কাউনিয়ায় আলোর দিশারী পাঠাগারের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
- আপডেট সময় : ০৮:৫৭:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে
কাউনিয়ায় আলোর দিশারী পাঠাগারের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
জ্ঞানভিত্তিক ও আলোকিত সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে রংপুরের কাউনিয়ায় ‘আলোর দিশারী পাঠাগার’-এর দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে কবিতা আবৃত্তি, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও কেক কাটার আয়োজন করা হয়।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে কাউনিয়ার জিন্নাহ-চম্পা ফাউন্ডেশনে পাঠাগারটির আয়োজনে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পাঠাগারের সভাপতি ও বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আবু হাসান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক সরকার শামীম আল-মামুন সবুজ। সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সহযোগিতায় ছিলেন পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক ও কাউনিয়া মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক হুমায়ুন কবির তারা।
পড়ুন>>নওগাঁয় সড়কে ছিনতাই ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩
অনুষ্ঠানে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষ্যে কবিতা আবৃত্তি, আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন ড. মো. আবু সায়েম, মুখ্য প্রশিক্ষক ও ভারপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ, কৃষি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট, গাইবান্ধা এবং মো. শহিদার রহমান, শিক্ষক, সোনার বাংলা বিদ্যাপীঠ। এরপরে অতিথিবৃন্দ ও উপস্থিত সবার অংশগ্রহণে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটা হয়।
অনুষ্ঠানে পাঠাগারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে সভাপতি মো. আবু হাসান বলেন, “আমরা একটি কিডস্ বুক সেলফ চালু করব। পাশাপাশি দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে বিনামূল্যে কোচিংয়ের ব্যবস্থা করব। ইতোমধ্যে জাপানি ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম চালু করেছি।”
তিনি আরও বলেন, আমরা কাউনিয়ার মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। এখানকার তরুণ-তরুণীরা ভাষা শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলবে, চাকরি পাবে এবং ভবিষ্যতে মানুষের কল্যাণে কাজ করবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। বক্তারা বলেন, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা, শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং তরুণ প্রজন্মকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পাঠাগারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
কাউনিয়ার শিক্ষার উন্নয়ন ও সামাজিক অগ্রগতিতে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তাঁরা।পাঠাগারের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে জ্ঞানচর্চার আগ্রহ বাড়ানোর প্রত্যয় নিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
























