ঢাকা ১০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গ্যাস সরবরাহ সংকট: যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি আমদানির পথে কাতার দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ঘর ছাড়ছে দৌলতপুরের বানভাসি মানুষ সুন্দরগঞ্জে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তশিলদারের অনিয়মের বিরুদ্ধে ইউএনও ও জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দেশে ইলিশের ঘাটতি: প্রথমবারের মতো ভারত থেকে আমদানি রাণীশংকৈলে এসিল্যান্ডের বদলি ঠেকাতে রাজপথে জনতা মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা: সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান ব্রিকস নেতাদের পুলিশের পাঁচ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে নতুন কর্মস্থলে বদলি ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা ২৫ হাজার বছর আগেও মাদক হিসেবে সুপারির ব্যবহার ছিল, বলছে নতুন গবেষণা

গ্যাস সরবরাহ সংকট: যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি আমদানির পথে কাতার

সৃষ্টি আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:২৩:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

গ্যাস সরবরাহ সংকট: যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি আমদানির পথে কাতার

 

বিশ্বের শীর্ষ এলএনজি রপ্তানিকারক দেশ কাতার বর্তমানে এক নজিরবিহীন জ্বালানি সংকটের মুখে পড়েছে। ইরান যুদ্ধের কারণে সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ায় দেশটি এখন দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে গ্যাস আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের তথ্য অনুযায়ী, কাতারএনার্জি তাদের গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করতে প্রথমবারের মতো এই বিকল্প পথে হাঁটছে।

 

 

এই আলোচনার বিষয়টি অত্যন্ত গোপনীয় হওয়ায় সংশ্লিষ্টরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, কাতারএনার্জি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে চালু থাকা এবং নির্মাণাধীন বিভিন্ন রপ্তানি প্রকল্প থেকে গ্যাস সংগ্রহের চেষ্টা করছে। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্ববাজারে মোট এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ আসত কাতার থেকে। কিন্তু হরমুজ প্রণালিতে ট্যাংকার চলাচলের ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় তাদের স্বাভাবিক সরবরাহ ব্যবস্থা প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।

 

পড়ুন>>দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

 

সংঘাতের প্রভাব পড়েছে কাতারের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনায়ও। যুদ্ধের আগে দেশটির রাস লাফান এলএনজি রপ্তানি কেন্দ্র থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে উৎপাদন দ্বিগুণ করার লক্ষ্যমাত্রা ছিল। তবে যুদ্ধের প্রথম কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইরানের হামলায় এই স্থাপনাটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, এটি পুরোপুরি মেরামত করতে তিন থেকে পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে। পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে মার্কিন কর্মকর্তাদের আশঙ্কা; তারা মনে করছেন, এই সংঘাত ২০২৯ সাল পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হতে পারে।

কাতার অবশ্য আগে থেকেই মার্কিন জ্বালানি খাতের সাথে যুক্ত রয়েছে। টেক্সাসের গোল্ডেন পাস এলএনজি কারখানার অন্যতম মালিকানা তাদের হাতে। গত এপ্রিল মাস থেকে এই কারখানাটি রপ্তানি শুরু করেছে এবং ধীরে ধীরে উৎপাদন বাড়াচ্ছে।

 

এছাড়া কাতারএনার্জি ট্রেডিং ইউনিটের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্বালানি পরিবহনের সক্ষমতাও দেশটি ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি করছে। মূলত স্বল্পমেয়াদি বাণিজ্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা এই ইউনিটটি এখন সংকটময় সময়ে কাতারের জন্য বড় ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গ্যাস সরবরাহ সংকট: যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি আমদানির পথে কাতার

আপডেট সময় : ১০:২৩:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

গ্যাস সরবরাহ সংকট: যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি আমদানির পথে কাতার

 

বিশ্বের শীর্ষ এলএনজি রপ্তানিকারক দেশ কাতার বর্তমানে এক নজিরবিহীন জ্বালানি সংকটের মুখে পড়েছে। ইরান যুদ্ধের কারণে সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ায় দেশটি এখন দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে গ্যাস আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের তথ্য অনুযায়ী, কাতারএনার্জি তাদের গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করতে প্রথমবারের মতো এই বিকল্প পথে হাঁটছে।

 

 

এই আলোচনার বিষয়টি অত্যন্ত গোপনীয় হওয়ায় সংশ্লিষ্টরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, কাতারএনার্জি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে চালু থাকা এবং নির্মাণাধীন বিভিন্ন রপ্তানি প্রকল্প থেকে গ্যাস সংগ্রহের চেষ্টা করছে। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্ববাজারে মোট এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ আসত কাতার থেকে। কিন্তু হরমুজ প্রণালিতে ট্যাংকার চলাচলের ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় তাদের স্বাভাবিক সরবরাহ ব্যবস্থা প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।

 

পড়ুন>>দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

 

সংঘাতের প্রভাব পড়েছে কাতারের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনায়ও। যুদ্ধের আগে দেশটির রাস লাফান এলএনজি রপ্তানি কেন্দ্র থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে উৎপাদন দ্বিগুণ করার লক্ষ্যমাত্রা ছিল। তবে যুদ্ধের প্রথম কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইরানের হামলায় এই স্থাপনাটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, এটি পুরোপুরি মেরামত করতে তিন থেকে পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে। পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে মার্কিন কর্মকর্তাদের আশঙ্কা; তারা মনে করছেন, এই সংঘাত ২০২৯ সাল পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হতে পারে।

কাতার অবশ্য আগে থেকেই মার্কিন জ্বালানি খাতের সাথে যুক্ত রয়েছে। টেক্সাসের গোল্ডেন পাস এলএনজি কারখানার অন্যতম মালিকানা তাদের হাতে। গত এপ্রিল মাস থেকে এই কারখানাটি রপ্তানি শুরু করেছে এবং ধীরে ধীরে উৎপাদন বাড়াচ্ছে।

 

এছাড়া কাতারএনার্জি ট্রেডিং ইউনিটের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্বালানি পরিবহনের সক্ষমতাও দেশটি ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি করছে। মূলত স্বল্পমেয়াদি বাণিজ্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা এই ইউনিটটি এখন সংকটময় সময়ে কাতারের জন্য বড় ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

 

 

Facebook Comments Box