প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ৬৬টি ঘর পেলো ভূরুঙ্গামারীর হত দরিদ্র পরিবার
- আপডেট সময় : ১০:৪৩:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২০ ৬১২ বার পড়া হয়েছে
ভূরুঙ্গামারী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি: কুড়িগ্রাম ভূরুঙ্গামারীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ঘোষণা “গৃহহীনদের গৃহদান” কর্মসূচীর আওতায় উপজেলার ৬৬টি গৃহহীন হত দরিদ্র ও অস্বচ্ছল পরিবারের ঘর নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে।
জানা গেছে, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষন (টি.আর) ও গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) কর্মসূচীর বিশেষ বরাদ্দ দ্বারা গ্রামীণ দরিদ্র গৃহহীন জনগোষ্টির জন্য “দূর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণ” প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। যাদের জমি আছে কিন্তু ঘর নেই তাদের জন্য ৮০০ বর্গফুট জায়গায় (প্রায় দুই শতাংশ জমি) রান্নাঘর ও টয়লেট সহ দুই কক্ষ বিশিষ্ট একটি সেমিপাকা টিনসেট গৃহ নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রতিটি গৃহের জন্য নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৯৯ হাজার ৮৬০ টাকা। ২০১৮-২০ অর্থবছরে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার ৬৬টি গৃহের বরাদ্দ দেওয়া হয়। যার মোট ব্যয়ের পরিমান ১,৯৭,৯০,৭৬০ টাকা।
প্রকল্পের সুবিধাভোগী জয়মনিরহাট ইউনিয়নের ছোটখাটামারী গ্রামের বিপ্লব বলেন আমি একজন প্রতিবন্ধী আমার মাথা গুজার কোন ঠাঁই ছিলনা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া একটি ঘর আমি পেয়েছি। আমি খুব খুশি। এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও উপজেলা প্রশাসনকে অনেক ধন্যবাদ। অপর সুবিধা ভোগী তিলাই ইউনিয়নের দক্ষিন ছাট গোপালপুর গ্রামের জাহানারা বলেন আগে ভাঙ্গা ঘরে থাকছি, বৃষ্টি হলে ঘরোত পানি পড়তো। ইউএনও স্যার দেহি (দেখে) যায়া মোক (আমাকে) একটা ঘর দিছে। এলা আমরা ছেলে-মেয়ে নিয়া পাকা ঘরোত থাকি ।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহিনুর আলম বলেন, ঘরের কাজ শেষ, টুকিটাকি রংয়ের ফিনিশিং এর কিছু কাজ বাকী আছে। যা দুই তিন দিনের মধ্যেই শেষ হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফিরুজুল ইসলাম জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মহতি উদ্যোগে এলাকার ৬৬টি গৃহহীন পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দিতে পারায় ভালো লাগছে।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
One thought on “প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ৬৬টি ঘর পেলো ভূরুঙ্গামারীর হত দরিদ্র পরিবার”
আপনার মন্তব্য Cancel reply
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।