বর্ষার রূপের ছটায় সেজেছে রাঙ্গামাটির সুবলং ঝরনা, পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
বর্ষার রূপের ছটায় সেজেছে রাঙ্গামাটির সুবলং ঝরনা, পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দুই সপ্তাহ মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে না-ফেরার দেশে প্রভাষক লিটন ডোমারে দুই প্রতিবন্ধী সন্তান‌ নিয়ে হাসিনার মানবেতর জীবন যাপন গ্রীষ্মের দাবদাহে কাতারে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সামুদ্রিক ভ্রমণ ও ওয়াটার স্পোর্টস শাহজালাল মাজারে দানবাক্স ও ডেগের টাকা গণনার সময় শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনায় চিঠি বর্ষার রূপের ছটায় সেজেছে রাঙ্গামাটির সুবলং ঝরনা, পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় যুক্তরাষ্ট্রে নতুন রাষ্ট্রদূত নিয়োগে হিমশিম খাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি সৈয়দপুরে ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াডের জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত খালেদা জিয়ার ত্যাগ ও আদর্শই বিএনপির পথচলার প্রেরণা: মির্জা ফখরুল ঝিনাইদহে নিখোঁজের চার দিন পর ট্রাক হেলপারের উদ্ধার হওয়া নিয়ে তদন্ত শুরু বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে রুহুল কবির রিজভীসহ চার নতুন সদস্য

বর্ষার রূপের ছটায় সেজেছে রাঙ্গামাটির সুবলং ঝরনা, পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়

সৃষ্টি বিনোদন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬

 

বর্ষার রূপের ছটায় সেজেছে রাঙ্গামাটির সুবলং ঝরনা, পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়

 

শ্রাবণের বর্ষণমুখর দিনে রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলার শিলার ডাক এলাকায় অবস্থিত সুবলং ঝরনাটি নতুন রূপে সেজেছে। পাহাড়ের বুক চিরে নেমে আসা এই ঝরনাটি ভ্রমণপিপাসুদের কাছে এক অনন্য আকর্ষণের নাম। প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো পর্যটক এর অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে আসেন।

কয়েক দশক ধরে পরিচিত এই ঝরনাটি বর্ষাকালে তার পূর্ণ যৌবন ফিরে পায়। এ সময় প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু থেকে জলধারা নিচে আছড়ে পড়ে, যা এক অপূর্ব সুরের মূর্ছনা তৈরি করে। পর্যটকদের সুবিধার্থে বরকল উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝরনা এলাকায় প্রয়োজনীয় কিছু স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। রাঙ্গামাটি সদর থেকে সুবলংয়ের দূরত্ব মাত্র ২৫ কিলোমিটার। কাপ্তাই হ্রদের শান্ত জলরাশি পাড়ি দিয়ে নৌকায় করে সেখানে পৌঁছাতে হয়, যা পর্যটকদের বাড়তি আনন্দ দেয়।

 

পড়ুন>>যুক্তরাষ্ট্রে নতুন রাষ্ট্রদূত নিয়োগে হিমশিম খাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি

সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ইঞ্জিনচালিত বোটে পর্যটকদের আনাগোনা। কেউ পরিবার নিয়ে, কেউবা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন। কেউ সেলফি তুলছেন, কেউ আবার ড্রোন দিয়ে ঝরনার দৃশ্য ধারণ করছেন। পর্যটকদের মতে, এই প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করা সবার নৈতিক দায়িত্ব। তাই জায়গাটি পরিষ্কার রাখা এবং গাছপালা নষ্ট না করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

চট্টগ্রাম থেকে আসা পর্যটক মিলি জাহান জানান, বাস্তবে ঝরনার সৌন্দর্য টিভি বা ফেসবুকের চেয়েও কয়েক গুণ বেশি। তিনি পাহাড় ও ঝরনার এই মেলবন্ধনকে ছবির ফ্রেমের সঙ্গে তুলনা করেছেন। রাঙ্গামাটি শহর থেকে আসা মৌসুমী বণিক জানান, প্রকৃতির এমন রূপ দেখে তিনি মুগ্ধ। এছাড়া আব্দুল সায়েম নামে আরেক পর্যটক জানান, এই মনোরম পরিবেশ মানুষের মনের ক্লান্তি দূর করে প্রকৃতির সঙ্গে আত্মিক সংযোগ তৈরি করে দেয়।

 

পড়ুন>>সৈয়দপুরে ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াডের জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

ঝরনা দেখা শেষে পর্যটকরা হ্রদের তীরে গড়ে ওঠা বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় পাহাড়ি খাবারের স্বাদ নিতে পারেন। যান্ত্রিক জীবনের একঘেয়েমি কাটাতে সুবলং ঝরনা হতে পারে এক আদর্শ গন্তব্য। উল্লেখ্য, বরকল উপজেলায় সুবলং ছাড়াও আরও আটটি ছোট-বড় ঝরনা রয়েছে। পর্যটকরা রাঙ্গামাটি শহরের পর্যটন, রির্জাভবাজার, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও ফিসারী ঘাট থেকে নৌকা বা স্পিডবোট ভাড়া করে সুবলং ঝরনায় যাতায়াত করতে পারেন।

পর্যটকরা জানান, এই সুন্দর জায়গাগুলো টিকে থাকুক।

এই ঝরনার নির্মল জলধারা পর্যটকদের হৃদয়ে এক ভিন্ন অনুভূতির কাঁপন তোলে।

বোটযোগে কাপ্তাই হ্রদ মাড়িয়ে তবেই সেই কাঙ্খিত সুবলং ঝরনা পৌছাতে হবে। যাত্রাযোগে হ্রদের অপার সৌন্দর্য শান্তির পরশ বিলিয়ে দিবে পর্যটকদের।

কেউ পরিবার নিয়ে এসেছেন, কেউ বন্ধুবান্ধব মিলে। কারো হাতে সেলফি স্টিক, কেউ ড্রোন উড়াচ্ছেন, কেউ আবার পাহাড়ি খাদ্য আস্বাদন করছেন ঝরনার পাশে বসে।ঝরনার পানি যেভাবে নেমে আসছে, আর পাশের সবুজ পাহাড় মনে হলো যেন ছবির ফ্রেমে বন্দি হয়ে গেছি। ঝরনার অঝর ধারা দেখে মনটা জুড়িয়ে গেছে।

প্রকৃতির এমন অপার সৌন্দর্য এতদিন কেন দেখি নাই নিজেকেই প্রশ্ন করেছি।

বন্ধুদের বলবো জীবনে একবার হলেও এখানে ঘুরে আসা উচিত। ঝরনা দেখে ফেরার পথে ভুঁড়ি ভোজনের কাজটি শেষ করতে পারেন হ্রদের কিনারায় গড়ে উঠা পাহাড়ি সুস্বাদু খাবারের সমারোহ যেকোনো রেঁস্তোরায়। যে ঝরনার সৌন্দর্য দেখে পর্যটকদের যেমন চোখ জুড়াবে তেমনি অবস্বাদ দূর করে দিবে এক নিমিষে। ডে/বা

 

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!