পীরগাছায় কাঁচা মরিচের ডাবল সেঞ্চুরি  : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
পীরগাছায় কাঁচা মরিচের ডাবল সেঞ্চুরি  : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিএবিএটি বাংলাদেশের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাখাবের বেনিদজে রাণীশংকৈলে ১২৬ অস্বচ্ছল নারীকে সেলাই মেশিন বিতরণ কাউনিয়ায় কৃষি জমির জলাবদ্ধতা নিরসনে সেতুর মুখে আটকে থাকা কচুরিপানা অপসারণ করলো বিএনপির নেতা-কর্মীরা  বড় আলেম বানানোর স্বপ্ন পূরণ হয়নি জুলাই শহীদ নাসিরের বাবা-মায়ের  ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে কুড়িগ্রাম জেলার সীমান্তে ভারতীয় স্বর্ণকাতান শাড়ী ও গাঁজা এবং ইস্কাপ সিরাপ জব্দ মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসা সাংবাদিক আবুল হাসনাত তুহিন: ৪ আগস্টের সেই রক্তাক্ত স্মৃতি, আজও স্বীকৃতির অপেক্ষায় নওগাঁয় রাতে সিয়াম ফল ভান্ডারের মালিককে মারধোর করে টাকা চুরির অভিযোগ চিলাহাটিতে অটিজম ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের নাম ব্যবহার করে নতুন আরেকটি বিদ্যালয় চালু করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন এইচএসসি উত্তরপত্রে শিক্ষার্থীদের দিয়ে কাজ করানোর ভিডিও ভাইরাল সৈয়দপুরে উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ

পীরগাছায় কাঁচা মরিচের ডাবল সেঞ্চুরি 

সৃষ্টি নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : শনিবার, ১৫ জুন, ২০২৪
পীরগাছায় কাঁচা মরিচের ডাবল সেঞ্চুরি 

পীরগাছায় কাঁচা মরিচের ডাবল সেঞ্চুরি

রংপুরের পীরগাছায় খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচ ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়।

শনিবার (১৫ জুন) সকালে পীরগাছার পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

খুচরা বিক্রেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, দুদিন আগেও ১৬০-১৭০ টাকা কেজি দরে মরিচ বিক্রি করেছি। আজ পাইকারি কিনতে হয়েছে ১৮০ টাকা দরে। কেনা বেশি পড়ছে তাই বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে। তবে মানুষ আগের চেয়ে কম পরিমাণে মরিচ কিনছে। শুকনো মরিচ বেশি বিক্রি হচ্ছে।

পাইকারি বিক্রেতা আব্দুস সালাম বলেন, বৃষ্টির কারণে মরিচের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ফুল ঝরে যাওয়ায় ফলন কম হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মরিচ স্থানীয় চাহিদা না মিটিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে যাচ্ছে। ফলে স্থানীয় বাজারে সরবরাহ কম থাকায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আজ হঠাৎ করে ঝড়বৃষ্টি হওয়ায় মরিচের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। গতকালও ১৫০ টাকা দরে মরিচ বিক্রি করেছি। আজ বিক্রি করতে হচ্ছে ১৮০ টাকা দরে।

অনন্তরাম গ্রামের ক্রেতা মোন্নাফ আলী বলেন, কাঁচা মরিচের এত বেশি যে আমাদের মতো গরিব মানুষের পক্ষে এখন কাঁচা মরিচ খাওয়ার উপায় নাই, শুকনো মরিচ খেতে হবে। এটার দামও বেশি। বাজারে সবকিছুর দাম বেশি। আমরা গরিব মানুষ কীভাবে এত দামে কিনে খাব।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, এই উপজেলায় ৭০ হেক্টর জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছে। এবার প্রচণ্ড খরা, তাপপ্রবাহ ও অনাবৃষ্টির কারণে মরিচের উৎপাদন কিছুটা ব্যাহত হয়েছে।

আবার কয়েক দিনের বৃষ্টিতেও উৎপাদনে প্রভাব পড়েছে। বৃষ্টির কারণে গাছের ফুল ঝরে যাচ্ছে। এ জন্য বাজারে তার প্রভাব পড়েছে। তথ‍্য সুত্র ও ছবি

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!