ঢাকা ০৬:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ থেকে পদত্যাগ করছেন সালমান এফ রহমান সম্পর্ক উন্নয়নে শেখ হাসিনাসহ অভিযুক্তদের ফেরত চায় সরকার প্রয়োজনভিত্তিক উপবৃত্তি চালুর ইঙ্গিত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর নওগাঁয় মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে অটোরিকশা-ভ্যান মালিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন গভীর রাতে বাড়িতে ঢুকে মারধর ও ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দল নয়, লড়াই হবে ব্যক্তিকেন্দ্রিক ডাকসুর সংগ্রহশালায় ঢুকে জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলেছেন ঢাবির উর্দু বিভাগের এক শিক্ষার্থী। আপনি কি তার এই কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করেন? রায় ঘোষণার পর সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘোষিত হলো ২০২৬ সাফ ফুটবলের সূচি, ঢাকায় বাংলাদেশের মিশন দিল্লিতে নতুন হাইকমিশনার নিয়োগের প্রস্তাবে এখনো ভারতের সাড়া মেলেনি

সৌদির প্রধান পাইপলাইনে হুতি ড্রোন হামলা: বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা

সৃষ্টি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:১৮:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সৌদি আরবের লোহিত সাগরমুখী তেল রপ্তানির প্রধান পাইপলাইনে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই হামলার পর শুক্রবার থেকেই গুরুত্বপূর্ণ এই পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনটি বন্ধ রাখা হয়েছে। রিয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি বা মেরামতের সময়সীমা নিয়ে মুখ না খুললেও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের মতে, পাইপলাইনটি পুরোপুরি সচল করতে পাঁচ থেকে ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত সময় প্রয়োজন হতে পারে। তবে কর্তৃপক্ষ জরুরি ভিত্তিতে মেরামত কাজ চালিয়ে আংশিকভাবে সরবরাহ পুনরায় শুরুর চেষ্টা করছে। লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর হয়ে দেশটি প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করত, যা এখন বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়েছে। বর্তমানে ইয়ানবু বন্দরে মাত্র পাঁচ থেকে সাত দিনের তেল মজুত অবশিষ্ট আছে এবং মিশরের দুটি বন্দরের সরবরাহ দিয়ে আরও কয়েক দিন পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হতে পারে।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি ব্যবসায়ীরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, পাইপলাইনটি দ্রুত সচল না হলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ এক ধাক্কায় প্রায় চার শতাংশ হ্রাস পেতে পারে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন বিঘ্নিত হওয়ার পর থেকেই সৌদি আরব এই পাইপলাইনের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল ছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের তীব্র টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে, যা তেলের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে মূল্যস্ফীতি ও বন্ডের সুদহার কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট মাসেই সৌদি আরবের তেল সরবরাহ তিন দশকের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছিল। যুদ্ধের আগে মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রতিদিন প্রায় দুই কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ হলেও, বর্তমান অচলাবস্থার কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সেই প্রবাহ ৬০ থেকে ৯০ লাখ ব্যারেলে নেমে এসেছে। এছাড়া সামগ্রিকভাবে সৌদি আরবের দৈনিক তেল উৎপাদনও পূর্বের তুলনায় ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সৌদির প্রধান পাইপলাইনে হুতি ড্রোন হামলা: বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা

আপডেট সময় : ০২:১৮:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সৌদি আরবের লোহিত সাগরমুখী তেল রপ্তানির প্রধান পাইপলাইনে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই হামলার পর শুক্রবার থেকেই গুরুত্বপূর্ণ এই পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনটি বন্ধ রাখা হয়েছে। রিয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি বা মেরামতের সময়সীমা নিয়ে মুখ না খুললেও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের মতে, পাইপলাইনটি পুরোপুরি সচল করতে পাঁচ থেকে ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত সময় প্রয়োজন হতে পারে। তবে কর্তৃপক্ষ জরুরি ভিত্তিতে মেরামত কাজ চালিয়ে আংশিকভাবে সরবরাহ পুনরায় শুরুর চেষ্টা করছে। লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর হয়ে দেশটি প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করত, যা এখন বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়েছে। বর্তমানে ইয়ানবু বন্দরে মাত্র পাঁচ থেকে সাত দিনের তেল মজুত অবশিষ্ট আছে এবং মিশরের দুটি বন্দরের সরবরাহ দিয়ে আরও কয়েক দিন পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হতে পারে।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি ব্যবসায়ীরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, পাইপলাইনটি দ্রুত সচল না হলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ এক ধাক্কায় প্রায় চার শতাংশ হ্রাস পেতে পারে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন বিঘ্নিত হওয়ার পর থেকেই সৌদি আরব এই পাইপলাইনের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল ছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের তীব্র টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে, যা তেলের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে মূল্যস্ফীতি ও বন্ডের সুদহার কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট মাসেই সৌদি আরবের তেল সরবরাহ তিন দশকের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছিল। যুদ্ধের আগে মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রতিদিন প্রায় দুই কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ হলেও, বর্তমান অচলাবস্থার কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সেই প্রবাহ ৬০ থেকে ৯০ লাখ ব্যারেলে নেমে এসেছে। এছাড়া সামগ্রিকভাবে সৌদি আরবের দৈনিক তেল উৎপাদনও পূর্বের তুলনায় ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে।

Facebook Comments Box