হরিপুরের পর এবার রাণীশংকৈলেও ১৪৪ ধারা জারি
- আপডেট সময় : ১০:৩১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫ ১৩৮ বার পড়া হয়েছে
হরিপুরের পর এবার রাণীশংকৈলেও ১৪৪ ধারা জারি
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় জমি নিয়ে মারামারি, লুটপাট, বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ওই দুই পক্ষের সমর্থকেরা ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার ১২ এপ্রিল রাতে পাশ্ববর্তী রাণীশংকৈল উপজেলার কাউন্সিল বাজার, চেকপোস্ট বাজার ও বটতলী এলাকায় স্থানীয় বাঙাল ও মালধাইয়া মুসলিমদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ বাঁধে।
ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও মিছিল করা হয়। এছাড়াও বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ, লাঠিসোঁটা, দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে বেশ কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কিছু মানুষ আহত হয়।এলাকায় চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। উপজেলা প্রশাসন থানা পুলিশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিরা উভয় পক্ষকে শান্ত করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।
তবে ওই এলাকা গুলোতে যেকোন সময় উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে এই ভেবে রাণীশংকৈল উপজেলার কাউন্সিল বাজার,চেকপোস্ট বাজার ও বটতলী এলাকায় রোববার ১৩ এপ্রিল দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাফিউল মাজলুবিন রহমান ১৪৪ ধারা জারি করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করেন। প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১৪৪ ধারা মোতাবেক উপজেলার ধর্মগড় ইউনিয়নের চেংমারি মৌজার কাউন্সিল বাজার ও ধর্মগড় মৌজার চেকপোস্ট বাজার এবং উভয় সংলগ্ন এলাকায় স্থানীয় জনগণের মাঝে চরম উত্তেজনা বিরাজ করায় ওইসব এলাকায় বিবাদ বা হানাহানি সৃষ্টির মাধ্যমে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার আশংকা রয়েছে।
পড়ুন>>চারুকলার মোটিফ পোড়ানোর পর এবার বর্ষবরণের মঞ্চ ভাঙচুর
জনস্বার্থে এবং জনগণের জানমাল ও শান্তিশৃংখলা রক্ষার্থে উক্ত এলাকায় ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ১৪৪ ধারা জারি করেছে রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাফিউল মাজলুবিন রহমান। সেইসাথে পুনরাদ্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ১৪৪ ধারা চলাকালীন ওইসব এলাকায় সকল প্রকার আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শন, লাঠি বা দেশীয় অস্ত্র বহন বা প্রদর্শন, যে কোন ধরণের মাইকিং বা শব্দযন্ত্র ব্যবহার, ০৫ (পাঁচ) বা তার অধিক সংখ্যক ব্যক্তির একত্রে চলাফেরা, সভা, সমাবেশ, মিছিল ইত্যাদি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে মর্মে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
রাণীশংকৈল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)আরশেদুল হক জানান, ১৪৪ ধারা জারিকৃত এলাকাজুড়ে পুলিশ, বিজিবি আনসারসহ প্রায় অর্ধশতাধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। এবং পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে বলেও ওসি জানান। প্রসঙ্গত: গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ৯, ১০ এপ্রিল দুইদিন লাগাতার হরিপুর উপজেলার আটঘরিয়া এলাকায় জমি দখলকে কেন্দ্র দুই গ্রাম বাসিদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ, বাড়িঘরে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ


























