ঢাকা ০১:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

রাজনৈতিক মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে সরকার শূন্য সহনশীলতা নীতিতে অটল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, গত ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে সরকার রাজনৈতিক মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি প্রদর্শন করছে। তিনি বলেন, দেশে একটি শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশন কাজ করছে এবং এর নির্বাচন কমিটিতে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতারা অন্তর্ভুক্ত থাকেন, যা সাংবিধানিক শাসনেরই প্রকৃত প্রকাশ। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সিনেট ভবনে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আবদুস সালাম, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবিধানের মিল ও আইনি কাঠামো

ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র মিশন থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে এবং এই কর্মসূচির আয়োজন করে ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘১৭৮৭ সালে গৃহীত মার্কিন সংবিধানের সঙ্গে ১৯৭২ সালের বাংলাদেশের সংবিধানের গণতান্ত্রিক অবকাঠামোর বেশ মিল রয়েছে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট যে ‘বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা’ তত্ত্ব প্রয়োগ করে, বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টও একই ধরনের এখতিয়ার অনুশীলন করে থাকে। মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ সবসময় স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার অনুপ্রেরণা পায়।’

রাজনৈতিক নিপীড়ন ও বৈশ্বিক প্রভাব

  • অতীতে বিএনপির ১০ লাখেরও বেশি নেতাকর্মী রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হয়েছিলেন এবং প্রায় ৯৯ শতাংশ মামলা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো দায়ের করেছিল।
  • অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, অব্যাহত বিতর্ক, ঐকমত্যে পৌঁছানোর প্রচেষ্টা, ক্ষমতার পৃথকীকরণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও সংবিধানে সংশোধনী যুক্ত করার অধিকার যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানকে টেকসই ভিত্তি দিয়েছে।
  • ২০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে অনুপ্রাণিত করে আসছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজনৈতিক মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে সরকার শূন্য সহনশীলতা নীতিতে অটল

আপডেট সময় : ১২:৪২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, গত ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে সরকার রাজনৈতিক মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি প্রদর্শন করছে। তিনি বলেন, দেশে একটি শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশন কাজ করছে এবং এর নির্বাচন কমিটিতে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতারা অন্তর্ভুক্ত থাকেন, যা সাংবিধানিক শাসনেরই প্রকৃত প্রকাশ। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সিনেট ভবনে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আবদুস সালাম, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবিধানের মিল ও আইনি কাঠামো

ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র মিশন থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে এবং এই কর্মসূচির আয়োজন করে ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘১৭৮৭ সালে গৃহীত মার্কিন সংবিধানের সঙ্গে ১৯৭২ সালের বাংলাদেশের সংবিধানের গণতান্ত্রিক অবকাঠামোর বেশ মিল রয়েছে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট যে ‘বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা’ তত্ত্ব প্রয়োগ করে, বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টও একই ধরনের এখতিয়ার অনুশীলন করে থাকে। মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ সবসময় স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার অনুপ্রেরণা পায়।’

রাজনৈতিক নিপীড়ন ও বৈশ্বিক প্রভাব

  • অতীতে বিএনপির ১০ লাখেরও বেশি নেতাকর্মী রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হয়েছিলেন এবং প্রায় ৯৯ শতাংশ মামলা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো দায়ের করেছিল।
  • অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, অব্যাহত বিতর্ক, ঐকমত্যে পৌঁছানোর প্রচেষ্টা, ক্ষমতার পৃথকীকরণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও সংবিধানে সংশোধনী যুক্ত করার অধিকার যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানকে টেকসই ভিত্তি দিয়েছে।
  • ২০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে অনুপ্রাণিত করে আসছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
Facebook Comments Box