ঢাকা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভৈরবে জেলি মেশানো চিংড়ি বিক্রি: ৩ ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড জাতীয় সংসদের হুইপ দুলুর সঙ্গে ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হাসপাতাল প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎ ১৮তম জুডিশিয়াল সার্ভিসে সহকারী জজ পদে ২০০ জন মনোনীত বিএমএসএসের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান খন্দকার আছিফুর রহমান তোতা আর নেই লালমনিরহাটে চার শতাধিক শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ সংবর্ধনা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করলে বিপদ হবে: সাখাওয়াত জর্ডানে ৩০০ মেশিন অপারেটর নিয়োগ, সরাসরি সাক্ষাৎকারে চাকরি আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ার ডাক কাতারের প্রধানমন্ত্রীর চকরিয়ায় স্কুলছাত্রী নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঘটনায় মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন পবিপ্রবি নির্বাহী প্রকৌশলীর পদোন্নতি নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ

পাট চাষ পদ্ধতি

সৃষ্টি কৃষি ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:১৮:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ ১৬৮৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের অন্যতম অর্থকরী ফসল। আমাদের দেশে পাট ও পাট জাত দ্রব্যের চাহিদা ব্যাপক। আমাদের দেশের পাটের সুনাম রয়েছে জগত জুড়ে। আমাদের দেশের মাটি ও জলবায়ু পাট চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।

জমি তৈরিঃ উঁচু ও মধ্যম উঁচু জমি যেখানে বৃষ্টির পানি বেশি সময় দাঁড়ায় না এবং পলি দোআঁশ ও দোআঁশ মাটি পাট চাষের জন্য বেশি উপযোগী। বৃষ্টিপাতের পরপরই আড়াআড়ি ৫-৭ টি চাষ দিয়ে জমি তৈরি করতে হবে। ঢেলা গুড়ো করতে হবে এবং জমি আগাছামুক্ত করতে হবে।

সার প্রয়োগঃ ভালোভাবে প্রস্তুতকৃত জমিতে বপনের ২-৩ সপ্তাহ আগে হেক্টরপ্রতি ৩.৫ টন গোবর সার মিশিয়ে দিতে হবে। পাটের ভালো ফলনের জন্য বপনের দিন শতাংশ প্রতি ইউরিয়া-৩০০ গ্রাম, টিএসপি-৬০০ গ্রাম, এমওপি-১০০ গ্রাম সার শেষ চাষের সময় মাটিতে ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। চারা গজানোর ১৫ থেকে ২০ দিন পর শতাংশ প্রতি ৩০০ গ্রাম ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে এবং এর ৩০ থেকে ৪০ দিন পর দ্বিতীয়বারের মতো আবার শতাংশ প্রতি ৩০০ গ্রাম ইউরিয়া সার প্রয়োগ করতে হবে। প্রয়োজনে অন্যান্য সার দিতে হবে।

জেনে নিন>> সব ফসলে সঠিক পরিমান সার প্রয়োগের পরিমান ও পদ্ধতি জানা যাবে মোবাইলেই

আগাছানাশক প্রয়োগের সময়ঃ পাটের বীজ বপনের ১৫-২০ দিন পরে অথবা চারা গাছে ২-৩ পাতা হওয়ার পরে আগাছানাশক স্প্রে করা ভালো।

আগাছা দমন–চারা পাতলাকরণঃ বীজ বপনের ১৫-২১ দিনের মধ্যে ১ম নিড়ানী এবং ৩৫-৪২ দিনের মধ্যে ২য় নিড়ানী দিয়ে আগাছা দমন ও চারা পাতলা করতে হবে। ৩য় নিড়ানী প্রয়োজনমতো দিতে হবে।

