টানা দশম রাতের মতো ইরানের বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হামলার সময় দেশটির বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, সম্প্রতি তিন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার ঘটনার উপযুক্ত জবাব না পাওয়া পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে তাদের এই সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে একই সঙ্গে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক পর্যায়ের যোগাযোগও চলমান রয়েছে।
এদিকে, এই মার্কিন অভিযানের পাল্টা জবাব দেওয়ার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। আইআরজিসির ভাষ্যমতে, তারা কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা পরিচালনা করেছে। এর মধ্যে কুয়েতে মার্কিন দীর্ঘপাল্লার রাডার, স্যাটেলাইট গ্রহণ ব্যবস্থা, টেলিযোগাযোগ কেন্দ্র এবং আলি আল সালেম বিমানঘাঁটিতে থাকা একটি এমকিউ-৯ ড্রোন হ্যাঙ্গার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার ও প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপরও হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি।
আইআরজিসি আরও দাবি করেছে যে, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণাঞ্চলে বিস্ফোরণের ফলে দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। উদ্ধারকারী দল বর্তমানে নাবিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার কাজ করছে। মার্কিন সামরিক অভিযান বন্ধ না হলে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে আইআরজিসি। তারা জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে এই সমুদ্রপথ দিয়ে তেল, গ্যাস ও রাসায়নিক সার রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
Leave a Reply