বিএনপির শরিকদের নৈশভোজ: দূরত্ব কমিয়ে ঐক্যের নতুন বার্তা
- আপডেট সময় : ০৮:৫৭:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
সরকার গঠনের পাঁচ মাস পর রাজপথের আন্দোলনের শরিকদের সাথে নিয়ে নৈশভোজে মিলিত হলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত এই সভায় ৪১টি শরিক দল ও জোটের শীর্ষ নেতারা অংশ নেন। এই আয়োজনের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভ ও হতাশার অবসান ঘটিয়ে একটি নতুন সূচনার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
নৈশভোজে উপস্থিত নেতারা প্রধানমন্ত্রী ও তারেক রহমানের সামনে খোলামেলা আলোচনা করেছেন। দীর্ঘ আন্দোলনের পর সঠিক মূল্যায়ন না পাওয়া এবং বিএনপির একাকী চলার প্রবণতা নিয়ে অনেক নেতা আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটালেও, তারেক রহমান অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছেন এবং সবাইকে অবদানের ভিত্তিতে যথাযথ মূল্যায়নের আশ্বাস দিয়েছেন।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক জানান, এটি একটি 'ওয়েলকামিং ডিনার' হিসেবে গণ্য হয়েছে এবং এখান থেকে নতুন করে যাত্রা শুরু করার বার্তা পেয়েছেন। তিনি তারেক রহমানকে পরামর্শ দিয়েছেন যে, দুর্দিনের সঙ্গীদের সাথে রাজনৈতিক শৈলী রপ্ত করা জরুরি।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদা ও ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু জানান, এই নৈশভোজের মাধ্যমে শরিকদের সাথে দূরত্ব কমে এসেছে। নেতারা এখন ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য সুদৃঢ় করতে জুলাই সনদ ও ৩১ দফার রূপরেখা বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত সংলাপ বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যা ভবিষ্যতে রাজপথের ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তবে সভার কিছু ভিন্ন চিত্রও উঠে এসেছে। কোনো কোনো শরিক দলের অবদান না থাকলেও আকাশচুম্বী চাওয়ার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। উপস্থিত কিছু নেতার মতে, দলের দুর্দিনের সত্যিকারের সঙ্গীদের মূল্যায়ন করা এবং শরিকদের অন্যায্য আবদার সামলানো তারেক রহমানের জন্য আগামী দিনের রাজনৈতিক পরীক্ষায় বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সরকার গঠনের ৫ মাস পর রাজপথে আন্দোলনের বন্ধুদের কাছে টেনে নিলেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘদিনের সঙ্গী ৪১টি শরিক দল ও জোটের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের আমন্ত্রণে আয়োজিত এক নৈশভোজে তিনি বার্তা দিলেন ‘এককভাবে নয়, সবাইকে নিয়েই পথ চলবে সরকার।’


























