‘কলিজা টানি ছিঁড়ি ফেলবো, চেনো বিএনপিক’ -রাজারহাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আনিছুর রহমান
- আপডেট সময় : ১০:১২:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫ ১৯০ বার পড়া হয়েছে
‘কলিজা টানি ছিঁড়ি ফেলবো, চেনো বিএনপিক’
-রাজারহাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আনিছুর রহমান
‘কলিজা টানি ছিঁড়ি ফেলবো-একবারে টানি ছিঁড়ি ফেলবো তোমার, চেনো তুমি-এ চেনো! খুব পাওয়ার দেখাও, একবারে নিশ্চিহ্ন করে দেবো তোমাক, চেনো বিএনপিকে? তোমার নামে আমি মামলা দেবো। আমি থানায় যায়া ওখানে লিখবো, উয়াক অ্যারেস্ট করি দিয়ো তারপরে আমি আসবো।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আনিছুর রহমানের এসব কথার ৫২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
বুধবার (৩০ এপ্রিল) সকাল থেকে ছড়িয়ে পড়া এই ভিডিও নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। স্কুলের কমিটি গঠন নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে রাজারহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উপজেলা বায়তুলমাল সম্পাদক রুবেল মিয়াকে উদ্দেশ্য করে তিনি এসব কথা বলেন বলে জানা গেছে।
রুবেল মিয়া বলেন, গত মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে চান্দামারী দ্বি-মুখি উচ্চ বিদ্যালয়ে কমিটি নিয়ে অভিভাবক সমাবেশে বিদ্যালয়ের কমিটির সভাপতি পদের জন্য নাম চাওয়া হয়। এ সময় রাজারহাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আনিছুর রহমান নাম প্রস্তাব করেন- রাজারহাট উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রুশো চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক বাদশা মিয়ার ছোট ভাই শাহ আলম মাস্টার ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াজেদ আলীর স্ত্রী রহিমা বেগমের।
পড়ুন>> ইউপির সচিবের কক্ষে আগুন: তদন্তের কাগজপত্র পুড়ে ছাই
তিনি বলেন, ‘সভাপতির জন্য ওই তালিকার বিপরীতে আমিও রাজারহাট উপজেলা জামায়েতের সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট আহমদ আলীর নাম প্রস্তাব করলে সেখানে বাকবিতণ্ডা হয়। এ নিয়ে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজারহাট বাজারের থানা মোড়ে আনিছুর রহমানের নেতৃত্বে কয়েকজন আমার পথরোধ করে পাশের একটি ফার্মেসিতে নিয়ে যায়। সেখানে আমাকে চড়, থাপ্পড় মারে। এছাড়াও তারা আমাকে লাঞ্ছিত ও গালিগালাজ করে। বিষয়টি আমি দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দকে জানিয়েছি। নিরাপত্তাজনিত কারণে থানায় অভিযোগ করিনি।’
ভিডিও প্রসঙ্গে রাজারহাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আনিছুর রহমান বলেন, ‘রুবেল মিয়া শিবির করে। সে বিএনপিকে নিয়ে ফেসবুকে মিথ্যা কথা ছড়িয়ে দিয়েছিল।
এ বিষয়ে তাকে বলা হলে সে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চায়। পরে তাকে নিয়ে ছাত্রদল ও যুবদলের ছেলেরা চা-নাস্তা করে। সুন্দরভাবে তারা সেখান থেকে বিদায় নিয়ে চলে যায়। কিন্তু সে ওই ঘটনার পুরো ভিডিও না দিয়ে শুধুমাত্র আমার কথার অংশটুকু অন্য একজনের ফেসবুক থেকে ছড়িয়ে দিয়েছে।’


























