ঢাকা ১১:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফুলবাড়ীতে চায়না দুয়ারী জালে অজগর আটক নাঙ্গলকোটে কর্ণফুলী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, তদন্ত কমিটি গঠন ১ নভেম্বর থেকে খাদ্য ব্যবসায় লাইসেন্স ও নিবন্ধন বাধ্যতামূলক দারোয়ানী রেলস্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজের দাবিতে রেলপথ অবরোধ যত শো বাড়ছে, ততই ভয় পাচ্ছি: রোজী সিদ্দিকী ওয়্যারেবল এআই: দৈনন্দিন সঙ্গী নাকি ব্যক্তিগত গোপনীয়তার ঝুঁকি? অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাভুমার রেকর্ড গড়া ১৭৯ রানের ইনিংস রৌমারীতে অবৈধ কাঁকড়া গাড়ির ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে গেল সবজিবোঝাই অটোরিকশা বিএমএসআরআই-তে প্রধান অর্থ কর্মকর্তা নিয়োগ লুসাইল প্রাসাদে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁকে কাতারের আমিরের রাজকীয়

জামালগঞ্জে বৈদ্যুতিক সট সার্কিটের আগুনে ৩৮ কৃষকের ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই

সুনামগঞ্জ থেকে আমির হোসেন
  • আপডেট সময় : ০৯:৪২:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৩৫৫ বার পড়া হয়েছে

জামালগঞ্জে বৈদ্যুতিক সট সার্কিটের আগুনে ৩৮ কৃষকের ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার ফেনারবাঁক ইউনিয়নের হটামারা গ্রামে আগুন লেগে অন্তত ৩৮ কৃষকের ঘর পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে।

সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ) দুপুর প্রায় ১ টায় হটামারা গ্রামের বাসিন্ধা মো: আমিন মিয়া’র ঘর থেকে বৈদ্যুৎতিক লাইনে সটসার্কিট হতে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে বলে জানান স্থানীয়রা।

এ ঘটনায় প্রায় ৮০ লাখ টাকা সমপরিমান ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারনা করছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবার গুলো।

দুপুরে আগুনের সূত্রপাতেই হঠামারা গ্রামের প্রত্যক্ষদর্শীরা চিৎকার শুরু করে। এরপর আশপাশে থাকা কিছু লোক দৌড়ে এসে আগুন নেভানোর প্রাণান্তকর চেষ্টা করে। ধীরে ধীরে আগুনের লেলিহান শিখা বাড়তে থাকে।

এ সময় গ্রামের বেশীর ভাগ পুরুষ বোরো মৌসুমে তাদের কৃষি কাজে জমিতে কাজ করছিলেন। পড়ে কৃষকরা তাদের গ্রামে আগুনের লেলিহান শিখা দেখে দ্রুত বাড়িতে চলে গিয়ে প্রায় ২ ঘন্টা পর আগুন নেভাতে সক্ষম হন।

গ্রামটি খুব ঘনবসতি হওয়ায় আগুন লাগার পর দ্রুত প্রতিবেশীদের ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ওই গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা খুব ভালো না থাকায় জেলা সদর থেকে ফায়ার সার্ভিসের কোন দল সেখানে যেতে পারেনি।

এ এখন পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর আমিন মিয়া, সোহেল মিয়া, শামসুল আলম, জাহির মিয়া, মুনাফ মিয়া, অরুনা বেগম, রব্বানী মিয়া, আলমগীর, রাজা মিয়া, মস্কুর মিয়া, হালান মিয়া , নুরজাহান, সালেক মিঞা, মুতুল্লির বউ, নজরুল, ইসানুর , জহিরুল ইসলাম, হরজুল, সায়েদ, আমিরুল, রোকশানা, বকুল মেম্বার, নুরজালাল মাষ্টার, দুলাল, আলমগীরসহ আরও  কয়েকজনকে কৃষকদের বাড়ি পুড়ে যায়।

