ঢাকা ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব আরও জোরদারে একমত বাংলাদেশ-জাপান বাস্তব জীবনে কেমন অভিনেতা শেহেরিয়ার মুনাওয়ার সিদ্দিকী? পেকুয়ায় দুদক পিপি মোকাররম হোসাইনের বাড়িতে দুর্বৃত্তদের অগ্নিকাণ্ড ব্যালন ডি’অরে ইতিহাস গড়া রেকর্ড গড়লেন লিওনেল মেসি লিবিয়া থেকে ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন আরআরএফে ৪৪০ জন নিয়োগ: সরাসরি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ মামলার জেরে হুমকি: আদালতে তলব অভিনেত্রী তানজিন তিশাকে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে এমএসসি ইন মেডিকেল ফিজিক্স চালুর প্রশংসা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর উপজেলার ভোগডাবুরী ইউনিয়ন পরিষদে নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসকের পরিদর্শন নীলফামারীতে জমি নিয়ে বিরোধ, ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বড় ভাই নিহত

কবি কাজী নজরুলের জন্ম দিনের স্মৃতিচারণ

সৃষ্টি ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:০৭:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২২ ২২৪ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজ ৯ই অক্টোবর আমাদের প্রাণপ্রিয় বাবা উপমহাদেশের গোল্ডেন ভয়েস কাজী সব্যসাচীর জন্মদিন।

আমাদের অনেক সৌভাগ্য হয়েছিল এমন একজন বাবা পেয়েছিলাম। দাদুর সামনে প্রায় কবিতা আবৃত্তি করতেন। তখন থেকেই দাদুর কবিতার সঙ্গে পরিচিতি লাভ করি।

ছোট বেলায় এত বুঝিনি কিন্তু একটু বড় হয়ে বুঝলাম বাবা কত বড় মাপের শিল্পী ছিলেন। ঐ রকম কণ্ঠ যে কণ্ঠ শুনলে বার বার শুনতে ইচ্ছে হতো। কতো যে ছাত্র ছাত্রী বাড়িতে আসত আবৃত্তি শিখতে তা লিখে বোঝাতে পারবো না। কতো ফিল্ম এর আর্টিস্ট রা আসতেন বাবার কাছে কণ্ঠের অনুশীলন নিতে।

বাবা বহু ফিল্ম এ কণ্ঠ দিয়েছেন ডকুমেন্ট ফিল্ম এ অনেক কণ্ঠ দিয়েছেন একদিন একটা মজা হল, আমরা বাবা কে না জানিয়ে সিনেমা দেখতে গেলাম মিষ্টি ও ছিলো বাপি আমাদের ছোট ভাই ও অনেক ছোট ছিল ওকেও নিতাম মাঝে মাঝে যাই হোক সিনেমা হলে পৌছালাম তখন তো বাবা হাতে অত বেশি টাকা দিতেন না। এক টাকা ২ টাকা বড় জোর ৫ টাকা অনেক বেশি ছিল আমাদের জন্য তারপর আমাদের স্কুলের পুরোনো বই বিক্রি করে ও সিনেমা দেখেছি সে এক আলাদা অনুভুতি।

যাই হক সিনেমা শুরু হওয়ার আগে ট্রেইলর দেখাতো তো হঠাৎ শুনলাম বাবার কণ্ঠ একটা সরকারি ডকুমেন্ট এ বলছেন কি অপূর্ব কণ্ঠ আমরা তো অবাক বাবা কথা বলছেন আর আমরা সবাই চিৎকার করে বলা শুরু করলাম বাবা বাবার ভয়েস হলে যত লোকজন ছিলো হা করে আমাদেরকে দেখছে। যেই সেদিকে খেয়াল হলো আমরা চুপ হয়ে গেলাম কিন্তু গর্বে বুক টা ভরে যাচ্ছিল।

উত্তম কুমার বাবার বন্ধু ছিলেন দাদুর জন্মদিনে সি আই টি রোডের ফ্ল্যাট এ আসতেন দাদু কে দেখতে মনে শুধু তিনিই নন্ সারা কলকাতার শিল্পীরা বাড়িতে আসতেন। কি যে আনন্দঘন মুহূর্ত ছিলো আজও মনে গেথে আছে।

