আগাম জাতের তরমুজ চাষ করে লাভবান হয়েছেন ভৈরবের ৪ কৃষক
- আপডেট সময় : ০৬:৫৬:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৩ ২৫৫ বার পড়া হয়েছে
আগাম জাতের তরমুজ চাষ করে লাভবান হয়েছেন ভৈরবের ৪ কৃষক।শৌখিন চাষি আবু কাউছার, সেলিম মিয়া ও রহমতুল্লাহ ভৈরবের মৌটুপী গ্রামের বাচ্চু মিয়া তারা এই ৪ জন মিলে জেলায় প্রথম আগাম জাতের তরমুজ চাষ করেন।
তারা ভৈরবের মেঘনা নদীর পাড় ঘেঁষা হাওর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের মৌটুপী গ্রামের মঞ্জুনগর এলাকায় ৩০ বিঘা জমিতে তরমুজের চাষ করেন।
“অসময়ে মাঠে দিগন্ত জোড়া তরমুজ দেখতে প্রতিদিনই শত শত দর্শনার্থী ভিড় করছেন তাদের তরমুজ ক্ষেতে”
তারা ভৈরবের মেঘনা নদীর পাড় ঘেঁষা হাওর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের মৌটুপী গ্রামের মঞ্জুনগর এলাকায় ৩০ বিঘা জমিতে তরমুজের চাষ করেন। তাদের সফলত দেখতে প্রতিদিনই শত শত দর্শনার্থী ভিড় করছেন।

এই বার প্রথম ঝুঁকি নিয়ে তারা ৩০ বিঘা জমিতে আগাম জাতের তরমুজ চাষ করেছেন। ভৈরবের উর্বর মাটি তরমুজের চাষের জন্য বেশ উপযোগী। তাই তারা প্রচন্ড ঝুঁকি নিয়ে চার কৃষক প্রথম বাবের মত আগাম তরমুজ চাষ করেন।
অসময়ে চাষ করলেও ফলন যথেষ্ট ভালো হয়েছে। এছাড়া বাজারে আগাম নতুন তরমুজ আসায় ক্রেতা চাহিদা প্রচুর । তাই বেশ ভালো দামে বিক্রি করতে পেরে তারা খুব খুশি।
সরেজমিনে দেখা যায়, কৃষকরা জমি থেকে তরমুজ তুলে বিক্রি করা শুরু করেছেন। তরমুজ গাছ থেকে কেটে একজায়গায় স্তূপ করে রাখছেন। বিভিন্ন স্থানের পাইকাররা জমিতে এসে তরমুজ কিনে পিকআপ ভ্যানে করে ভৈরব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করছেন।পাইকাররা জমিতে এসে তরমুজ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। তরমুজ ভালো দামে বিক্রি করতে পেরে লাভবান তারা।
তরমুজ চাষি সেলিম জানান , আমরা ৩০ বিঘা জমিতে তরমুজের চাষ করেছি। প্রথম দিকে ম্যাটান ব্ল্যাক টাইগার জাতের এবং বাকি জমিতে বাংলালিংক ড্রাগন জাতের তরমুজ গাছ চাষ করেছি। তরমুজ চাষে এখন পর্যন্ত ৮ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। আরো ৫০ হাজার টাকার খরচ হবে।
পাইকাররা জমিতে এসে তরমুজ নিয়ে যাচ্ছে। আশা করছি বাজারদর এমন থাকলে ১৫-২০ লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি করতে পারবো।
কৃষক আবু কাউছার বলেন, আবহাওয়া ভালো থাকায় তরমুজের ভালো ফলন হয়েছে। পাইকাররা জমি থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। এবছর লাভবান হলে আগামীতে আরো বেশি জমিতে তরমুজের চাষ করবো। আমাদের দেখাদেখি অনেক কৃষক তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়েছেন।
এখান থেকে তরমুজ ভৈরবের আড়তে চলে যায়। তারপর সেখান থেকে দেশের বিভিন্ন পাইকাররা নিয়ে বিক্রি করে থাকেন।
“ভৈরব উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আকলিমা বেগম বলেন, এবছরই প্রথমবার বাণিজ্যিকভাবে আগাম জাতের তরমুজের চাষ করা হয়েছে। তরমুজ একটি উচ্চফলনশীল ও লাভজনক ফসল হওয়ায় কৃষকরা এর চাষ করেন।”
আর এই তরমুজের চাহিদা থাকায় কৃষকরা তাদের উৎপাদিত তরমুজ বিক্রি করে লাভবান হতে পারেন।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ
























