ঢাকা ০১:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পরিবেশ সচেতন আগামী প্রজন্ম গড়ার অঙ্গীকারে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে শেষ হলো গ্রিন জেনেসিস ২০২৬ গ্যাস সরবরাহ সংকট: যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি আমদানির পথে কাতার দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ঘর ছাড়ছে দৌলতপুরের বানভাসি মানুষ সুন্দরগঞ্জে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তশিলদারের অনিয়মের বিরুদ্ধে ইউএনও ও জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দেশে ইলিশের ঘাটতি: প্রথমবারের মতো ভারত থেকে আমদানি রাণীশংকৈলে এসিল্যান্ডের বদলি ঠেকাতে রাজপথে জনতা মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা: সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান ব্রিকস নেতাদের পুলিশের পাঁচ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে নতুন কর্মস্থলে বদলি ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা

মার্কিন সেনা হত্যার পরিণাম ভয়াবহ হবে, ইরানকে ট্রাম্পের কড়া বার্তা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪২:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক সংঘাতে মার্কিন সেনা হত্যার জন্য ইরানকে ‘বহুগুণ মূল্য’ দিতে হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, যতবারই ইরান আমেরিকান সেনাকে হত্যা করবে, ততবারই তাদের সেই অপরাধের জন্য চড়া মাশুল গুনতে হবে। তিনি জানান, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যানিয়েল কেইনের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তবে পেন্টাগনকে ঠিক কী ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সংঘাত শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ১৭ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে দুজন জর্ডানে মার্কিন বাহিনীর ওপর ইরানের হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া মার্চ মাসে কুয়েতের পোর্ট শুয়াইবাতে ইরানের ড্রোন হামলায় আরও ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হন। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, চলমান এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪৩০ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন। রয়টার্সের তথ্যমতে, জর্ডানে প্রাণঘাতী হামলার আগেই যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত যুদ্ধবিমান ও আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাঙ্কার মোতায়েন শুরু করেছিল।

এদিকে চলমান এই পাল্টাপাল্টি হামলা বড় ধরনের আঞ্চলিক সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করছে বলে সতর্ক করেছেন ন্যাশনাল কাউন্টারটেররিজম সেন্টারের সাবেক প্রধান জো কেন্ট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, বড় ধরনের হতাহতের আগেই মার্কিন সৈন্যদের সরিয়ে নেওয়া এবং উত্তেজনার এই ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন।

গত সপ্তাহে ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু এবং খার্গ দ্বীপের তেল স্থাপনা ছাড়াও দেশটির গভীর ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উল্লেখ করেন। রয়টার্সের সূত্রগুলো বলছে, হরমুজ প্রণালী সচল রাখার কৌশলের অংশ হিসেবেই ইরানকে বড় কোনো সামরিক অভিযানে বাধা দিতে তাদের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সক্ষমতাগুলোকে লক্ষ্য করে সাম্প্রতিক হামলাগুলো চালানো হচ্ছে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মার্কিন সেনা হত্যার পরিণাম ভয়াবহ হবে, ইরানকে ট্রাম্পের কড়া বার্তা

আপডেট সময় : ০৮:৪২:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক সংঘাতে মার্কিন সেনা হত্যার জন্য ইরানকে ‘বহুগুণ মূল্য’ দিতে হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, যতবারই ইরান আমেরিকান সেনাকে হত্যা করবে, ততবারই তাদের সেই অপরাধের জন্য চড়া মাশুল গুনতে হবে। তিনি জানান, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যানিয়েল কেইনের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তবে পেন্টাগনকে ঠিক কী ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সংঘাত শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ১৭ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে দুজন জর্ডানে মার্কিন বাহিনীর ওপর ইরানের হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া মার্চ মাসে কুয়েতের পোর্ট শুয়াইবাতে ইরানের ড্রোন হামলায় আরও ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হন। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, চলমান এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪৩০ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন। রয়টার্সের তথ্যমতে, জর্ডানে প্রাণঘাতী হামলার আগেই যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত যুদ্ধবিমান ও আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাঙ্কার মোতায়েন শুরু করেছিল।

এদিকে চলমান এই পাল্টাপাল্টি হামলা বড় ধরনের আঞ্চলিক সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করছে বলে সতর্ক করেছেন ন্যাশনাল কাউন্টারটেররিজম সেন্টারের সাবেক প্রধান জো কেন্ট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, বড় ধরনের হতাহতের আগেই মার্কিন সৈন্যদের সরিয়ে নেওয়া এবং উত্তেজনার এই ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন।

গত সপ্তাহে ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু এবং খার্গ দ্বীপের তেল স্থাপনা ছাড়াও দেশটির গভীর ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উল্লেখ করেন। রয়টার্সের সূত্রগুলো বলছে, হরমুজ প্রণালী সচল রাখার কৌশলের অংশ হিসেবেই ইরানকে বড় কোনো সামরিক অভিযানে বাধা দিতে তাদের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সক্ষমতাগুলোকে লক্ষ্য করে সাম্প্রতিক হামলাগুলো চালানো হচ্ছে।

Facebook Comments Box