ঢাকা ০২:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাণীশংকৈলে ইয়াবাসহ আটক যুবককে ৩ মাসের কারাদণ্ড সংযুক্ত আরব আমিরাতে বৃষ্টির কামনায় বিশেষ ইস্তিসকার নামাজ দিল্লি সফরে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী: মোদি-সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক অস্ট্রেলিয়ায় ক্ষমতার পালাবদলের আভাসে অভিবাসন ছাঁটাইয়ের কড়া পরিকল্পনা দেশে হাম ও উপসর্গে আরও ৬ শিশুর প্রাণহানি ইএসডিওতে ব্রাঞ্চ ম্যানেজার পদে নিয়োগ, বেতন ৪৬ হাজার ‘চীনের মুখোমুখি হওয়ার প্রস্তুতি আছে?’, যুক্তরাষ্ট্রকে: উত্তর কোরিয়ার ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা: ভোলার জেলেদের দুশ্চিন্তা ও সরকারি সহায়তার বিনিয়োগ বাড়াতে ২০ উদ্যোগের সাতটি বাস্তবায়ন ইসির সঙ্গে নেপাল নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিদলের বৈঠক

ঝটপট বানিয়ে ফেলুন টেস্টি মরক্কান বাগরির

মুনিম সিদ্দিকী
  • আপডেট সময় : ০৫:২৮:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৩ ৭৪১৮ বার পড়া হয়েছে

ঝটপট বানিয়ে ফেলুন টেস্টি মরক্কান বাগরির

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ঝটপট বানিয়ে ফেলুন টেস্টি মরক্কান বাগরির

 

 

বগরির চিতুই পিঠার মতো দেখতে লাগলেও তরকারি বা ভর্তা শুটকি দিয়ে খাবেন না। মরক্কানরা যে ভাবে মধু, বাটার, জেলি বা অলিভ অয়েল দিয়ে খায় সে ভাবে খেয়ে দেখুন।

 

আবার এই মরক্কান বাগরিরকে নোয়াখালীর  চালের গুড়ার খোলাজা পিঠাও ভেবে নিবেন না। বাগরির চালের গুড়ার নয়, সুজির পিঠা, সুজির সাথে ময়দাও দেয়া যায়। চালের যে কোন পিঠা ঠাণ্ডা হবার পর শক্ত হয়ে যায়। কিন্তু বাগরির ৩দিন রাখলেও শক্ত হবেনা।

 

বাংলা ভাষায় মরক্কান বাগরিরের শর্টকাট রেসিপি  যাতে সময় বেশি না লাগে।

উপকরণ:

১-সাড়ে ৪ কাপ উম গরম পানি (উম গরম পানি হলো যে গরম আপনার আংগুল সহ্য করতে পারে) -৯৪৬ মিলি।

কেউ কেউ চাইলে পুরো ৪ কাপ দুধ ব্যবহার করতে পারবেন। কেউ চাইলে অর্ধেক দুধ অর্ধেক পানি ব্যবহার করতে পারবেন।

২- ২ কাপ সুজি (৩৫০ গ্রাম) ( ডুরুম হুইটের সুজি। সাধারণ পাশ্চাত্যে এটাকে পাস্তা গমের সুজি বলে। গমের মধ্যে দুই ধরণের গম আছে, আমাদের দেশে যে গম পাওয়া যায়, সেটা নরম গম, আরেকটা গম আছে শক্ত গম, সেটাকে ডুরুম হুইট বলে।

জেনে নিন>>সহজেই বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু খাবার মরক্কান “হারসা” সুজির রুটি

এই ধরনের গমে গ্লুটিন বেশি থাকে পেস্তা, প্যাকাটি, ম্যাকারোনি সেই গম দিয়ে করা হয়, এইসব শক্ত হয়ে থাকে ।

ইউরোপ আমেরিকায় যারা আছেন তারা সহজে পেয়ে যাবেন, বাংলাদেশে গুলশান বারিধারা এলাকার বড় বড় সুপার স্টোরে পাওয়া যাবে। তবে না পাওয়া গেলে আমাদের দেশের সুজি দিয়ে করতে পারবেন, তবে পুরো মরক্কান স্বাদ পাবেন না।

