ঢাকা ০৩:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

বরিশালে নাতির লাথিতে প্রাণ গেল নানির

বরিশাল প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৮:১২:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬ ৬০ বার পড়া হয়েছে

বাবুগঞ্জ উপজেলা ম‍্যাপ

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

 

বরিশালে নাতির লাথিতে প্রাণ গেল নানির

 

 

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় হাঁস নিয়ে তুচ্ছ বিরোধের জেরে নাতির লাথিতে ইয়ারুন নেসা (৬০) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

 

এর আগে একই দিন বিকেলে উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের পূর্ব ভূতেরদিয়া গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডের রূপচাঁদ মাঝির বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইয়ারুন নেসা পূর্ব ভূতেরদিয়া গ্রামের বাসিন্দা রূপচাঁদ মাঝির স্ত্রী।

পড়ুন>> ব্রিটেনে বিশ্বনাথের ইছমাইল উদ্দিনের ব্যাচেলর ডিগ্রী অর্জন

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইয়ারুন নেসা ও তার নাতি মো. মেহেদী হাসানের পরিবারের পৃথক দুটি হাঁস ছিল। বিকেলে মেহেদী হাসান নিজের হাঁস খুঁজে না পেয়ে নানির হাঁসটিকে নিজের দাবি করে নিয়ে যেতে চান। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে ইয়ারুন নেসা হাতে থাকা একটি লাঠি দিয়ে নাতিকে আঘাত করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মেহেদী হাসান নানিকে লাথি মারলে তিনি মাটিতে পড়ে গুরুতর আহত হন।

তবে স্থানীয়দের আরেকটি বক্তব্য অনুযায়ী, মেহেদী হাসানের ধান নানির হাঁস খেয়ে ফেলায় তাদের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। পরে উত্তেজনার একপর্যায়ে নাতির লাথিতে ইয়ারুন নেসা অচেতন হয়ে পড়েন।

পড়ুন>>ভাইরাল তাজু ভাই এবার টাইমস টুডের মফস্বল সাংবাদিক

 

পরে স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

কেদারপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রোকনুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের বড় ছেলে সোহরাব মাঝি বলেন, “সামান্য একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে আমার মায়ের এমন পরিণতি হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”

বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান হাওলাদার বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বরিশালে নাতির লাথিতে প্রাণ গেল নানির

আপডেট সময় : ০৮:১২:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

 

 

 

বরিশালে নাতির লাথিতে প্রাণ গেল নানির

 

 

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় হাঁস নিয়ে তুচ্ছ বিরোধের জেরে নাতির লাথিতে ইয়ারুন নেসা (৬০) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

 

এর আগে একই দিন বিকেলে উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের পূর্ব ভূতেরদিয়া গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডের রূপচাঁদ মাঝির বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইয়ারুন নেসা পূর্ব ভূতেরদিয়া গ্রামের বাসিন্দা রূপচাঁদ মাঝির স্ত্রী।

পড়ুন>> ব্রিটেনে বিশ্বনাথের ইছমাইল উদ্দিনের ব্যাচেলর ডিগ্রী অর্জন

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইয়ারুন নেসা ও তার নাতি মো. মেহেদী হাসানের পরিবারের পৃথক দুটি হাঁস ছিল। বিকেলে মেহেদী হাসান নিজের হাঁস খুঁজে না পেয়ে নানির হাঁসটিকে নিজের দাবি করে নিয়ে যেতে চান। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে ইয়ারুন নেসা হাতে থাকা একটি লাঠি দিয়ে নাতিকে আঘাত করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মেহেদী হাসান নানিকে লাথি মারলে তিনি মাটিতে পড়ে গুরুতর আহত হন।

তবে স্থানীয়দের আরেকটি বক্তব্য অনুযায়ী, মেহেদী হাসানের ধান নানির হাঁস খেয়ে ফেলায় তাদের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। পরে উত্তেজনার একপর্যায়ে নাতির লাথিতে ইয়ারুন নেসা অচেতন হয়ে পড়েন।

পড়ুন>>ভাইরাল তাজু ভাই এবার টাইমস টুডের মফস্বল সাংবাদিক

 

পরে স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

কেদারপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রোকনুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের বড় ছেলে সোহরাব মাঝি বলেন, “সামান্য একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে আমার মায়ের এমন পরিণতি হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”

বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান হাওলাদার বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

Facebook Comments Box