বীজ বপনের সময়ঃ

দেশী পাটঃ
বিজেআরআই দেশী পাট-৫ চৈত্রের শেষ সপ্তাহ থেকে বৈশাখের প্রথম সপ্তাহ
বিজেআরআই দেশী পাট-৬ চৈত্রের শেষ সপ্তাহ থেকে বৈশাখের প্রথম সপ্তাহ
এটম পাট-৩৮ ফাল্গুনের শেষ সপ্তাহ থেকে চৈত্রের শেষ সপ্তাহ
বিনাদেশী পাট-২ ফাল্গুনের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে চৈত্রের শেষ সপ্তাহ

তোষা পাটঃ
ও-৯৮৯৭ চৈত্র
বিজেআরআই তোষা পাট-৩ চৈত্র

কেনাফঃ
বিজেআরআই কেনাফ-২ চৈত্রের শেষ সপ্তাহ থেকে বৈশাখের প্রথম সপ্তাহ।

বীজ বপন পদ্ধতি ও বীজের হারঃ সময়মতো পাটবীজ বপন করা উচিত। সাধারণত: ছিটিয়েই পাটবীজ বপন করা হয়। তবে সারিতে বপন করলে পাটের ফলন বেশি হয়।

ছিটিয়ে বুনলে ৭.৫ কেজি/হেক্টর ( প্রতি শতাংশে ৩০ গ্রাম ) এবং সারিতে বুনলে-৬.২৫ কেজি/হেক্টর ( শতাংশ প্রতি ২৫ গ্রাম )। সারিতে বুনলে লাইন থেকে লাইনের দূরত্ব ৩০ সেমি বা ১ ফুট এবং গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ৭ সেমি বা ৩ ইঞ্চি হতে হবে।

পাটের পোকামাকড় ও রোগ দমন ব্যবস্থাপনাঃ

পাটের বিছাপোকাঃ কচি ও বয়স্ক সব পাতা খেয়ে ফেলে।

আক্রমণের প্রথম অবস্থায় কীড়া সহ পাতাগুলো সংগ্রহ করে ধ্বংশ করে ফেলা।

ডায়াজিনন ৬০% তরল/নুভক্রিন ৪০% তরল/ইকালাক্স ২৫% তরল হেক্টরপ্রতি ৩০ কেজি পানির সাথে ৪৫ গ্রাম বা চা চামচের ৯ চামচ ওষুধ মিশিয়ে ক্ষেতে স্প্রে করলে বিছাপোকা দমন হবে।

পাটের ঘোড়া পোকাঃ ডগার দিকের কচি পাতা খেয়ে ফেলে।

কেরোসিনে ভেজানো দড়ি গাছের ওপর দিয়ে টেনে দেওয়া।

ক্ষেতে ডালপালা পুঁতে পাখি বসার জায়গা করে দেয়া যাতে করে পাখিরা পোকা খেয়ে এদের সংখ্যা কমিয়ে দিতে পারে।

ডায়াজিনন ৬০% তরল/ ইকালাক্স ২৫% তরল অনুমোদিত মাত্রায় জমিতে প্রয়োগ করা যেতে পারে।

  পাটের উড়চুঙ্গাঁঃ জমিতে গর্ত করে চারা গাছের গোড়া কেটে দেয়।

ক্ষেতে পানি সেচ দিয়ে দিলে পোকা মাটি থেকে বের হয়ে আসবে। অত:পর পোকা ধ্বংশ করে ফেলা। বিষটোপ ব্যবহার করে অথবা রিপকর্ড ১০ ইসি অনুমোদিত মাত্রায় ক্ষেতে প্রয়োগ করা যেতে পারে।

জেনে নিন>>   ভুট্টা চাষ পদ্ধতি

পাটের চেলে পোকাঃ কান্ডে ছিদ্র করে ফলে আঁশ ছিঁড়ে যায় মৌসুমের শুরুতে আক্রান্ত গাছগুলো তুলে নষ্ট করে ফেলা।

