ঢাকা ০৪:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

প্রবাসী আয় ও রিজার্ভে ভর করে শক্তিশালী বাংলাদেশের বৈদেশিক

সৃষ্টি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৩২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

প্রবাসী আয় ও রিজার্ভে ভর করে শক্তিশালী বাংলাদেশের বৈদেশিক

 

প্রবাসী আয় বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের উন্নতি এবং লেনদেন ভারসাম্যে উদ্বৃত্ত—এই তিন সূচকের ওপর ভর করে বাংলাদেশের বৈদেশিক খাতের অবস্থান ধারাবাহিকভাবে শক্তিশালী হচ্ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের সার্বিক লেনদেন ভারসাম্যের উদ্বৃত্ত আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে সার্বিক লেনদেন ভারসাম্যে ৬৬১ কোটি ডলার উদ্বৃত্ত অর্জিত হয়েছে, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ছিল ৩৩৯ কোটি ডলার।

পড়ুন>>বুটেক্সের হলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সতর্কতা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। গত আগস্ট মাসে প্রবাসীরা দেশে প্রায় ২৯৭ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন, যা আগের বছরের আগস্টের ২৪২ কোটি ডলারের তুলনায় প্রায় ২২ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।

 

 

এছাড়া চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) মোট প্রবাসী আয় এসেছে প্রায় ৫৮৩ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯ শতাংশ বেশি। এর আগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে রেকর্ড ৩ হাজার ৫৫৯ কোটি ডলার প্রবাসী আয় এসেছিল।

পড়ুন>>দুই মাসে ৮ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা বিদেশি ঋণ

জুলাইয়ের ২৮৬ কোটি ডলারের তুলনায় আগস্টে আয় বেড়েছে প্রায় ৩ দশমিক ৮ শতাংশ। আগের অর্থবছরে এ পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৩৩ কোটি ডলার। এক বছর আগে এ পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৬১৭ কোটি ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি বৈদেশিক খাতের জন্য বড় শক্তি। আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রবাসীদের আস্থা বাড়ার ফলেই এই সাফল্য এসেছে।

 

তিনি আরও জানান, বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে প্রবাসীদের উৎসাহ দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকার নিয়মিত বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। মার্চ থেকে আগস্ট—এই ছয় মাসে দেশে মোট ১ হাজার ৮৯৪ কোটি ডলার প্রবাসী আয় এসেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের ১ হাজার ৬৭৪ কোটি ডলারের তুলনায় ১৩ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।

রেমিট্যান্সের পাশাপাশি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও বড় উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। আগস্ট মাস শেষে মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৭৩৫ কোটি ডলার, যা জুলাই শেষে ছিল ৩ হাজার ৬৪২ কোটি ডলার। এক বছর আগে, ২০২৫ সালের আগস্টে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ১১৭ কোটি ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম৬ পদ্ধতি অনুযায়ী, আগস্ট শেষে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ২৪৪ কোটি ডলার; যেখানে গত এক বছরে এই পদ্ধতিতে রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ৬২৭ কোটি ডলার। আগস্ট শেষে এ হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ২৪৪ কোটি ডলার, জুলাই শেষে যা ছিল ৩ হাজার ১৫৮ কোটি ডলার।

