ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটিতে নিয়োগ, আবেদন যেভাবে কাতারে চাকরির সুযোগ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর বিজ্ঞপ্তি আদিবাসীদের পাঁচ শতাংশ কোটা পুনর্বহালের দাবিতে বান্দরবানে সমাবেশ রাশিয়ার জ্বালানি ক্রেতাদের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্কের ক্ষমতা পাচ্ছেন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নতুন সমীকরণ: প্রতীকহীন ভোটে বাড়ছে দায়বদ্ধতা মাধবপুরে মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু রাজনৈতিক মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে সরকার শূন্য সহনশীলতা নীতিতে অটল আজ বসছে ইসির আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক, আলোচনায় স্থানীয় নির্বাচন নগদ লিমিটেডে চাকরির সুযোগ: আবেদনের শেষ তারিখ ২৬ সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় ৩০ লাখ ডলার অনুদান দিলেন ম্যাকলমোর

কারাগারে হাজতির মৃত্যু: পরিবারের অভিযোগ পুলিশ নির্যাতনে মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৪:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জুন ২০২৩ ১৮৩ বার পড়া হয়েছে

কারাগারে হাজতির মৃত্যু: পরিবারের অভিযোগ পুলিশ নির্যাতনে মৃত্যু

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুড়িগ্রাম জেলা কারাগারে এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দুপুরের দিকে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ পুলিশি নির্যাতনের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এদিকে পুলিশ জানায়, নিহত একরামুল এলাকার চিহ্নত মাদক কারবারি ও মাদক সেবনকারী। তাকে নির্যাতনের অভিযোগ মিথ্যা।

নিহত ওই হাজতির মোঃ একরামুল হোসেন এরশাদ (২৮)। তিনি কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার কামাত আঙ্গারী এলাকার শওকত আলী ছেলে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত বুধবার বিকেলে নিহত ওই হাজতিকে মাদক ব্যবসার অভিযোগে আটক করে ভুরুঙ্গামারী থানা পুলিশ। তার কাছে মাদকদ্রব্য না পেলেও ১৫১ গ্রেফতার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করে পুলিশ।

এ অবস্থায় শনিবার একরামুল হোসেন অসুস্থ হয়ে পড়লে জেলা কারাগার থেকে তাকে চিকিৎসার জন্য কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার দুপুরের দিকে তার মৃত্যু হয়। হাজতির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুড়িগ্রাম কারাগারের জেলার আবু সাইম।

তিনি জানান, একরামুল হোসেন নামের ওই হাজতি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখানেই তার মৃত্যু হয়েছে।

মৃত্যুর পর একরামুল হোসেনের বোন শিউলি বেগম অভিযোগ করেন তার ভাইকে ভুরুঙ্গামারী থানা পুলিশ মাদকের অভিযোগে ধরে নিয়ে আসার পর টাকা দাবি করেন।

সেই টাকা দিতে দেরি হওয়ায় পুলিশ তাকে নির্যাতন করে কারাগারে পাঠায়। পুলিশের নির্যাতনের ফলে তার ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

শনিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অভিযোগের এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়।

অভিযোগের বিষয়ে কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, একরামুল হোসেন এলাকার একজন চিহ্নত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবন কারী।

তার নামে ভুরুঙ্গামারী থানায় ৮-৯টি মাদকের মামলা রয়েছে। মাদক কেনা-বেচার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়।

পরে তার কাছে মাদক না পাওয়া গেলেও ১৫১ ধারায় মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। তবে তাকে কোন প্রকার নির্যাতন করা হয়নি। নির্যাতনের বিষয়টি মিথ্যা।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কারাগারে হাজতির মৃত্যু: পরিবারের অভিযোগ পুলিশ নির্যাতনে মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জুন ২০২৩

কুড়িগ্রাম জেলা কারাগারে এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দুপুরের দিকে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ পুলিশি নির্যাতনের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এদিকে পুলিশ জানায়, নিহত একরামুল এলাকার চিহ্নত মাদক কারবারি ও মাদক সেবনকারী। তাকে নির্যাতনের অভিযোগ মিথ্যা।

নিহত ওই হাজতির মোঃ একরামুল হোসেন এরশাদ (২৮)। তিনি কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার কামাত আঙ্গারী এলাকার শওকত আলী ছেলে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত বুধবার বিকেলে নিহত ওই হাজতিকে মাদক ব্যবসার অভিযোগে আটক করে ভুরুঙ্গামারী থানা পুলিশ। তার কাছে মাদকদ্রব্য না পেলেও ১৫১ গ্রেফতার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করে পুলিশ।

এ অবস্থায় শনিবার একরামুল হোসেন অসুস্থ হয়ে পড়লে জেলা কারাগার থেকে তাকে চিকিৎসার জন্য কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার দুপুরের দিকে তার মৃত্যু হয়। হাজতির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুড়িগ্রাম কারাগারের জেলার আবু সাইম।

তিনি জানান, একরামুল হোসেন নামের ওই হাজতি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখানেই তার মৃত্যু হয়েছে।

মৃত্যুর পর একরামুল হোসেনের বোন শিউলি বেগম অভিযোগ করেন তার ভাইকে ভুরুঙ্গামারী থানা পুলিশ মাদকের অভিযোগে ধরে নিয়ে আসার পর টাকা দাবি করেন।

সেই টাকা দিতে দেরি হওয়ায় পুলিশ তাকে নির্যাতন করে কারাগারে পাঠায়। পুলিশের নির্যাতনের ফলে তার ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

শনিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অভিযোগের এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়।

অভিযোগের বিষয়ে কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, একরামুল হোসেন এলাকার একজন চিহ্নত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবন কারী।

তার নামে ভুরুঙ্গামারী থানায় ৮-৯টি মাদকের মামলা রয়েছে। মাদক কেনা-বেচার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়।

পরে তার কাছে মাদক না পাওয়া গেলেও ১৫১ ধারায় মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। তবে তাকে কোন প্রকার নির্যাতন করা হয়নি। নির্যাতনের বিষয়টি মিথ্যা।

Facebook Comments Box