উপকরণ:

৩- ১ কাপ সাদা ময়দা।(১৩৫ গ্রাম)
ময়দা আর সুজির পরিমাণ কম বেশ করা যাবে।
১ টেবিল চামচ চিনি।
১ চা চামচ ইস্ট।
১ টেবিল চামচ বেকিং পাউডার।
১ চা চামচ লবণ।
১ টি ডিম (ইচ্ছা হলে দিতে পারেন)।

টপিং বা রাবিং

১. অলিভ অয়েল +মেল্টেড বাটার
২.মেল্টেড বাটার + মধু
৩. জ্যাম জেলি
৪,আনার দানা
৫. পেস্তা বাদাম অন্যান্য ড্রাই ফ্রুট কুচি।
৬.কন্ডেন্স মিল্ক।
৭.মেল্টেড চকলেট।
৮.গুড়ের লালি বা ঝোলা গুড়

সবগুলো টপিং এর দরকার নেই। মরক্কানরা, বাটার আর মধু দিয়ে খেয়ে থাকেন।

মিক্সারারে পানি ঢালুন। সব উপকরণ দিন।   মিশ্রণ করুন । ভালো করে মিশে গেলে একটা বড় বাটিতে ঢেলে টাওয়াল মোটা রুমাল দিয়ে ঢেকে রেস্টে রাখুন। গাজন হয়ে গেলে, এক ধরনের বুদবুদ উঠে এলে বুঝবেন রান্নার উপযুক্ত হয়ে গেছে।

এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বুঝতে হবে। আমাদের দেশে ময়দা, সুজি, চিনি, বেকিং পাউডার, ইস্টে ভেজাল থাকতে পারে।

কাজে বেটার কতক্ষণ রেস্টে রাখলে ফরমিং হবে সেটা আগে ভাগে বলা যাবেনা। নির্ভর করবে, রুমের গরম আর ম্যাটারিয়ালের কোয়ালিটির উপর।

জেনে নিন: নিজ হাতেই বানিয়ে ফেলুন ভেষজগুণ যুক্ত এগারোটি ভিন্ন স্বাদের চা

আর একটা কথা ময়দা সুজির কোয়ালিটির উপর নির্ভর করবে বেটারের পাতলা ঘন আকার ধারণ ক্ষমতা। খেয়াল রাখবেন বেটার যেন আইসক্রিম গলে গেলে যে ধরনের থিক তরল হয়, বাগরিরের থিক তেমন হতে হবে। ইচ্ছা করলে রঙ ও ব্যবহার করতে পারবেন।

যখন সেট হয়ে যাবে, ছোট ছোট বুদবুদ দেখতে পাওয়া যাবে। তখনই বেটার বাগরির রান্নার জন্য রেডি।

মরক্কানদের গ্রামে পাথরের স্লেটের উপর, বাগরির রান্না করতো এখন তারা ননস্টিকি ফ্রাইপ্যান দ্বারা করে থাকে।

আমরাও থিক বটম ননস্টিক ফ্রাইপ্যান ব্যবহার করবো।

এবার বার্নারের উপর ফ্রাইপ্যান রাখুন। মিডিয়াম হিট দিন। ডালের ডাবু চামচ দিয়ে এক চামচ বেটার ফ্রাই ফ্যানের ঠিক মধ্যখানে ছেড়ে ফ্রাইপ্যানের হাতলে ধরে আলতো ভাবে সুইং করে গোল করে ৭-৮ ইঞ্চি প্রসারিত করে দিবেন।

ঢাকনা দেবার দরকার নেই, প্রথমে কিনারা থেকে শুকাতে থাকবে সাথে সাথে বহু বাবল ফর্ম করবে। ধীরে ধীরে মৌচাকের মতো হয়ে যাবে। যখন দেখবেন ঠিক মধ্যের সেন্টারের কাঁচা ভাব বদলে গিয়ে পেকে গেছে। তখন আপনার বাগরির হয়ে গেছে।