এঘটনার খবর পেয়ে জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিশ্বজিত দেব ছুটে যান হঠামারা গ্রামে।
তিনি জানান, গ্রামবাসীদের ভাষ্য মতে ৩৮ টি ঘর পুড়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে এতে প্রায় ৬০-৭০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাথমিক ভাবে শুকনো খাবার ও কম্বল বিতরন করা হচ্ছে।

পরবর্তীতে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা নিরূপণ করে তাদেরকে ঘর মেরামতের জন্য টিনসহ প্রয়োজনীয় জিনিস সরকারিভাবে সহায়তা প্রদান করা হবে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জামালগঞ্জে বৈদ্যুতিক সট সার্কিটের আগুনে ৩৮ কৃষকের ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই

আপডেট সময় : ০৯:৪২:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার ফেনারবাঁক ইউনিয়নের হটামারা গ্রামে আগুন লেগে অন্তত ৩৮ কৃষকের ঘর পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে।

সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ) দুপুর প্রায় ১ টায় হটামারা গ্রামের বাসিন্ধা মো: আমিন মিয়া’র ঘর থেকে বৈদ্যুৎতিক লাইনে সটসার্কিট হতে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে বলে জানান স্থানীয়রা।

এ ঘটনায় প্রায় ৮০ লাখ টাকা সমপরিমান ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারনা করছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবার গুলো।

দুপুরে আগুনের সূত্রপাতেই হঠামারা গ্রামের প্রত্যক্ষদর্শীরা চিৎকার শুরু করে। এরপর আশপাশে থাকা কিছু লোক দৌড়ে এসে আগুন নেভানোর প্রাণান্তকর চেষ্টা করে। ধীরে ধীরে আগুনের লেলিহান শিখা বাড়তে থাকে।

এ সময় গ্রামের বেশীর ভাগ পুরুষ বোরো মৌসুমে তাদের কৃষি কাজে জমিতে কাজ করছিলেন। পড়ে কৃষকরা তাদের গ্রামে আগুনের লেলিহান শিখা দেখে দ্রুত বাড়িতে চলে গিয়ে প্রায় ২ ঘন্টা পর আগুন নেভাতে সক্ষম হন।

গ্রামটি খুব ঘনবসতি হওয়ায় আগুন লাগার পর দ্রুত প্রতিবেশীদের ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ওই গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা খুব ভালো না থাকায় জেলা সদর থেকে ফায়ার সার্ভিসের কোন দল সেখানে যেতে পারেনি।

এ এখন পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর আমিন মিয়া, সোহেল মিয়া, শামসুল আলম, জাহির মিয়া, মুনাফ মিয়া, অরুনা বেগম, রব্বানী মিয়া, আলমগীর, রাজা মিয়া, মস্কুর মিয়া, হালান মিয়া , নুরজাহান, সালেক মিঞা, মুতুল্লির বউ, নজরুল, ইসানুর , জহিরুল ইসলাম, হরজুল, সায়েদ, আমিরুল, রোকশানা, বকুল মেম্বার, নুরজালাল মাষ্টার, দুলাল, আলমগীরসহ আরও  কয়েকজনকে কৃষকদের বাড়ি পুড়ে যায়।

এঘটনার খবর পেয়ে জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিশ্বজিত দেব ছুটে যান হঠামারা গ্রামে।
তিনি জানান, গ্রামবাসীদের ভাষ্য মতে ৩৮ টি ঘর পুড়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে এতে প্রায় ৬০-৭০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাথমিক ভাবে শুকনো খাবার ও কম্বল বিতরন করা হচ্ছে।

পরবর্তীতে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা নিরূপণ করে তাদেরকে ঘর মেরামতের জন্য টিনসহ প্রয়োজনীয় জিনিস সরকারিভাবে সহায়তা প্রদান করা হবে।

Facebook Comments Box