লাভ জনক পদ্ধতিতে বাধাকপি চাষ
- আপডেট সময় : ০৪:৩০:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৩১০ বার পড়া হয়েছে
লাভ জনক পদ্ধতিতে বাধাকপি চাষ পদ্ধতি।
বাধাকপি একটি শীত কালীন উৎকৃষ্ট সবজি। সুস্বাদু সবজী গুলোর মধ্যে অন্যতম।
জাত: হাইব্রিড জাতের বাধাকপি চাষ করলে ফলন অনেক বেশী পাওয়া যায়। সুপ্রিম কুইন, গ্রীন কুইন, গ্রীন গোল্ড,এম এস ৬৫, এটম কুইন, ট্রপিক ল্যান্ড, আর্লি মার্কেট জাতের হাইব্রিড বীজ গুলো বেশ ভালো।
জেনে নিন>> লাভ জনক পদ্ধতিতে ফুলকপি চাষ Fulkaffi chash
জমিঃ বাংলাদেশের সব এলাকা বাধাকপি চাষের উপযোগী। দোঁআশ পলি দো-আশ মাটি চাষের জন্য বেশী উপযোগী। চাষের জন্য মাটির কাঙ্কিত মান পি এইচ ৫.৫ থেকে ৬.৭ এবং তাপমাত্রা ২৫0 সেঃ থেকে ৩০0 সেঃ।
বীজ বপনের সময়ঃ ভাদ্র- কার্তিক মাস বাধাকপি বপণের উপযুক্ত সময়।
বীজের পরিমানঃ প্রতি শতাংশে ১২০-১৫০ টি চারা রোপন করতে হবে। আগাম চাষে লেট চাষের চেয়ে একটু বেশী চারা লাগে।
জেনে নিন>> আধুনিক পদ্ধতিতে হাইব্রিড মরিচ চাষ পদ্ধতি
বীজ বপন পদ্ধতিঃ বাধাকপি বীজ বেডে/বীজ তলায় বপন করা যায়। বীজ বপনের পূর্বে বীজ রোদে ১-২ ঘন্টা রেখে ঠান্ডা করার পর বীজ তলায় বীজ বপন করতে হবে।
এতে অঙ্কুরোদগম দ্রুততর হয়। বৃষ্টির সময় পলিথিন বা চাটাই দিয়ে বেড ঢেকে রাখতে হবে। যাতে চারা বৃষ্টিতে ভিজে না যায় চারায় বৃষ্টি পড়লে চারার গোড়া/কান্ডপচা রোগে আক্রান্ত হয়ে নেতিয়ে পড়ে যায়।
চারা রোপণ: জমি ভালো ভাবে তৈরী করার পর সারি থেকে সারি ২২-২৪ ইঞ্চি এবং চারা থেকে চারার দুরত্ব ১৮-২০ ইঞ্চি দুরত্বে চারা রেপন করতে হবে। চারার বয়স ২০-২৮ দিন হলে নিদৃষ্ট দুরত্বে একটি সবল চারা রোপন করতে হবে।
তৈরী ও সার প্রয়োগঃ ভালো ভাবে জমি চাষ করে রোদে শুকানোর সার প্রয়োগ করতে হবে।মাটির উর্বরতা ভেদে সার প্রয়োগের পরিমান কম বা বেশী হতে পারে।
(প্রতি শতাংশে সার প্রয়োগ)
| সার | জমি তৈরীর সময় | শেষ চাষের সময় | প্রথম উপরী প্রয়োগ | ২য় উপরী প্রয়োগ | ৩য় উপরী প্রয়োগ |
| গোবর | ৫০ কেজি | – | – | – | – |
| ইউরিয়া | – | ২০০ গ্রাম | ২০০ গ্রাম | ২০০ গ্রাম | ২০০ গ্রাম |
| টিএসপি | – | ৮০০ গ্রাম | – | – | – |
| ডি এ পি | – | – | – | ২০০ গ্রাম | ২০০ গ্রাম |
| এমওপি | – | ২০০ গ্রাম | ২০০ গ্রাম | ২০০ গ্রাম | ২০০ গ্রাম |
| জিপসাম | ২০০ গ্রাম | – | – | ২০০ গ্রাম | – |
| জিংক | – | ৫০ গ্রাম | – | – | – |
| বোরণ | – | ৫০ গ্রাম | – | – | – |
| সালফার | ৫০ গ্রাম | – | – | ৫০ গ্রাম | – |
| দানাদার কীটনাশক | – | ৭৫ গ্রাম | – | – | – |
পরিচর্যা: চারা রোপণের ১৫ দিন পর চারার লাইনের ফাকের মাটি উইডার দিয়ে আলগা করে মাটিকে ঝুরঝুরে করতে হবে। জাত ভেদে ২৫/৩০ দিন পর ২য় উপরী সার প্রয়োগ করে গাছের গোড়ায় লাইনের পাশের মাটি তুলে দিয়ে নালা করতে হবে। এতে সেচ দিতে সুবিধা হবে। মাটিতে রস কমে গেলে মাঝে মাঝে সেচ দিতে হবে।
জেনে নিন>>লাভজনক পদ্ধতিতে ঝিঙ্গা চাষ পদ্ধতি
সংগ্রহ ও ফলনঃ বীজ বপনের ৯০-১২০ দিন পর ফসল সংগ্রহ শুরু হয়।প্রতি শতকে প্রায় ১০০-২৪০ কেজি বাধা কফি
পোকামাকড় ও বলাই দমনঃ বাধাকপি চারা গজানোর পর থেকে ফসল তোলার ২৫ দিন পূর্ব পর্যন্ত নিয়মিত ম্যানকোজেব/কার্বাডিজেম ও কপার অক্সিক্লোরাইড জাতীয় ছত্রাক নাশক স্প্রে করতে হবে।
বাধাকপি পোকা দ্বারা আক্রান্ত হলে সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক স্প্রে করতে হবে। লেদা পোকার জন্য সাইপারমেথ্রিন ও ক্লোরোপাইরিফস কীটনাশক একত্রে বিকেলে গাছে স্প্রে করতে হবে। নিয়মিত বালাই নাশক ব্যবহার করলে কান্ড পচা ও পাতার গোড়া পচা রোগে সহজে আক্রান্ত হবে না।
গাছের আকার দুর্বল ও কফির সাইজ ছোট হলে ডিএপি ও ইউরিয়া সার উপরী প্রয়োগ করতে হবে। জৈব উদ্দীপক হরমোন( জিবরেলিক এসিড, নাইট্রো বেনজিন ইত্যাদি) ১৫ দিন পর পর ৩-৪ বার ব্যবহার করতে হবে।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ



























15 thoughts on “লাভ জনক পদ্ধতিতে বাধাকপি চাষ”