ক্ষেতের ও আশপাশের আগাছা পরিষ্কার রাখা।

গাছের উচ্চতা ৫-৬ ইঞ্চি হলে ম্যাটসিসটক্স ৫০% তরল/ডায়াজিনন ৬০% তরল/নুভক্রিন ৪০% তরল  অনুমোদিত মাত্রায় আক্রান্ত ক্ষেতে সেপ্র করলে পোকা দমন হয়।

পাটের সাদা ও লাল মাকড়ঃ ডগার পাতার রস চুষে খায়, ফলে পাতা কুঁকড়ে যায়।

ছিটিয়ে বুনলে ৭.৫ কেজি/হেক্টর ( প্রতি শতাংশে ৩০ গ্রাম ) এবং সারিতে বুনলে-৬.২৫ কেজি/হেক্টর ( শতাংশ প্রতি ২৫ গ্রাম )। সারিতে বুনলে লাইন থেকে লাইনের দূরত্ব ৩০ সেমি বা ১ ফুট এবং গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ৭ সেমি বা ৩ ইঞ্চি হতে হবে।

পার পোকামাকড় ও রোগ দমন ব্যবস্থাপনাঃ

পাটের বিছাপোকাঃ কচি ও বয়স্ক সব পাতা খেয়ে ফেলে।

আক্রমণের প্রথম অবস্থায় কীড়া সহ পাতাগুলো সংগ্রহ করে ধ্বংশ করে ফেলা।

ডায়াজিনন ৬০% তরল/নুভক্রিন ৪০% তরল/ইকালাক্স ২৫% তরল হেক্টরপ্রতি ৩০ কেজি পানির সাথে ৪৫ গ্রাম বা চা চামচের ৯ চামচ ওষুধ মিশিয়ে ক্ষেতে স্প্রে করলে বিছাপোকা

দমন হবে।

পাটের ঘোড়া পোকাঃ ডগার দিকের কচি পাতা খেয়ে ফেলে।

জেনে নিন>> লাভজনক পদ্ধতিতে ঝিঙ্গা চাষ পদ্ধতি

কেরোসিনে ভেজানো দড়ি গাছের ওপর দিয়ে টেনে দেওয়া।

ক্ষেতে ডালপালা পুঁতে পাখি বসার জায়গা করে দেয়া যাতে করে পাখিরা পোকা খেয়ে এদের সংখ্যা কমিয়ে দিতে পারে।

ডায়াজিনন ৬০% তরল/ ইকালাক্স ২৫% তরল অনুমোদিত মাত্রায় জমিতে প্রয়োগ করা যেতে পারে।

পাটের উড়চুঙ্গাঁজমিতে গর্ত করে চারা গাছের গোড়া কেটে দেয়।

ক্ষেতে পানি সেচ দিয়ে দিলে পোকা মাটি থেকে বের হয়ে আসবে। অত:পর পোকা ধ্বংশ করে ফেলা।

বিষটোপ ব্যবহার করে অথবা রিপকর্ড ১০ ইসি অনুমোদিত মাত্রায় ক্ষেতে প্রয়োগ করা যেতে পারে।

পাটের চেলে পোকাঃ কান্ডে ছিদ্র করে ফলে আঁশ ছিঁড়ে যায়।

মৌসুমের শুরুতে আক্রান্ত গাছগুলো তুলে নষ্ট করে ফেলা।

ক্ষেতের ও আশপাশের আগাছা পরিষ্কার রাখা।

গাছের উচ্চতা ৫-৬ ইঞ্চি হলে ম্যাটসিসটক্স ৫০% তরল/ডায়াজিনন ৬০% তরল/নুভক্রিন ৪০% তরল অনুমোদিত মাত্রায় আক্রান্ত ক্ষেতে সেপ্র করলে পোকা দমন হয়।

পাটের সাদা ও লাল মাকড়ঃ ডগার পাতার রস চুষে খায়, ফলে পাতা কুঁকড়ে যায়।

 

