ঢাকা ১০:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গ্যাস সরবরাহ সংকট: যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি আমদানির পথে কাতার দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ঘর ছাড়ছে দৌলতপুরের বানভাসি মানুষ সুন্দরগঞ্জে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তশিলদারের অনিয়মের বিরুদ্ধে ইউএনও ও জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দেশে ইলিশের ঘাটতি: প্রথমবারের মতো ভারত থেকে আমদানি রাণীশংকৈলে এসিল্যান্ডের বদলি ঠেকাতে রাজপথে জনতা মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা: সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান ব্রিকস নেতাদের পুলিশের পাঁচ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে নতুন কর্মস্থলে বদলি ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা ২৫ হাজার বছর আগেও মাদক হিসেবে সুপারির ব্যবহার ছিল, বলছে নতুন গবেষণা

শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় শীর্ষস্থান হারিয়ে ১০ নম্বরে যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০০৬ সালে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী পাসপোর্ট ছিল যুক্তরাষ্ট্রের। সেই সময়ে মার্কিন নাগরিকদের অবাধ চলাচলের স্বাধীনতা ছিল অতুলনীয়, যা কেবল ডেনমার্ক ও ফিনল্যান্ডের পাসপোর্টের সঙ্গেই তুলনা করা যেত। তবে দুই দশক পর সেই চিত্র সম্পূর্ণ বদলে গেছে। হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্সের ২০২৬ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্ট এখন শীর্ষস্থান থেকে ১০ম স্থানে নেমে এসেছে।

হেনলির সূচকের তথ্যমতে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা বিশ্বের ১৮০টি দেশে ভিসামুক্ত বা সহজ ভ্রমণ সুবিধা পেয়ে থাকেন। ২০০৬ সালে এই সংখ্যা ছিল ১৩০টি। শক্তিশালী পাসপোর্ট সাধারণত কোনো দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক, আন্তর্জাতিক আস্থা, অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রতিফলন হিসেবে গণ্য হয়। সাধারণত শান্তিপূর্ণ দেশগুলোর পাসপোর্টের অবস্থান এই তালিকায় উপরের দিকে থাকে।

২০২৬ সালের তালিকায় বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের শীর্ষে রয়েছে সিঙ্গাপুর। দেশটির নাগরিকরা ১৯২টি গন্তব্যে ভিসামুক্ত ভ্রমণের সুবিধা পান। দ্বিতীয় অবস্থানে যৌথভাবে রয়েছে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত, যাদের পাসপোর্টে ১৮৮টি দেশে ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে। গত দুই দশকে সংযুক্ত আরব আমিরাত সবচেয়ে বড় অগ্রগতি অর্জন করেছে; ২০০৬ সালের তুলনায় দেশটি নতুন করে ১৫৩টি গন্তব্যে ভ্রমণ সুবিধা যুক্ত করেছে।

তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে সুইডেন। এছাড়া বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও স্পেন যৌথভাবে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে, তালিকার নিচের দিকে থাকা আফগানিস্তানের নাগরিকরা বর্তমানে ২২টি দেশে ভিসামুক্ত সুবিধা পান, যা ২০০৬ সালে ছিল মাত্র ১২টি।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় শীর্ষস্থান হারিয়ে ১০ নম্বরে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০২:৪১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

২০০৬ সালে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী পাসপোর্ট ছিল যুক্তরাষ্ট্রের। সেই সময়ে মার্কিন নাগরিকদের অবাধ চলাচলের স্বাধীনতা ছিল অতুলনীয়, যা কেবল ডেনমার্ক ও ফিনল্যান্ডের পাসপোর্টের সঙ্গেই তুলনা করা যেত। তবে দুই দশক পর সেই চিত্র সম্পূর্ণ বদলে গেছে। হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্সের ২০২৬ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্ট এখন শীর্ষস্থান থেকে ১০ম স্থানে নেমে এসেছে।

হেনলির সূচকের তথ্যমতে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা বিশ্বের ১৮০টি দেশে ভিসামুক্ত বা সহজ ভ্রমণ সুবিধা পেয়ে থাকেন। ২০০৬ সালে এই সংখ্যা ছিল ১৩০টি। শক্তিশালী পাসপোর্ট সাধারণত কোনো দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক, আন্তর্জাতিক আস্থা, অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রতিফলন হিসেবে গণ্য হয়। সাধারণত শান্তিপূর্ণ দেশগুলোর পাসপোর্টের অবস্থান এই তালিকায় উপরের দিকে থাকে।

২০২৬ সালের তালিকায় বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের শীর্ষে রয়েছে সিঙ্গাপুর। দেশটির নাগরিকরা ১৯২টি গন্তব্যে ভিসামুক্ত ভ্রমণের সুবিধা পান। দ্বিতীয় অবস্থানে যৌথভাবে রয়েছে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত, যাদের পাসপোর্টে ১৮৮টি দেশে ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে। গত দুই দশকে সংযুক্ত আরব আমিরাত সবচেয়ে বড় অগ্রগতি অর্জন করেছে; ২০০৬ সালের তুলনায় দেশটি নতুন করে ১৫৩টি গন্তব্যে ভ্রমণ সুবিধা যুক্ত করেছে।

তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে সুইডেন। এছাড়া বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও স্পেন যৌথভাবে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে, তালিকার নিচের দিকে থাকা আফগানিস্তানের নাগরিকরা বর্তমানে ২২টি দেশে ভিসামুক্ত সুবিধা পান, যা ২০০৬ সালে ছিল মাত্র ১২টি।

Facebook Comments Box