দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা: ভিসার নিয়মে পরিবর্তন ও চাকরির সুযোগ
- আপডেট সময় : ০৮:৩৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তির নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটি এখন মোট ৪ লাখ বিদেশি শিক্ষার্থীকে স্বাগত জানানোর পরিকল্পনা করছে। এর আগে ২০২৭ সালের মধ্যে ৩ লাখ শিক্ষার্থী নেওয়ার লক্ষ্য থাকলেও, নির্ধারিত সময়ের দুই বছর আগেই ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়েই সেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। এমনকি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশটিতে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৩ লাখ ১৪ হাজারে উন্নীত হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের সংখ্যা আরও বৃদ্ধির লক্ষ্যে দক্ষিণ কোরিয়া তাদের শিক্ষার্থী ভিসাব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রস্তাবিত এই নতুন কাঠামোয় কোরীয় ভাষায় দক্ষতাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। মূলত শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সাফল্য, স্থানীয় সমাজের সঙ্গে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়া এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতেই এই কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে।
নতুন নিয়মের আওতায়, কোনো শিক্ষার্থী যদি কোরীয় ভাষায় মধ্যম পর্যায়ের দক্ষতা প্রমাণ করতে পারেন, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাদের শিক্ষার্থী ভিসার আবেদনের সময় অতিরিক্ত আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ দেখাতে হবে না। এই বিশেষ সুবিধার জন্য শিক্ষার্থীদের হয় কোরীয় ভাষা দক্ষতা পরীক্ষা (টপিক) অথবা কোরীয় অভিবাসন ও একীভূতকরণ কর্মসূচির (কেআইআইপি) চতুর্থ স্তর সফলভাবে উত্তীর্ণ হতে হবে। কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা কবে, নিন জেনে।
তবে যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দেশটিতে থেকে যাওয়ার ঝুঁকি বেশি বলে মনে করা হবে, তাদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম শিথিল নাও হতে পারে। বিশেষ করে পড়াশোনার চেয়ে চাকরির দিকে বেশি ঝুঁকছেন বলে সন্দেহ হলে, সেই শিক্ষার্থীদের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ জমা রাখার শর্ত পূরণ করতে হতে পারে।
পড়াশোনা শেষে বিদেশি স্নাতকদের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ায় থাকার সুযোগ বাড়ানো হয়েছে। মিসরের আল-আজহারের ইনস্টিটিউটে পড়াশোনা, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা যেভাবে আবেদন করবেন।
নতুন কাঠামো অনুযায়ী, ভাষাগত দক্ষতা ও পেশাগত প্রস্তুতির ওপর ভিত্তি করে স্নাতক শেষে এক থেকে তিন বছর পর্যন্ত দেশটিতে অবস্থানের অনুমতি দেওয়া হতে পারে। এছাড়া স্নাতকদের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক বজায় রাখতে সরকার ‘কোরিয়ান স্টাডি অ্যালামনাই ভিজিটর ভিসা’ নামে একটি নতুন ভিসা চালুর বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।
যারা মূলত ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা করতে চান বা দেশটির সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহী, তাদের জন্য এই নতুন পরিবর্তনের ফলে কিছু চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে। তবে উচ্চপর্যায়ের কোরীয় ভাষা জানা না থাকলেও ইংরেজি মাধ্যমে ডিগ্রি অর্জনের পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়ার ৭০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক হাজারের বেশি বিভাগে ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























