্বেচ্ছামূলক, সচেতন সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এবং নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে নিশ্চিত করতে হবে।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ














