ঢাকা ০৬:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারত বাংলাদেশ-নেপালের চেয়ে খারাপ হতে পারে: মন্ত্রী ইরফান আনসারি চাঁদপুরে ৩৬ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের ঘটনা রমজানের আগেই রাজধানীর বাজারে ছোলার দামে বড় ঝাঁকুনি শর্টকাট পথে অর্থ উপার্জনে ভালো আইনজীবী হওয়া সম্ভব নয়: আইনমন্ত্রী ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নিরসনে ট্রাম্পের সঙ্গে কাতারের আমিরের ফোনালাপ মরিশাসে কাচের বাক্স চাপায় প্রাণ গেল তিন বাংলাদেশির চ্যাটজিপিটির ফিন্যান্স টুলে যুক্ত হলো ভয়েস সুবিধা মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা, নিষেধাজ্ঞা নামমাত্র ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে নতুন ইতিহাস হাসান মাহমুদের সিলেট টেস্ট: ৩৫৬ রানে অলআউট ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ওপেনিংয়ে নাঈম

আতংকে নয়, পুজায় অংশ নিতে সীমান্ত পার হয়েছিলেন ৭ সনাতন ধর্মালম্বী

সাইয়‍্যেদ বাবু ব‍্যুরো প্রধান
  • আপডেট সময় : ০২:৩১:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অগাস্ট ২০২৪ ১৯৬ বার পড়া হয়েছে

আতংকে নয়, পুজায় অংশ নিতে সীমান্ত পার হয়েছিলেন ৭ সনাতন ধর্মালম্বী

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আতংকে নয়, পুজায় অংশ নিতে সীমান্ত পার হয়েছিলেন ৭ সনাতন ধর্মালম্বী

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ৭ সনাতন ধর্মলম্বী আতংকে নয়, পুঁজোয় অংশ নিতে সীমান্ত পার হয়ে ভারতের অভ্যন্তরে আত্বীয়র বাড়িতে যান। এসময় সেখানে বিএসএফ’র হাতে আটক হন তারা। পরে বিএসএফ আটককৃতদের বিজিবির নিকট হস্তান্তর করে।

ঘটনাটি ঘটেছে ১০ আগষ্ট শনিবার সকালে জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার কেদার ইউনিয়নের সিপেরহাট সীমান্তে।

বিজিবি সুত্রে জানা যায়, সকাল ১০ নয়টার দিকে কেদার ইউনিয়নের টেপার কুটি গ্রামের ধর্মেস্বর বিশ্বাসের ছেলে নিখিল চন্দ্র বিশ্বাস (৫০), ভারত চন্দ্র রায়ের ছেলে মানিক চন্দ্র রায় (৪৫), সন্তোস চন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে মনমোহন চন্দ্র বিশ্বাস (৪৬), সুবল চন্দ্র বিশ্বাস (৪০), দয়া বিশ্বাস (৩৫) ও একই ইউনিয়নের ঢলুয়াবাড়ি গ্রামের অমল বিশ্বাসের ছেলে নিপুল বিশ্বাস(৩৬), বিপুল বিশ্বাস (৩২) শনিবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে কেদার সীমান্তের শিপের হাট এলাকা দিয়ে ভারতের আসাম রাজ্যের ধুবরী জেলার গোলোকগঞ্জ থানার কাটাতারের বাইরে থাকা ভোগডাঙ্গা গ্রামে প্রবেশ করে।

এ সময় ভারতের কেদার আড্ডা বিওপির বিএসএফ সদস্যরা তাদেরকে আটক করে। পরে তাদেরকে বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে।

এদিকে তাদের আটকের খবর মূহুর্তের মধ্যে বাংলাদেশের অভন্তরে ছড়িয়ে পড়ে। চাউড় হতে থাকে আতংকে ওই ৭জন ভারতে আশ্রয় নিয়েছে।

ফিরে আসা নিখিল চন্দ্র জানান, সকালে ৭ জন মিলে ভাসান পুজোয় অংশ নিতে ভারতের ভোগডাঙ্গায় যান তারা। এর মধ্যে মানিক চন্দ্র রায় একজন ঢোল বাদক।

পুঁজো শেষে ওখানকার মেম্বারের বাড়িতে বেড়াতে যান তারা। এসময় তাদেরকে বিএসএফ আটক করে। পরে বিকালে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। বিজিবি তাদের বাড়িতে এনে পৌছে দেয়। আতংকে দেশ ছাড়ার কথা সত্য নয়। এরকম কোন ঘটনা আমাদের গ্রামে ঘটে নাই। আমরা শান্তি পূর্ণভাবে বসবাস করছি।

