নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যায় স্বজন হারালেন ব্যবসায়ী : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যায় স্বজন হারালেন ব্যবসায়ী : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতের কাছে প্রস্তাব ও ইন্টারপোলে রেড নোটিশের আবেদন বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগ আমলে না নিলে কঠোর ব্যবস্থা নেবে ইউজিসি চট্টগ্রামে রবির এলিট পার্টনার নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ: নতুন অংশীদার ও অ্যাওয়ার্ড প্রদান প্রেক্ষাপট: বিদ্যুৎ বিভাগের কোম্পানিগুলোর চাকরিবিধি সংশোধনে ১০ সদস্যের কমিটি গঠন তুরস্ক-কাতার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য এসএ টিভিতে আসছে জনপ্রিয় দুই ইসলামিক ধারাবাহিক ‘মুহাম্মদ (সা.)’ ও ‘ইউসুফ-জুলেখা গবেষণায় অনন্য অবদান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬২ শিক্ষক পেলেন বিশেষ সম্মাননা কড়াইল, সাততলা ও ভাসানটেকে আধুনিক আবাসন প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহী চীন ভূরুঙ্গামারীতে মানসিক স্বাস্থ্য ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষ থাকব: রাষ্ট্রপতি

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যায় স্বজন হারালেন ব্যবসায়ী

সৃষ্টি আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

 

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যায় স্বজন হারালেন ব্যবসায়ী

নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে কোনো ধরনের পূর্বাভাস ছাড়াই আঘাত হেনেছে প্রলয়ংকরী বন্যা। এই আকস্মিক দুর্যোগে নিজের চোখের সামনে স্ত্রী ও সন্তানকে হারিয়েছেন নুয়াকোটের ত্রিশূলী বাজারের এক কাপড় ব্যবসায়ী।

 

তিনি জানান, তিব্বত সীমান্তে নদীর বাঁধ ভেঙে গেছে—প্রশাসনের এমন সতর্কবার্তা পাওয়ার পরপরই দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তারা। কিন্তু পরিস্থিতি বুঝে ওঠার আগেই পানির প্রবল স্রোত সবকিছু ভাসিয়ে নিয়ে যায়।

পড়ুন>>টেস্ট ক্রিকেটের বৈষম্য দূর করতে ২৭ বছর আগের প্রস্তাব মনে করালেন স্টিভ ওয়াহ

ওই ব্যবসায়ী আরও জানান, সেদিন এলাকায় কোনো বৃষ্টিপাত ছিল না এবং সবাই দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ত ছিলেন। সতর্কবার্তা পাওয়ার পর নিরাপদ স্থানে সরার জন্য পর্যাপ্ত সময় মেলেনি। কাদা ও পানির বিশাল ঢেউ মুহূর্তের মধ্যে আছড়ে পড়ায় তার স্ত্রী ও তরুণ ছেলে স্রোতে ভেসে যান, যাদের কোনো সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি।

পড়ুন>>ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা প্রশমনে তেহরানে কাতারের প্রধানমন্ত্রী

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভোতে কোশি নদীর উপনদীতে হিমবাহ ধসে পানি আটকে যাওয়ার ফলেই এই ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে। রাসুয়া জেলার প্রধান শুল্ক কর্মকর্তা রাজেন্দ্র ধুঙ্গানা জানান, তিনি প্রায় ১০০ মিটার উঁচু ঢেউয়ের মতো পানি ধেয়ে আসতে দেখেছেন, যা চোখের পলকে একটি আস্ত বাজার ভাসিয়ে নিয়ে গেছে।

 

বর্তমানে নেপালের রাসুয়া, নুয়াকোট এবং ধাদিং জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা কয়েক মিটার গভীর কাদা ও পলির নিচে চাপা পড়ে আছে। শত শত ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় প্রিয়জন হারানো মানুষগুলো এখন কাদার স্তূপের মাঝে স্বজনদের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!