জেনে>>সূর্যমুখী চাষ করে অধিক লাভবান হউন

জেনে নিন:>>টরি-৭ সরিষা চাষ

জেনে>>সরিষার বিভিন্ন জাত থেকে বেছে নিন আপনার পছন্দের জাত

জেনে>> পেরিলা চাষ পদ্ধতি

জেনে নিন>>বারি সরিষা-১১ সরিষা চাষ পদ্ধতি

জেনে নিন>> কল্যাণীয়া (টিএস-৭২)সরিষা চাষ পদ্ধতি

জেনে নিন>>রাই-৫ সরিষা চাষ  পদ্ধতি

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পাট চাষ পদ্ধতি

আপডেট সময় : ০৬:১৮:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২১

বাংলাদেশের অন্যতম অর্থকরী ফসল। আমাদের দেশে পাট ও পাট জাত দ্রব্যের চাহিদা ব্যাপক। আমাদের দেশের পাটের সুনাম রয়েছে জগত জুড়ে। আমাদের দেশের মাটি ও জলবায়ু পাট চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।

জমি তৈরিঃ উঁচু ও মধ্যম উঁচু জমি যেখানে বৃষ্টির পানি বেশি সময় দাঁড়ায় না এবং পলি দোআঁশ ও দোআঁশ মাটি পাট চাষের জন্য বেশি উপযোগী। বৃষ্টিপাতের পরপরই আড়াআড়ি ৫-৭ টি চাষ দিয়ে জমি তৈরি করতে হবে। ঢেলা গুড়ো করতে হবে এবং জমি আগাছামুক্ত করতে হবে।

সার প্রয়োগঃ ভালোভাবে প্রস্তুতকৃত জমিতে বপনের ২-৩ সপ্তাহ আগে হেক্টরপ্রতি ৩.৫ টন গোবর সার মিশিয়ে দিতে হবে। পাটের ভালো ফলনের জন্য বপনের দিন শতাংশ প্রতি ইউরিয়া-৩০০ গ্রাম, টিএসপি-৬০০ গ্রাম, এমওপি-১০০ গ্রাম সার শেষ চাষের সময় মাটিতে ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। চারা গজানোর ১৫ থেকে ২০ দিন পর শতাংশ প্রতি ৩০০ গ্রাম ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে এবং এর ৩০ থেকে ৪০ দিন পর দ্বিতীয়বারের মতো আবার শতাংশ প্রতি ৩০০ গ্রাম ইউরিয়া সার প্রয়োগ করতে হবে। প্রয়োজনে অন্যান্য সার দিতে হবে।

জেনে নিন>> সব ফসলে সঠিক পরিমান সার প্রয়োগের পরিমান ও পদ্ধতি জানা যাবে মোবাইলেই

আগাছানাশক প্রয়োগের সময়ঃ পাটের বীজ বপনের ১৫-২০ দিন পরে অথবা চারা গাছে ২-৩ পাতা হওয়ার পরে আগাছানাশক স্প্রে করা ভালো।

আগাছা দমন–চারা পাতলাকরণঃ বীজ বপনের ১৫-২১ দিনের মধ্যে ১ম নিড়ানী এবং ৩৫-৪২ দিনের মধ্যে ২য় নিড়ানী দিয়ে আগাছা দমন ও চারা পাতলা করতে হবে। ৩য় নিড়ানী প্রয়োজনমতো দিতে হবে।

বীজ বপনের সময়ঃ

দেশী পাটঃ
বিজেআরআই দেশী পাট-৫ চৈত্রের শেষ সপ্তাহ থেকে বৈশাখের প্রথম সপ্তাহ
বিজেআরআই দেশী পাট-৬ চৈত্রের শেষ সপ্তাহ থেকে বৈশাখের প্রথম সপ্তাহ
এটম পাট-৩৮ ফাল্গুনের শেষ সপ্তাহ থেকে চৈত্রের শেষ সপ্তাহ
বিনাদেশী পাট-২ ফাল্গুনের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে চৈত্রের শেষ সপ্তাহ