আরও পড়ুন>>বাংলা কিউআর লেনদেন: ব্যর্থ পেমেন্টের টাকা ফিরবে ৩০ মিনিটে

বৈদেশিক মুদ্রার বাজার আগের তুলনায় এখন অনেক বেশি স্থিতিশীল। ২৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের লেনদেনভিত্তিক রেফারেন্স রেট অনুযায়ী প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২৩ টাকা ১৭ পয়সা, যা আগস্টের শেষে ছিল ১২৩ টাকা ২১ পয়সা। বৈদেশিক খাতের স্থিতিশীলতা আমদানিতেও গতি ফিরিয়ে এনেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আমদানি ব্যয় ১০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে, যেখানে আগের অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ২ দশমিক ৪৪ শতাংশ। বিশেষ করে মধ্যবর্তী পণ্যের আমদানি বেড়েছে ১৫ দশমিক ১৯ শতাংশ। বৈদেশিক খাতের উন্নত অবস্থান আমদানি ব্যয় ও বৈদেশিক দায় পরিশোধে বাড়তি সক্ষমতা দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া মনে করেন, শিল্পের কাঁচামাল ও মূলধনি যন্ত্রপাতির আমদানি বাড়লে তা দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির জন্য দীর্ঘমেয়াদী সুফল বয়ে আনবে। তার মতে, প্রবাসী আয় ও রিজার্ভ বৃদ্ধির ফলে বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার তারল্য বেড়েছে, যার ফলে ব্যাংকগুলোর ওপর ডলার সংগ্রহের চাপ আগের চেয়ে অনেক কমেছে। এই স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিনিময় হারের ভারসাম্য রক্ষা এবং বিদেশে কর্মসংস্থান বাড়ানোর ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন।

সার্বিক লেনদেন ভারসাম্যে ৬৬১ কোটি ডলার উদ্বৃত্ত থাকার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, বাণিজ্য ঘাটতি ও চলতি হিসাবে কিছুটা ঘাটতি থাকলেও আর্থিক হিসাবে প্রায় ৭৯০ কোটি ডলার উদ্বৃত্ত থাকায় সামগ্রিক ব্যালেন্স ইতিবাচক হয়েছে। এছাড়া মুদ্রানীতির কঠোর পদক্ষেপ এবং বাজারভিত্তিক বিনিময় হার ব্যবস্থাও বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।

পড়ে নিন>>শি জিনপিংকে মার্কিন অস্ত্র কেনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ট্রাম্প: রাষ্ট্রদূত

বাজার আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত আগস্ট মাসে ফরেন এক্সচেঞ্জ মার্কেট বা এফএক্সএম মডিউল চালু করেছে, যার মাধ্যমে সরাসরি আন্তব্যাংক লেনদেন ও মুদ্রাবাজারে নজরদারি করা হচ্ছে। পাশাপাশি অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের সুবিধা বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের প্রক্রিয়া আরও সহজ করার মাধ্যমে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স প্রবাহকে আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

 

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রবাসী আয় ও রিজার্ভে ভর করে শক্তিশালী বাংলাদেশের বৈদেশিক

আপডেট সময় : ০২:৩২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

প্রবাসী আয় ও রিজার্ভে ভর করে শক্তিশালী বাংলাদেশের বৈদেশিক

 

প্রবাসী আয় বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের উন্নতি এবং লেনদেন ভারসাম্যে উদ্বৃত্ত—এই তিন সূচকের ওপর ভর করে বাংলাদেশের বৈদেশিক খাতের অবস্থান ধারাবাহিকভাবে শক্তিশালী হচ্ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের সার্বিক লেনদেন ভারসাম্যের উদ্বৃত্ত আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে সার্বিক লেনদেন ভারসাম্যে ৬৬১ কোটি ডলার উদ্বৃত্ত অর্জিত হয়েছে, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ছিল ৩৩৯ কোটি ডলার।

পড়ুন>>বুটেক্সের হলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সতর্কতা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। গত আগস্ট মাসে প্রবাসীরা দেশে প্রায় ২৯৭ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন, যা আগের বছরের আগস্টের ২৪২ কোটি ডলারের তুলনায় প্রায় ২২ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।

 

 

এছাড়া চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) মোট প্রবাসী আয় এসেছে প্রায় ৫৮৩ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯ শতাংশ বেশি। এর আগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে রেকর্ড ৩ হাজার ৫৫৯ কোটি ডলার প্রবাসী আয় এসেছিল।

পড়ুন>>দুই মাসে ৮ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা বিদেশি ঋণ

জুলাইয়ের ২৮৬ কোটি ডলারের তুলনায় আগস্টে আয় বেড়েছে প্রায় ৩ দশমিক ৮ শতাংশ। আগের অর্থবছরে এ পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৩৩ কোটি ডলার। এক বছর আগে এ পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৬১৭ কোটি ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি বৈদেশিক খাতের জন্য বড় শক্তি। আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রবাসীদের আস্থা বাড়ার ফলেই এই সাফল্য এসেছে।

 