বাগরিরকে ভুলে উলটে পালটে ভাজবেন না। এক পাশ ভাজবেন। যদি মৌচাকের মতো না হয় তাহলে আপনার বাগরির প্রোপার হয়নি।

এর আগে একটা বড় ট্রে বা থালায় পরিস্কার কাপড় বিছিয়ে রাখুন। গরম বাগরি কিছুটা ঠাণ্ডা হবার জন্য সে কাপড়ের উপর বিছিয়ে রাখুন।

এরও আগে একটা প্লাস্টিকের রাউন্ড আর স্কয়ার বক্সে ভেতরে টাওয়াল বিছিয়ে রাখুন। যখন ট্রের বাগরির কিছুটা ঠাণ্ডা হয়ে আসবে, তখন সেখান থেকে বাগরির নিয়ে সেই বক্সে একটার উপর আরেকটা করে রাখতে পারবেন।

 

 

সবগুলো ভাজা হয়ে গেলে। টাওয়াল দিয়ে ঢেকে তারপর বক্সের ঢাকনি লাগিয়ে রেখে দিন। এভাবে শীতকালে ৩দিন ফ্রিজ ছাড়া রেখে খেতে পারবেন। তবে গরমের দেশে নির্ভর করবে সে দেশের আর্দ্রতার উপর।

রাত্রে বানিয়ে সকালের নাস্তায় ব্যবহার করা যাবে। আবার বিকালে বানিয়ে রাতে খাওয়া যাবে।

যখন খাবেন তখন বাটার গলিয়ে নিয়ে, হয় অলিভের সাথে মিশিয়ে বা বাটার মধু মিশিয়ে, আমাদের দেশে আমরা গুড়ের লালি দিয়েও খেয়ে থাকি। এবং কন্ডেন্স মিল্ক লাগিয়েও খাওয়া যায়।

ইচ্ছা হলে আনার দানা, জ্যাম জেলি ড্রাইফুট কুচি দিয়েও খাওয়া যাবে।

যারা বানাবেন, একবার না পারলে হতাশ হবেন না। আবার চেষ্টা করবেন, দেখবেন পরে আপনিও এক্সপার্ট হয়ে যাবেন।

যদি এটা বানাতে পারেন তাহলে বৃদ্ধ ও শিশুদের কাছে মুখরোচক আইটেম হয়ে উঠবে। যাদের স্বামী সন্তানকে প্রতিদিন রুটি বানিয়ে দিতে হয়, তাদের জন্য রিলাক্স এনে দেবে বাগরির, কোন মথামথি বা বেলাবেলির ঝামেলা নেই। ঢালবেন আর বানাবেন।

তবে আমি জানি বাঙ্গালী মন, এটাকে তরকারি আর ভর্তা দিয়ে খাবেই খাবে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঝটপট বানিয়ে ফেলুন টেস্টি মরক্কান বাগরির

আপডেট সময় : ০৫:২৮:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৩

 

ঝটপট বানিয়ে ফেলুন টেস্টি মরক্কান বাগরির

 

 

বগরির চিতুই পিঠার মতো দেখতে লাগলেও তরকারি বা ভর্তা শুটকি দিয়ে খাবেন না। মরক্কানরা যে ভাবে মধু, বাটার, জেলি বা অলিভ অয়েল দিয়ে খায় সে ভাবে খেয়ে দেখুন।

 

আবার এই মরক্কান বাগরিরকে নোয়াখালীর  চালের গুড়ার খোলাজা পিঠাও ভেবে নিবেন না। বাগরির চালের গুড়ার নয়, সুজির পিঠা, সুজির সাথে ময়দাও দেয়া যায়। চালের যে কোন পিঠা ঠাণ্ডা হবার পর শক্ত হয়ে যায়। কিন্তু বাগরির ৩দিন রাখলেও শক্ত হবেনা।

 

বাংলা ভাষায় মরক্কান বাগরিরের শর্টকাট রেসিপি  যাতে সময় বেশি না লাগে।

উপকরণ:

১-সাড়ে ৪ কাপ উম গরম পানি (উম গরম পানি হলো যে গরম আপনার আংগুল সহ্য করতে পারে) -৯৪৬ মিলি।

