১৩তম গ্রেডে না বেড়ে কমে যাচ্ছে লক্ষাধিক প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের বেতন : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
১৩তম গ্রেডে না বেড়ে কমে যাচ্ছে লক্ষাধিক প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের বেতন : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঝিনাইদহে টিসিবির পণ্য নিয়ে বিরোধের জেরে হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিতে আগ্রহী বাংলাদেশ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে নতুন দায়িত্ব বণ্টন: প্রধানমন্ত্রীর বিকল্প হিসেবে তিন মন্ত্রীর নাম ঘোষণা ঝিনাইদহে প্রতিপক্ষের হামলায় সাবেক ইউপি সদস্য নিহত আজ ২৫ আগস্ট ২০২৬; আজকের রাশিফল: কেমন কাটবে আপনার আজকের দিনটি ২৫ আগস্ট ২০২৬; আজকের আবহাওয়া: দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি ও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা আজ মঙ্গলবার ২৫ আগষ্ট ২০২৬: আজকের নামাজের সময়সুচী শুভ সকাল; আজ মঙ্গলবার ২৫ আগষ্ট ২০২৬: আজকের পূর্ণাঙ্গ পঞ্জিকা সরকারের গঠনমূলক সমালোচনায় সক্রিয় থাকার পরামর্শ সম্পাদকদের, সহিংসতা পরিহারের আহ্বান সমাজ পরিবর্তনের নেতৃত্বে আলো ছড়াচ্ছেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা

১৩তম গ্রেডে না বেড়ে কমে যাচ্ছে লক্ষাধিক প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের বেতন

সৃষ্টি ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৬ জুন, ২০২১

 

বেতন বাড়ানোর উদ্দেশ্য থাকলেও নতুন স্কেলে কমে যাচ্ছে লক্ষাধিক প্রাথমিক শিক্ষকের বেতন। ১৩তম গ্রেডে সহকারী শিক্ষকদের বেতন নির্ধারণে তৈরি হয়েছে এই অচলাবস্থা। প্রশিক্ষণ না থাকা শিক্ষকদের চেয়ে বেতন কমে গেছে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের। জ্যেষ্ঠদের বেতন হয়েছে কনিষ্ঠদের চেয়েও কম। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন আগে যোগদানকারীরা।


অথচ প্রাথমিকে প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক। এ জন্য আলাদা গ্রেডও পেতেন তারা। কিন্তু জাতীয় বেতন কাঠামোর ১৩তম গ্রেড দেওয়ার পর প্রশিক্ষণ গ্রেড উঠিয়ে দেয় সরকার। এখন সবার এই গ্রেডে বেতন পাওয়ার কথা। এটি নিয়েই তৈরি হয়েছে জটিলতা। এভাবে বেতন কমে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লক্ষাধিক শিক্ষক।দেশে ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন তিন লাখ ৫২ হাজার সহকারী শিক্ষক। এরমধ্যে অর্ধেকই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। গত বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি তাদেরকে ১৩তম গ্রেডে বেতন দেওয়ার প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরপরই এই গ্রেডের সুবিধা নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়।



নিয়মানুযায়ী নিম্ন ধাপে ফিক্সেশন করলে বেতন কমে যাচ্ছিল শিক্ষকদের। তবে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিবের হস্তক্ষেপে উচ্চ ধাপে ফিক্সেশন করায় সে জটিলতা কেটেছে। কিন্তু এবার দেখা দিয়েছে নতুন জটিলতা। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বেতন কমে যাওয়ায় তৈরি হয়েছে অসন্তোষ।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, বিষয়টি অর্থ মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি। তারা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন। অর্থ সচিবও সমাধানের কথা বলেছেন। তবে আদেশের কাগজ আমার কাছে আসতে হবে। এখন বাজেটের কারণে অর্থ মন্ত্রণালয় ব্যস্ত। আশা করি, আগামী ৩০ জুনের পর তারা এ নিয়ে কাজ করবে। এ সমস্যা সমাধানের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে বলেও জানান তিনি।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আইবাস প্লাস প্লাস সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেতন ফিক্সেশন হয়। কিন্তু এতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকদের আলাদা গ্রেড নেই। অথচ প্রাথমিকে প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকেরা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকের চেয়ে বেতন পেয়ে থাকেন এক গ্রেড নিচে।

শিক্ষকদের বেতন গ্রেড উন্নীত করা হলেও নিম্ন ধাপে বেতন নির্ধারণের কারণে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেতন ফিক্সেশন করার সময় অনেকের বেতন কমে যাচ্ছে। এ জন্য মাঠ পর্যায়ে শিক্ষকদের মধ্যে হতাশা ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। আর এই বিষয়টির সমাধান করতে অর্থ সচিবকে চিঠি দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

 


কালের কন্ঠের তথ্যানুসারে জানা যায়, গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শামীম আরা নাজনীন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি মঙ্গলবার অর্থ সচিবকে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড-১৪ (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) এবং বেতন গ্রেড-১৫ (প্রশিক্ষণবিহীন) থেকে গ্রেড-১৩ তে উন্নীত করা হয়। আর প্রধান শিক্ষকদের বেতন গ্রেড-১২ থেকে গ্রেড-১১ তে উন্নীত করা হয়। কিন্তু শিক্ষকদের বর্তমান মূল বেতনের নিম্ন ধাপে বেতন নির্ধারণের কারণে অনেক শিক্ষকের বেতন কমে যাচ্ছে। এতে তারা বেতন বৈষম্যের স্বীকার হচ্ছেন, সে কারণে মাঠ পর্যায়ে বেতন ফিক্সেশন হচ্ছে না।

সারা দেশে ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিন লাখ ৫৪ হাজার ৭৭২ জন শিক্ষক রয়েছেন। শিক্ষকদের বেতন উন্নীতকরণ শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত হওয়া সত্ত্বেও বর্তমান মূল বেতনের নিম্ন ধাপে বেতন নির্ধারণের কারণে মাঠ পর্যায়ে শিক্ষকদের মধ্যে হতাশা ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। ফলে সরকারির ভাবমুর্তি উজ্জ্বল হওয়ার পরিবর্তে ক্ষুন্ন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।



চিঠিতে বলা হয়েছে, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন কানুনগো/উপসহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার পদধারীদের উন্নীত বেতন স্কেলে বেতন নির্ধারণে এরূপ সমস্যার ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগ ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর সংশ্লিষ্ট স্কেলের উচ্চধাপে বেতন নির্ধারণ করে বৈষম্য নিরসনে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই নির্দেশনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে মাঠ পর্যায়ে শিক্ষকদের মাঝে সৃষ্ট অসন্তোষ নিরসন হবে মর্মে প্রতীয়মান হয়। এমতাবস্থায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন কানুনগো/উপসহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার পদধারীদের ন্যায় সংশ্লিষ্ট বেতন স্কেলের উচ্চধাপে বেতন নির্ধারণে অর্থ বিভাগ জারিকৃত পত্রের অনুরূপ নির্দেশনার জন্য অনুরোধ করা হলো। সুত্র:কালের কন্ঠ ২৬ জুন




Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!