সাজেকে অবরোধ ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘর্ষ
- আপডেট সময় : ০২:২০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬ ৩২ বার পড়া হয়েছে
সাজেকে অবরোধ ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘর্ষ
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালিতে স্থানীয় দুটি সংগঠনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে উজোবাজার এলাকায় এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। এর ফলে সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া পর্যটকবাহী বেশ কিছু যানবাহন মাঝপথে আটকা পড়ে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিশেষ পাহারায় পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেন।
পড়ুন>>ইরান সীমান্তে ইসরাইলের এক ডজন যুদ্ধবিমানের মহড়া
রাঙামাটির পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব গোলাগুলির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর গোলাগুলি চলছিল। ঘটনাটি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
ঘটনার সূত্রপাত ঘটে মূলত বৃহস্পতিবার সকালে। সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন এলাকায় সশস্ত্র তৎপরতা ও হুমকি বন্ধের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ডাক দেয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ তুলে তারা এই কর্মসূচি পালন করছিল। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির দিকে ছেড়ে আসা পর্যটকবাহী গাড়িগুলো উজোবাজার এলাকায় পৌঁছালে অবরোধকারীদের বাধার সম্মুখীন হয়। পরে বেলা ১১টার দিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সড়কের ব্যারিকেড সরানোর চেষ্টা করলে অবরোধকারীদের সঙ্গে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
পড়ুন>>সৌদি আরবে ফ্লাইট স্থগিতের মেয়াদ বাড়াল কাতার এয়ারওয়েজ
সংগঠন দু’টির অভিযোগ, সাজেকের বিভিন্ন এলাকায় সশস্ত্র সদস্যদের তৎপরতা ও হুমকির কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
এর আগে, সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসন বুধবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক ভ্যালি পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে। এছাড়া, সেখানে অবস্থানরত পর্যটকদের বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার মধ্যে সাজেক ত্যাগ করে নিরাপদ গন্তব্যে ফিরে যাওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।
স্থানীয়দের অস্থিরতা এবং সশস্ত্র তৎপরতার অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রশাসনের এমন কঠোর সিদ্ধান্ত ও পরবর্তী সংঘর্ষের ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ


