কেউ কেউ চাইলে পুরো ৪ কাপ দুধ ব্যবহার করতে পারবেন। কেউ চাইলে অর্ধেক দুধ অর্ধেক পানি ব্যবহার করতে পারবেন।

২- ২ কাপ সুজি (৩৫০ গ্রাম) ( ডুরুম হুইটের সুজি। সাধারণ পাশ্চাত্যে এটাকে পাস্তা গমের সুজি বলে। গমের মধ্যে দুই ধরণের গম আছে, আমাদের দেশে যে গম পাওয়া যায়, সেটা নরম গম, আরেকটা গম আছে শক্ত গম, সেটাকে ডুরুম হুইট বলে।

জেনে নিন>>সহজেই বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু খাবার মরক্কান “হারসা” সুজির রুটি

এই ধরনের গমে গ্লুটিন বেশি থাকে পেস্তা, প্যাকাটি, ম্যাকারোনি সেই গম দিয়ে করা হয়, এইসব শক্ত হয়ে থাকে ।

ইউরোপ আমেরিকায় যারা আছেন তারা সহজে পেয়ে যাবেন, বাংলাদেশে গুলশান বারিধারা এলাকার বড় বড় সুপার স্টোরে পাওয়া যাবে। তবে না পাওয়া গেলে আমাদের দেশের সুজি দিয়ে করতে পারবেন, তবে পুরো মরক্কান স্বাদ পাবেন না।

উপকরণ:

৩- ১ কাপ সাদা ময়দা।(১৩৫ গ্রাম)
ময়দা আর সুজির পরিমাণ কম বেশ করা যাবে।
১ টেবিল চামচ চিনি।
১ চা চামচ ইস্ট।
১ টেবিল চামচ বেকিং পাউডার।
১ চা চামচ লবণ।
১ টি ডিম (ইচ্ছা হলে দিতে পারেন)।

টপিং বা রাবিং

১. অলিভ অয়েল +মেল্টেড বাটার
২.মেল্টেড বাটার + মধু
৩. জ্যাম জেলি
৪,আনার দানা
৫. পেস্তা বাদাম অন্যান্য ড্রাই ফ্রুট কুচি।
৬.কন্ডেন্স মিল্ক।
৭.মেল্টেড চকলেট।
৮.গুড়ের লালি বা ঝোলা গুড়

সবগুলো টপিং এর দরকার নেই। মরক্কানরা, বাটার আর মধু দিয়ে খেয়ে থাকেন।

মিক্সারারে পানি ঢালুন। সব উপকরণ দিন।   মিশ্রণ করুন । ভালো করে মিশে গেলে একটা বড় বাটিতে ঢেলে টাওয়াল মোটা রুমাল দিয়ে ঢেকে রেস্টে রাখুন। গাজন হয়ে গেলে, এক ধরনের বুদবুদ উঠে এলে বুঝবেন রান্নার উপযুক্ত হয়ে গেছে।

এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বুঝতে হবে। আমাদের দেশে ময়দা, সুজি, চিনি, বেকিং পাউডার, ইস্টে ভেজাল থাকতে পারে।

কাজে বেটার কতক্ষণ রেস্টে রাখলে ফরমিং হবে সেটা আগে ভাগে বলা যাবেনা। নির্ভর করবে, রুমের গরম আর ম্যাটারিয়ালের কোয়ালিটির উপর।

জেনে নিন: নিজ হাতেই বানিয়ে ফেলুন ভেষজগুণ যুক্ত এগারোটি ভিন্ন স্বাদের চা

আর একটা কথা ময়দা সুজির কোয়ালিটির উপর নির্ভর করবে বেটারের পাতলা ঘন আকার ধারণ ক্ষমতা। খেয়াল রাখবেন বেটার যেন আইসক্রিম গলে গেলে যে ধরনের থিক তরল হয়, বাগরিরের থিক তেমন হতে হবে। ইচ্ছা করলে রঙ ও ব্যবহার করতে পারবেন।

যখন সেট হয়ে যাবে, ছোট ছোট বুদবুদ দেখতে পাওয়া যাবে। তখনই বেটার বাগরির রান্নার জন্য রেডি।