তোষা পাটঃ
ও-৯৮৯৭ চৈত্র
বিজেআরআই তোষা পাট-৩ চৈত্র

কেনাফঃ
বিজেআরআই কেনাফ-২ চৈত্রের শেষ সপ্তাহ থেকে বৈশাখের প্রথম সপ্তাহ।

বীজ বপন পদ্ধতি ও বীজের হারঃ সময়মতো পাটবীজ বপন করা উচিত। সাধারণত: ছিটিয়েই পাটবীজ বপন করা হয়। তবে সারিতে বপন করলে পাটের ফলন বেশি হয়।

ছিটিয়ে বুনলে ৭.৫ কেজি/হেক্টর ( প্রতি শতাংশে ৩০ গ্রাম ) এবং সারিতে বুনলে-৬.২৫ কেজি/হেক্টর ( শতাংশ প্রতি ২৫ গ্রাম )। সারিতে বুনলে লাইন থেকে লাইনের দূরত্ব ৩০ সেমি বা ১ ফুট এবং গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ৭ সেমি বা ৩ ইঞ্চি হতে হবে।

পাটের পোকামাকড় ও রোগ দমন ব্যবস্থাপনাঃ

পাটের বিছাপোকাঃ কচি ও বয়স্ক সব পাতা খেয়ে ফেলে।

আক্রমণের প্রথম অবস্থায় কীড়া সহ পাতাগুলো সংগ্রহ করে ধ্বংশ করে ফেলা।

ডায়াজিনন ৬০% তরল/নুভক্রিন ৪০% তরল/ইকালাক্স ২৫% তরল হেক্টরপ্রতি ৩০ কেজি পানির সাথে ৪৫ গ্রাম বা চা চামচের ৯ চামচ ওষুধ মিশিয়ে ক্ষেতে স্প্রে করলে বিছাপোকা দমন হবে।

পাটের ঘোড়া পোকাঃ ডগার দিকের কচি পাতা খেয়ে ফেলে।

কেরোসিনে ভেজানো দড়ি গাছের ওপর দিয়ে টেনে দেওয়া।

ক্ষেতে ডালপালা পুঁতে পাখি বসার জায়গা করে দেয়া যাতে করে পাখিরা পোকা খেয়ে এদের সংখ্যা কমিয়ে দিতে পারে।

ডায়াজিনন ৬০% তরল/ ইকালাক্স ২৫% তরল অনুমোদিত মাত্রায় জমিতে প্রয়োগ করা যেতে পারে।

  পাটের উড়চুঙ্গাঁঃ জমিতে গর্ত করে চারা গাছের গোড়া কেটে দেয়।

ক্ষেতে পানি সেচ দিয়ে দিলে পোকা মাটি থেকে বের হয়ে আসবে। অত:পর পোকা ধ্বংশ করে ফেলা। বিষটোপ ব্যবহার করে অথবা রিপকর্ড ১০ ইসি অনুমোদিত মাত্রায় ক্ষেতে প্রয়োগ করা যেতে পারে।

জেনে নিন>>   ভুট্টা চাষ পদ্ধতি

পাটের চেলে পোকাঃ কান্ডে ছিদ্র করে ফলে আঁশ ছিঁড়ে যায় মৌসুমের শুরুতে আক্রান্ত গাছগুলো তুলে নষ্ট করে ফেলা।

ক্ষেতের ও আশপাশের আগাছা পরিষ্কার রাখা।

গাছের উচ্চতা ৫-৬ ইঞ্চি হলে ম্যাটসিসটক্স ৫০% তরল/ডায়াজিনন ৬০% তরল/নুভক্রিন ৪০% তরল  অনুমোদিত মাত্রায় আক্রান্ত ক্ষেতে সেপ্র করলে পোকা দমন হয়।