তিনি আরও জানান, বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে প্রবাসীদের উৎসাহ দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকার নিয়মিত বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। মার্চ থেকে আগস্ট—এই ছয় মাসে দেশে মোট ১ হাজার ৮৯৪ কোটি ডলার প্রবাসী আয় এসেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের ১ হাজার ৬৭৪ কোটি ডলারের তুলনায় ১৩ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।

রেমিট্যান্সের পাশাপাশি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও বড় উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। আগস্ট মাস শেষে মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৭৩৫ কোটি ডলার, যা জুলাই শেষে ছিল ৩ হাজার ৬৪২ কোটি ডলার। এক বছর আগে, ২০২৫ সালের আগস্টে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ১১৭ কোটি ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম৬ পদ্ধতি অনুযায়ী, আগস্ট শেষে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ২৪৪ কোটি ডলার; যেখানে গত এক বছরে এই পদ্ধতিতে রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ৬২৭ কোটি ডলার। আগস্ট শেষে এ হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ২৪৪ কোটি ডলার, জুলাই শেষে যা ছিল ৩ হাজার ১৫৮ কোটি ডলার।

আরও পড়ুন>>বাংলা কিউআর লেনদেন: ব্যর্থ পেমেন্টের টাকা ফিরবে ৩০ মিনিটে

বৈদেশিক মুদ্রার বাজার আগের তুলনায় এখন অনেক বেশি স্থিতিশীল। ২৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের লেনদেনভিত্তিক রেফারেন্স রেট অনুযায়ী প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২৩ টাকা ১৭ পয়সা, যা আগস্টের শেষে ছিল ১২৩ টাকা ২১ পয়সা। বৈদেশিক খাতের স্থিতিশীলতা আমদানিতেও গতি ফিরিয়ে এনেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আমদানি ব্যয় ১০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে, যেখানে আগের অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ২ দশমিক ৪৪ শতাংশ। বিশেষ করে মধ্যবর্তী পণ্যের আমদানি বেড়েছে ১৫ দশমিক ১৯ শতাংশ। বৈদেশিক খাতের উন্নত অবস্থান আমদানি ব্যয় ও বৈদেশিক দায় পরিশোধে বাড়তি সক্ষমতা দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া মনে করেন, শিল্পের কাঁচামাল ও মূলধনি যন্ত্রপাতির আমদানি বাড়লে তা দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির জন্য দীর্ঘমেয়াদী সুফল বয়ে আনবে। তার মতে, প্রবাসী আয় ও রিজার্ভ বৃদ্ধির ফলে বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার তারল্য বেড়েছে, যার ফলে ব্যাংকগুলোর ওপর ডলার সংগ্রহের চাপ আগের চেয়ে অনেক কমেছে। এই স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিনিময় হারের ভারসাম্য রক্ষা এবং বিদেশে কর্মসংস্থান বাড়ানোর ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন।

সার্বিক লেনদেন ভারসাম্যে ৬৬১ কোটি ডলার উদ্বৃত্ত থাকার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, বাণিজ্য ঘাটতি ও চলতি হিসাবে কিছুটা ঘাটতি থাকলেও আর্থিক হিসাবে প্রায় ৭৯০ কোটি ডলার উদ্বৃত্ত থাকায় সামগ্রিক ব্যালেন্স ইতিবাচক হয়েছে। এছাড়া মুদ্রানীতির কঠোর পদক্ষেপ এবং বাজারভিত্তিক বিনিময় হার ব্যবস্থাও বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।

পড়ে নিন>>শি জিনপিংকে মার্কিন অস্ত্র কেনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ট্রাম্প: রাষ্ট্রদূত

বাজার আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত আগস্ট মাসে ফরেন এক্সচেঞ্জ মার্কেট বা এফএক্সএম মডিউল চালু করেছে, যার মাধ্যমে সরাসরি আন্তব্যাংক লেনদেন ও মুদ্রাবাজারে নজরদারি করা হচ্ছে। পাশাপাশি অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের সুবিধা বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের প্রক্রিয়া আরও সহজ করার মাধ্যমে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স প্রবাহকে আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

 

 

 

Facebook Comments Box