মরক্কানদের গ্রামে পাথরের স্লেটের উপর, বাগরির রান্না করতো এখন তারা ননস্টিকি ফ্রাইপ্যান দ্বারা করে থাকে।

আমরাও থিক বটম ননস্টিক ফ্রাইপ্যান ব্যবহার করবো।

এবার বার্নারের উপর ফ্রাইপ্যান রাখুন। মিডিয়াম হিট দিন। ডালের ডাবু চামচ দিয়ে এক চামচ বেটার ফ্রাই ফ্যানের ঠিক মধ্যখানে ছেড়ে ফ্রাইপ্যানের হাতলে ধরে আলতো ভাবে সুইং করে গোল করে ৭-৮ ইঞ্চি প্রসারিত করে দিবেন।

ঢাকনা দেবার দরকার নেই, প্রথমে কিনারা থেকে শুকাতে থাকবে সাথে সাথে বহু বাবল ফর্ম করবে। ধীরে ধীরে মৌচাকের মতো হয়ে যাবে। যখন দেখবেন ঠিক মধ্যের সেন্টারের কাঁচা ভাব বদলে গিয়ে পেকে গেছে। তখন আপনার বাগরির হয়ে গেছে।

বাগরিরকে ভুলে উলটে পালটে ভাজবেন না। এক পাশ ভাজবেন। যদি মৌচাকের মতো না হয় তাহলে আপনার বাগরির প্রোপার হয়নি।

এর আগে একটা বড় ট্রে বা থালায় পরিস্কার কাপড় বিছিয়ে রাখুন। গরম বাগরি কিছুটা ঠাণ্ডা হবার জন্য সে কাপড়ের উপর বিছিয়ে রাখুন।

এরও আগে একটা প্লাস্টিকের রাউন্ড আর স্কয়ার বক্সে ভেতরে টাওয়াল বিছিয়ে রাখুন। যখন ট্রের বাগরির কিছুটা ঠাণ্ডা হয়ে আসবে, তখন সেখান থেকে বাগরির নিয়ে সেই বক্সে একটার উপর আরেকটা করে রাখতে পারবেন।

 

 

সবগুলো ভাজা হয়ে গেলে। টাওয়াল দিয়ে ঢেকে তারপর বক্সের ঢাকনি লাগিয়ে রেখে দিন। এভাবে শীতকালে ৩দিন ফ্রিজ ছাড়া রেখে খেতে পারবেন। তবে গরমের দেশে নির্ভর করবে সে দেশের আর্দ্রতার উপর।

রাত্রে বানিয়ে সকালের নাস্তায় ব্যবহার করা যাবে। আবার বিকালে বানিয়ে রাতে খাওয়া যাবে।

যখন খাবেন তখন বাটার গলিয়ে নিয়ে, হয় অলিভের সাথে মিশিয়ে বা বাটার মধু মিশিয়ে, আমাদের দেশে আমরা গুড়ের লালি দিয়েও খেয়ে থাকি। এবং কন্ডেন্স মিল্ক লাগিয়েও খাওয়া যায়।

ইচ্ছা হলে আনার দানা, জ্যাম জেলি ড্রাইফুট কুচি দিয়েও খাওয়া যাবে।

যারা বানাবেন, একবার না পারলে হতাশ হবেন না। আবার চেষ্টা করবেন, দেখবেন পরে আপনিও এক্সপার্ট হয়ে যাবেন।

যদি এটা বানাতে পারেন তাহলে বৃদ্ধ ও শিশুদের কাছে মুখরোচক আইটেম হয়ে উঠবে। যাদের স্বামী সন্তানকে প্রতিদিন রুটি বানিয়ে দিতে হয়, তাদের জন্য রিলাক্স এনে দেবে বাগরির, কোন মথামথি বা বেলাবেলির ঝামেলা নেই। ঢালবেন আর বানাবেন।

তবে আমি জানি বাঙ্গালী মন, এটাকে তরকারি আর ভর্তা দিয়ে খাবেই খাবে।

Facebook Comments Box