পাটের সাদা ও লাল মাকড়ঃ ডগার পাতার রস চুষে খায়, ফলে পাতা কুঁকড়ে যায়।

ছিটিয়ে বুনলে ৭.৫ কেজি/হেক্টর ( প্রতি শতাংশে ৩০ গ্রাম ) এবং সারিতে বুনলে-৬.২৫ কেজি/হেক্টর ( শতাংশ প্রতি ২৫ গ্রাম )। সারিতে বুনলে লাইন থেকে লাইনের দূরত্ব ৩০ সেমি বা ১ ফুট এবং গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ৭ সেমি বা ৩ ইঞ্চি হতে হবে।

পার পোকামাকড় ও রোগ দমন ব্যবস্থাপনাঃ

পাটের বিছাপোকাঃ কচি ও বয়স্ক সব পাতা খেয়ে ফেলে।

আক্রমণের প্রথম অবস্থায় কীড়া সহ পাতাগুলো সংগ্রহ করে ধ্বংশ করে ফেলা।

ডায়াজিনন ৬০% তরল/নুভক্রিন ৪০% তরল/ইকালাক্স ২৫% তরল হেক্টরপ্রতি ৩০ কেজি পানির সাথে ৪৫ গ্রাম বা চা চামচের ৯ চামচ ওষুধ মিশিয়ে ক্ষেতে স্প্রে করলে বিছাপোকা

দমন হবে।

পাটের ঘোড়া পোকাঃ ডগার দিকের কচি পাতা খেয়ে ফেলে।

জেনে নিন>> লাভজনক পদ্ধতিতে ঝিঙ্গা চাষ পদ্ধতি

কেরোসিনে ভেজানো দড়ি গাছের ওপর দিয়ে টেনে দেওয়া।

ক্ষেতে ডালপালা পুঁতে পাখি বসার জায়গা করে দেয়া যাতে করে পাখিরা পোকা খেয়ে এদের সংখ্যা কমিয়ে দিতে পারে।

ডায়াজিনন ৬০% তরল/ ইকালাক্স ২৫% তরল অনুমোদিত মাত্রায় জমিতে প্রয়োগ করা যেতে পারে।

পাটের উড়চুঙ্গাঁজমিতে গর্ত করে চারা গাছের গোড়া কেটে দেয়।

ক্ষেতে পানি সেচ দিয়ে দিলে পোকা মাটি থেকে বের হয়ে আসবে। অত:পর পোকা ধ্বংশ করে ফেলা।

বিষটোপ ব্যবহার করে অথবা রিপকর্ড ১০ ইসি অনুমোদিত মাত্রায় ক্ষেতে প্রয়োগ করা যেতে পারে।

পাটের চেলে পোকাঃ কান্ডে ছিদ্র করে ফলে আঁশ ছিঁড়ে যায়।

মৌসুমের শুরুতে আক্রান্ত গাছগুলো তুলে নষ্ট করে ফেলা।

ক্ষেতের ও আশপাশের আগাছা পরিষ্কার রাখা।

গাছের উচ্চতা ৫-৬ ইঞ্চি হলে ম্যাটসিসটক্স ৫০% তরল/ডায়াজিনন ৬০% তরল/নুভক্রিন ৪০% তরল অনুমোদিত মাত্রায় আক্রান্ত ক্ষেতে সেপ্র করলে পোকা দমন হয়।

পাটের সাদা ও লাল মাকড়ঃ ডগার পাতার রস চুষে খায়, ফলে পাতা কুঁকড়ে যায়।

 

জেনে>>সূর্যমুখী চাষ করে অধিক লাভবান হউন

জেনে নিন:>>টরি-৭ সরিষা চাষ

জেনে>>সরিষার বিভিন্ন জাত থেকে বেছে নিন আপনার পছন্দের জাত

জেনে>> পেরিলা চাষ পদ্ধতি

জেনে নিন>>বারি সরিষা-১১ সরিষা চাষ পদ্ধতি

জেনে নিন>> কল্যাণীয়া (টিএস-৭২)সরিষা চাষ পদ্ধতি

জেনে নিন>>রাই-৫ সরিষা চাষ  পদ্ধতি

 

Facebook Comments Box