কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে চাষ হচ্ছে অপ্রচলিত দেশি জাতের কালা বোরো ধান : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে চাষ হচ্ছে অপ্রচলিত দেশি জাতের কালা বোরো ধান : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে গণশুনানিতে জনতার কথা শুনছে প্রশাসন: সেবার দুয়ারে নতুন আস্থার বার্তা তিন শহরে নারীদের জন্য বাস সার্ভিসে ই-টিকিটিং সেবা দেবে সহজ ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে ফার্মেসি ও লাইফ সায়েন্সেস ক্যারিয়ার ফেয়ার অনুষ্ঠিত কাতারে গৃহহীন বিড়াল সংকট: কেনাকাটা নয়, দত্তক ও বন্ধ্যাকরণই সমাধান ইউরোপীয় জাহাজ জব্দের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে পাল্টা ব্যবস্থা নেবে রাশিয়া: পুতিন আখেরি চাহার সোম্বা: পালন ও তাৎপর্য নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ আজ সন্ধ্যা থেকেই বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতির আশা: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে জামায়াত-আওয়ামী লীগের অবস্থান: সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া ভারতে আত্মগোপনে জাহাঙ্গীর কবির নানক: আনন্দবাজারকে দিলেন বিশেষ সাক্ষাৎকার হালাল অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা দেখছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে চাষ হচ্ছে অপ্রচলিত দেশি জাতের কালা বোরো ধান

সৃষ্টি ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২১
খাদ্যের মঙ্গা নেই, কাজের মঙ্গায় কবলিত কুড়িগ্রামের মানুষ

দাদখানি চাল কিংবা উড়কি ধানের মুড়কি,বিন্নি ধানের খৈ, একসময় প্রচলিত থাকলেও এখন সেগুলো আর পাওয়া যায় না। আধুনিক কৃষি ব্যবস্থার কারণে হারিয়ে যাচ্ছে সেসব দেশি জাতের ধান। কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর দুধকুমর নদীর তীরে ধু-ধূ বালু চরের মাঝে সবুজের ঝলকানি দিতেই এখনো চাষ হচ্ছে, অপ্রচলিত দেশি জাতের কালা বোরো ধান।

এক সময় গ্রামের লোকজন গরমের সময় পান্তা খেত। পান্তার জন্য বিখ্যাত ছিল এই কালা বোরো ধানের চাল।কালের বির্বতনে পান্তা খাওয়া ওঠে গেলেও পহেলা বৈশাখে এখন এটি বাঙ্গালীর পার্বণ।তাই পহেলা বৈশাখে এর চাল সংগ্রহে ভীড় পড়ে নদী পাড়ের চাষীদের বাড়িতে। কালা বোরো জাতের ধান খরা সহিষ্ণু, পর্যাপ্ত পানি নেই এমন পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে টিকে থাকতে পারে। এর উৎপাদন ব্যয় একেবারেই কম।অগ্রাহায়ণ থেকে পৌষ মাস পর্যন্ত স্থানীয় জাতের এই ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত দুধকুমর নদীর পাড়ের চাষীরা।

এ সময়ে নদীর পানি কমতে থাকলে নদীর বুকে ছোট ছোট চর জাগে। চরের চার পাশে ও নদীর পানির কাছাকাছি ভেজা স্থানে সুচালো দন্ড দিয়ে বালু গর্ত করে ধানের চারা রোপন করে।কয়েক বার হাল্কা পানি ও সামান্য সার প্রয়োগ করলেই চলে, রোগ বালাই তেমন হয়না।কৃষকরা সামান্য খরচেই চৈত্র বৈশাখ মাসে বিঘা প্রতি ৫/৭ মন ধান ঘরে তুলতে পারেন। স্বল্প উৎপাদন খরচ, অব্যবহৃত জমি, বালাইনাশক স্প্রে ছাড়াই নদীর পাড়ের কৃষক এই ধান চাষ করতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত বৈজ্ঞানিকভাবে সংরক্ষণ ও গবেষণা না হওয়ায় ক্রমেই কমে যাচ্ছে এর উৎপাদনশীলতা।

বানুরকুটির কৃষক সাইফুর বলেন, কোনো বীজ বাজার থেকে কিনতে হয় না। বীজের জন্য কিছু ধান আলাদা করে ঘরে তুলে রাখলেই তা দিয়ে পরের বছর ধান চাষ করি। জমিতে দিতে হয় না কোনো রাসায়নিক সার ও কীটনাশক সামান্য খরচেই এই ধান চাষ করা যায় এবং ভাত বেশ সুস্বাদু তাই তার পুর্বপুরুষ থেকেই এই ধান চাষ করে আসছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!