ঢাকা ০৪:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

সাংবাদিককে হুমকি দিয়ে হাত জোড় করে মিমাংসার প্রস্তাব হিরো আলমের

নাটোর থেকে বেল্লাল হোসেন বাবু
  • আপডেট সময় : ১০:৩৫:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অক্টোবর ২০২২ ১৯৮ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বগুড়ায় এক সাংবাদিককে হুমকি দিয়ে বিপাকে পড়ে থানায় হাজিরা দিতে এসে হাত জোড় করে মিমাংসার প্রস্তাব দিলেন আলোচিত ও সমালোচিত আশরাফুল আলম সাঈদ ওরফে হিরো আলম। তিনি জেলার নন্দীগ্রাম থানায় গিয়ে হাজিরা দিয়েছেন। জিডির তদন্তের স্বার্থে তাকে থানায় ডাকা হয়। এসময় হাত জোড় করে মিমাংসার প্রস্তাব দেন তিনি।

সংবাদ প্রকাশের জেরে স্থানীয় সংবাদকর্মী এমদাদুল হককে হুমকির দেন।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক  জিডি করেন। তদন্তের স্বার্থে বুধবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে থানায় হাজির হন হিরো আলম।

এসময় থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন, পৌরসভার মেয়র উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আনিছুর রহমান, নন্দীগ্রাম উপজেলা প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক নজরুল ইসলাম দয়া, থানার উপ-পরিদর্শক বিকাশ চক্রবর্ত্তী, জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা এটিএম রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম জুয়েল, আব্দুল আহাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।

সকলের উপস্থিতিতে জিডির বিষয়ে মিমাংসার প্রস্তাব দেন হিরো আলম। এসময় থানার ওসি তাকে বলেন, জিডি আদালতে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের জন্য আপনাকে থানায় ডাকা হয়েছে, মিমাংসার জন্য না।

জানা গেছে, হিরো আলম ও তার সাবেক দ্বিতীয় স্ত্রী নুসরাত জাহান জিমুকে নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করেন সাংবাদিক এমদাদুল। গত ২৭ জুলাই ওই সাংবাদিককে মুঠোফোনে হুমকি দেন হিরো আলম। হুমকির একটি কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ৩০ জুলাই নন্দীগ্রাম থানায় জিডি করেন সাংবাদিক।

থানায় এসে হিরো আলম সাংবাদিকদের বলেন, সাংবাদিকরা যা ইচ্ছে তাই করবে নাকি? আমার মন্তব্য না নিয়েই সংবাদ প্রকাশ করেছে। বকাবকি করে কি অন্যায় করেছি? আমার ফোন নম্বর ফেসবুকে দিয়ে সাংবাদিকরা কি অপরাধ করেনি?

জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা এটিএম রফিকুল ইসলাম বলেন, মিমাংসা করতে ডাকা হয়নি। সাংবাদিকের জিডির বিষয়ে তদন্তের স্বার্থে হিরো আলমকে থানায় ডেকেছি।

জিডির বাদী সাংবাদিক এমদাদুল হক বলেন, আমি জিডি করেছি, যা হবার আদালতে হবে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সাংবাদিককে হুমকি দিয়ে হাত জোড় করে মিমাংসার প্রস্তাব হিরো আলমের

আপডেট সময় : ১০:৩৫:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অক্টোবর ২০২২

বগুড়ায় এক সাংবাদিককে হুমকি দিয়ে বিপাকে পড়ে থানায় হাজিরা দিতে এসে হাত জোড় করে মিমাংসার প্রস্তাব দিলেন আলোচিত ও সমালোচিত আশরাফুল আলম সাঈদ ওরফে হিরো আলম। তিনি জেলার নন্দীগ্রাম থানায় গিয়ে হাজিরা দিয়েছেন। জিডির তদন্তের স্বার্থে তাকে থানায় ডাকা হয়। এসময় হাত জোড় করে মিমাংসার প্রস্তাব দেন তিনি।

সংবাদ প্রকাশের জেরে স্থানীয় সংবাদকর্মী এমদাদুল হককে হুমকির দেন।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক  জিডি করেন। তদন্তের স্বার্থে বুধবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে থানায় হাজির হন হিরো আলম।

এসময় থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন, পৌরসভার মেয়র উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আনিছুর রহমান, নন্দীগ্রাম উপজেলা প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক নজরুল ইসলাম দয়া, থানার উপ-পরিদর্শক বিকাশ চক্রবর্ত্তী, জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা এটিএম রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম জুয়েল, আব্দুল আহাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।

সকলের উপস্থিতিতে জিডির বিষয়ে মিমাংসার প্রস্তাব দেন হিরো আলম। এসময় থানার ওসি তাকে বলেন, জিডি আদালতে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের জন্য আপনাকে থানায় ডাকা হয়েছে, মিমাংসার জন্য না।

জানা গেছে, হিরো আলম ও তার সাবেক দ্বিতীয় স্ত্রী নুসরাত জাহান জিমুকে নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করেন সাংবাদিক এমদাদুল। গত ২৭ জুলাই ওই সাংবাদিককে মুঠোফোনে হুমকি দেন হিরো আলম। হুমকির একটি কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ৩০ জুলাই নন্দীগ্রাম থানায় জিডি করেন সাংবাদিক।

থানায় এসে হিরো আলম সাংবাদিকদের বলেন, সাংবাদিকরা যা ইচ্ছে তাই করবে নাকি? আমার মন্তব্য না নিয়েই সংবাদ প্রকাশ করেছে। বকাবকি করে কি অন্যায় করেছি? আমার ফোন নম্বর ফেসবুকে দিয়ে সাংবাদিকরা কি অপরাধ করেনি?

জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা এটিএম রফিকুল ইসলাম বলেন, মিমাংসা করতে ডাকা হয়নি। সাংবাদিকের জিডির বিষয়ে তদন্তের স্বার্থে হিরো আলমকে থানায় ডেকেছি।

জিডির বাদী সাংবাদিক এমদাদুল হক বলেন, আমি জিডি করেছি, যা হবার আদালতে হবে।

Facebook Comments Box