বাংলা কিউআর লেনদেন: ব্যর্থ পেমেন্টের টাকা ফিরবে ৩০ মিনিটে
- আপডেট সময় : ১১:২০:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেনে জটিলতা কমাতে ব্যাংক, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এবং পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডারদের (পিএসপি) জন্য নতুন সময়সীমা ও নিয়ম বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে এই নিয়ম কার্যকর হবে। নতুন ব্যবস্থায় কোনো লেনদেন ব্যর্থ হলে বা গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেওয়া হলেও মার্চেন্ট সেই অর্থ না পেলে, ইস্যুয়িং ব্যাংক বা এমএফএস প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ ৩০ মিনিটের মধ্যে গ্রাহকের হিসাবে টাকা ফেরত দিতে হবে। এর জন্য গ্রাহককে কোনো অভিযোগ দায়ের করার প্রয়োজন পড়বে না। আদাবরে ভবন দখলচেষ্টা: দেড় বছরে দেড় কোটি টাকা আদায় করেছিল একই দখলদার গ্রুপ। অর্থাৎ, যে অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হয়। সব প্রতিষ্ঠানে অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া অভিন্ন করতেই এই কোডগুলো আনা হয়েছে। এতে গ্রাহকদের ম্যানুয়ালি অভিযোগ দায়ের করার প্রয়োজনীয়তা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান হিসেবে সাধারণত গ্রাহকের ব্যাংক বা এমএফএস অ্যাকাউন্টকে বোঝানো হয়, যার মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করা হয়। অন্যদিকে, মার্চেন্ট যে ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পেমেন্ট গ্রহণ করে, তাকে অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠান বলা হয়। যুক্তরাজ্যে মার্কিন বিমানঘাঁটির কাছে গ্রেপ্তার ৫, ট্রাম্পের প্রশংসা।
স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষ্পত্তি করা সম্ভব নয় এমন বিরোধের ক্ষেত্রে গ্রাহক লেনদেনের ৪৫ দিনের মধ্যে অভিযোগ জানাতে পারবেন। এক্ষেত্রে ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠানকে দুই কার্যদিবসের মধ্যে সেই অভিযোগ গ্রহণ বা বাতিল করতে হবে। সমাধান না হলে বিষয়টি ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশের (এনপিএসবি) সেন্ট্রালাইজড ডিসপুট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (ডিএমএস) মাধ্যমে ‘চার্জব্যাক’ প্রক্রিয়ায় চলে যাবে। বিশ্লেষণ / মধ্যপ্রাচ্যের তেল-গ্যাস বন্ধ হলে কোন পথে যাবে বিশ্ব। সংসার ও ক্যারিয়ারের সফলতার শুরুতেই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন ডা. আঁচল।
অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠানকে চার্জব্যাকের জবাব দেওয়ার জন্য সাত দিন সময় দেওয়া হবে। এরপরও অমীমাংসিত থাকলে বিষয়টি আরবিট্রেশন বা সালিশের মাধ্যমে ৩০ দিনের মধ্যে সমাধান করতে হবে। পণ্য না পাওয়া, ডাবল পেমেন্ট, ভুল বিলিং এবং গ্রাহকের টাকা কেটে নেওয়া হলেও মার্চেন্ট তা না পাওয়ার মতো সমস্যা সমাধানে আটটি নির্দিষ্ট ‘চার্জব্যাক রিজন কোড’ চালু করা হয়েছে।
নতুন এই ব্যবস্থায় ‘ট্রানজেকশন স্ট্যাটাস ইনকোয়ারি’র মাধ্যমে লেনদেনের সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা যাবে, যা ম্যানুয়াল অভিযোগের ভোগান্তি কমাবে।
ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতাদের ডিজিটাল পেমেন্টে উৎসাহিত করতে প্রণোদনার আওতা বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আগে কেবল তালিকাভুক্ত বিক্রেতারা এই সুবিধা পেলেও, এখন থেকে ট্রেড লাইসেন্সধারী যেসব মার্চেন্ট এনপিএসবি চ্যানেলে বাংলা কিউআর ব্যবহার করেন, তারাও এটি পাবেন।
নতুন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি লেনদেনের ক্ষেত্রে অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠান লেনদেন মূল্যের শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান শূন্য দশমিক ২০ শতাংশ হারে মাসিক নগদ প্রণোদনা পাবে। গতকাল এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
সূত্র: ডেইলি স্টার বাংলা
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