এমন দাদু এমন বাবা পেয়েছি আমরা ধন্য বাঙালি শিল্প সংস্কৃতি ধন্য। বাঙালি ধন্য। এই অসাধারণ মানুষ আর আসবে না কিন্তু বাঙালি চিরকাল তাদের অবদান মনে রাখবে। বাবা চিরকাল থাকবেন বিদ্রোহী কবিতায়। তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি আমীন।

সৌজন্যে: খিলখিল কাজী

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কবি কাজী নজরুলের জন্ম দিনের স্মৃতিচারণ

আপডেট সময় : ১২:০৭:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২২

আজ ৯ই অক্টোবর আমাদের প্রাণপ্রিয় বাবা উপমহাদেশের গোল্ডেন ভয়েস কাজী সব্যসাচীর জন্মদিন।

আমাদের অনেক সৌভাগ্য হয়েছিল এমন একজন বাবা পেয়েছিলাম। দাদুর সামনে প্রায় কবিতা আবৃত্তি করতেন। তখন থেকেই দাদুর কবিতার সঙ্গে পরিচিতি লাভ করি।

ছোট বেলায় এত বুঝিনি কিন্তু একটু বড় হয়ে বুঝলাম বাবা কত বড় মাপের শিল্পী ছিলেন। ঐ রকম কণ্ঠ যে কণ্ঠ শুনলে বার বার শুনতে ইচ্ছে হতো। কতো যে ছাত্র ছাত্রী বাড়িতে আসত আবৃত্তি শিখতে তা লিখে বোঝাতে পারবো না। কতো ফিল্ম এর আর্টিস্ট রা আসতেন বাবার কাছে কণ্ঠের অনুশীলন নিতে।

বাবা বহু ফিল্ম এ কণ্ঠ দিয়েছেন ডকুমেন্ট ফিল্ম এ অনেক কণ্ঠ দিয়েছেন একদিন একটা মজা হল, আমরা বাবা কে না জানিয়ে সিনেমা দেখতে গেলাম মিষ্টি ও ছিলো বাপি আমাদের ছোট ভাই ও অনেক ছোট ছিল ওকেও নিতাম মাঝে মাঝে যাই হোক সিনেমা হলে পৌছালাম তখন তো বাবা হাতে অত বেশি টাকা দিতেন না। এক টাকা ২ টাকা বড় জোর ৫ টাকা অনেক বেশি ছিল আমাদের জন্য তারপর আমাদের স্কুলের পুরোনো বই বিক্রি করে ও সিনেমা দেখেছি সে এক আলাদা অনুভুতি।

যাই হক সিনেমা শুরু হওয়ার আগে ট্রেইলর দেখাতো তো হঠাৎ শুনলাম বাবার কণ্ঠ একটা সরকারি ডকুমেন্ট এ বলছেন কি অপূর্ব কণ্ঠ আমরা তো অবাক বাবা কথা বলছেন আর আমরা সবাই চিৎকার করে বলা শুরু করলাম বাবা বাবার ভয়েস হলে যত লোকজন ছিলো হা করে আমাদেরকে দেখছে। যেই সেদিকে খেয়াল হলো আমরা চুপ হয়ে গেলাম কিন্তু গর্বে বুক টা ভরে যাচ্ছিল।

উত্তম কুমার বাবার বন্ধু ছিলেন দাদুর জন্মদিনে সি আই টি রোডের ফ্ল্যাট এ আসতেন দাদু কে দেখতে মনে শুধু তিনিই নন্ সারা কলকাতার শিল্পীরা বাড়িতে আসতেন। কি যে আনন্দঘন মুহূর্ত ছিলো আজও মনে গেথে আছে।

এমন দাদু এমন বাবা পেয়েছি আমরা ধন্য বাঙালি শিল্প সংস্কৃতি ধন্য। বাঙালি ধন্য। এই অসাধারণ মানুষ আর আসবে না কিন্তু বাঙালি চিরকাল তাদের অবদান মনে রাখবে। বাবা চিরকাল থাকবেন বিদ্রোহী কবিতায়। তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি আমীন।

সৌজন্যে: খিলখিল কাজী

Facebook Comments Box