কুড়িগ্রাম ২২ বিজিবির কেদার কম্পানির নায়েব সুবেদার আব্দুল খালেক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে বিএসএফ’র হাতে আটক ৭জনকে ছাড়িয়ে আনা হয়েছে।

তাদেরকে জিঙ্গাসাবাদ করে জানা গেছে, আতংকে নয় সীমআন্তের ওপারে আত্বীয়র বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলো তারা। পরে তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আতংকে নয়, পুজায় অংশ নিতে সীমান্ত পার হয়েছিলেন ৭ সনাতন ধর্মালম্বী

আপডেট সময় : ০২:৩১:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অগাস্ট ২০২৪

আতংকে নয়, পুজায় অংশ নিতে সীমান্ত পার হয়েছিলেন ৭ সনাতন ধর্মালম্বী

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ৭ সনাতন ধর্মলম্বী আতংকে নয়, পুঁজোয় অংশ নিতে সীমান্ত পার হয়ে ভারতের অভ্যন্তরে আত্বীয়র বাড়িতে যান। এসময় সেখানে বিএসএফ’র হাতে আটক হন তারা। পরে বিএসএফ আটককৃতদের বিজিবির নিকট হস্তান্তর করে।

ঘটনাটি ঘটেছে ১০ আগষ্ট শনিবার সকালে জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার কেদার ইউনিয়নের সিপেরহাট সীমান্তে।

বিজিবি সুত্রে জানা যায়, সকাল ১০ নয়টার দিকে কেদার ইউনিয়নের টেপার কুটি গ্রামের ধর্মেস্বর বিশ্বাসের ছেলে নিখিল চন্দ্র বিশ্বাস (৫০), ভারত চন্দ্র রায়ের ছেলে মানিক চন্দ্র রায় (৪৫), সন্তোস চন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে মনমোহন চন্দ্র বিশ্বাস (৪৬), সুবল চন্দ্র বিশ্বাস (৪০), দয়া বিশ্বাস (৩৫) ও একই ইউনিয়নের ঢলুয়াবাড়ি গ্রামের অমল বিশ্বাসের ছেলে নিপুল বিশ্বাস(৩৬), বিপুল বিশ্বাস (৩২) শনিবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে কেদার সীমান্তের শিপের হাট এলাকা দিয়ে ভারতের আসাম রাজ্যের ধুবরী জেলার গোলোকগঞ্জ থানার কাটাতারের বাইরে থাকা ভোগডাঙ্গা গ্রামে প্রবেশ করে।

এ সময় ভারতের কেদার আড্ডা বিওপির বিএসএফ সদস্যরা তাদেরকে আটক করে। পরে তাদেরকে বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে।

এদিকে তাদের আটকের খবর মূহুর্তের মধ্যে বাংলাদেশের অভন্তরে ছড়িয়ে পড়ে। চাউড় হতে থাকে আতংকে ওই ৭জন ভারতে আশ্রয় নিয়েছে।

ফিরে আসা নিখিল চন্দ্র জানান, সকালে ৭ জন মিলে ভাসান পুজোয় অংশ নিতে ভারতের ভোগডাঙ্গায় যান তারা। এর মধ্যে মানিক চন্দ্র রায় একজন ঢোল বাদক।

পুঁজো শেষে ওখানকার মেম্বারের বাড়িতে বেড়াতে যান তারা। এসময় তাদেরকে বিএসএফ আটক করে। পরে বিকালে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। বিজিবি তাদের বাড়িতে এনে পৌছে দেয়। আতংকে দেশ ছাড়ার কথা সত্য নয়। এরকম কোন ঘটনা আমাদের গ্রামে ঘটে নাই। আমরা শান্তি পূর্ণভাবে বসবাস করছি।

কুড়িগ্রাম ২২ বিজিবির কেদার কম্পানির নায়েব সুবেদার আব্দুল খালেক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে বিএসএফ’র হাতে আটক ৭জনকে ছাড়িয়ে আনা হয়েছে।

তাদেরকে জিঙ্গাসাবাদ করে জানা গেছে, আতংকে নয় সীমআন্তের ওপারে আত্বীয়র বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলো তারা। পরে তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

Facebook Comments Box