আজ শুরু নোবেল মৌসুম: চিকিৎসাবিজ্ঞানে আলোচনার শীর্ষে যেসব গবেষণা
- আপডেট সময় : ০২:২০:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
সোমবার চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কারের মৌসুম। ৫ থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে মোট ছয়টি বিভাগে এই সম্মাননা প্রদান করা হবে। মঙ্গলবার পদার্থবিজ্ঞান, বুধবার রসায়ন, বৃহস্পতিবার সাহিত্য, শুক্রবার শান্তি এবং ১২ অক্টোবর অর্থনীতিতে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। পুলিশি হয়রানি বন্ধের দাবিতে প্রেসক্লাবের সামনে ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকদের অবরোধ। অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে বকেয়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা, অপেক্ষায় এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা।
বাংলাদেশ সময় আজ বিকেল সাড়ে ৩টায় চিকিৎসাবিজ্ঞানের পুরস্কার ঘোষণা করা হবে। পর্যবেক্ষকদের মতে, ওজন কমানোর ওষুধ ‘ওজেম্পিক’ ও ‘মাউনজারো’ উদ্ভাবনের পথ তৈরি করা গবেষণাগুলো এবার বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে। বিশেষ করে শরীরে ক্ষুধা ও তৃপ্তি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখা হরমোন নিয়ে কাজ করা গবেষকরা এগিয়ে রয়েছেন। বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার কর্মী পাঠাবে বাংলাদেশ।
ডেটা বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান ক্ল্যারিভেটের ডেভিড পেন্ডলবেরি জানিয়েছেন, অন্ত্র থেকে নিঃসৃত ‘গ্লুকাগন-লাইক পেপটাইড-১’ বা জিএলপি-১ হরমোন নিয়ে গবেষণাটি বিশ্বব্যাপী চিকিৎসা ক্ষেত্রে বড় প্রভাব ফেলায় এটি নোবেল পাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। এই গবেষণায় কানাডার ড্যানিয়েল ড্রাকার, ডেনমার্কের ইয়েন্স জুল হোলস্ট এবং মার্কিন গবেষক স্বেতলানা মোইসভের নাম শোনা যাচ্ছে। এছাড়া শরীরের মাইক্রোবায়োম, লেপটিন ও ঘ্রেলিন হরমোন নিয়েও বিজ্ঞানীদের কাজের দিকে নজর রয়েছে কমিটির। বিদেশি অপারেটরের কাছে টার্মিনাল ইজারা নয়, বন্দর রক্ষা কমিটির অবস্থান। ওজেম্পিকের মতো ওষুধ জিএলপি-১-এর কার্যক্রম অনুকরণ করে। তবে তিনি জিএলপি-১ গবেষণাকে সবচেয়ে এগিয়ে রাখছেন। কারণ হিসেবে তিনি এর ‘বিশ্বব্যাপী ব্যাপক চিকিৎসাগত প্রভাবের’ কথা উল্লেখ করেন।
ত্বক পুনর্জন্ম ও ক্ষত সারাতে স্টেম সেল গবেষণা নিয়েও আলোচনা চলছে। এক্ষেত্রে মার্কিন বিজ্ঞানী এলেইন ফুকস ও ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ফিওনা ওয়াটকে গুরুত্বপূর্ণ দাবিদার মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি চোখের রেটিনা পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত ‘অপটিক্যাল কোহেরেন্স টমোগ্রাফি’ ইমেজিং প্রযুক্তি এবং রোগ প্রতিরোধে ‘অ্যাডহিশন রিসেপ্টর’ আবিষ্কারকারী টিমোথি স্প্রিংগারের কাজও বিবেচনায় থাকতে পারে। এর বাইরে স্তন ক্যানসার ও করোনা মোকাবিলার ডিএনএ সিকোয়েন্সিং প্রযুক্তির নামও শোনা যাচ্ছে।
সাহিত্যের নোবেল নিয়ে রয়েছে নানা জল্পনা। গত বছর হাঙ্গেরির লেখক লাসলো ক্রাসনাহোরকাই বিজয়ী হওয়ার পর এবার কোনো নারী লেখককে দেখা যেতে পারে বলে ধারণা করছেন অনেকে। সাহিত্য সমালোচক লিনা কালমটেগ এএফপিকে জানিয়েছেন, আর্জেন্টিনার লেখক সামান্তা শেভলিন এবার অন্যতম প্রার্থী। এছাড়াও টমাস পিনচন, ক্যান শুয়ে, জামাইকা কিনকেইডসহ আরও অনেকের নাম আলোচনায় রয়েছে।
সবচেয়ে বেশি আগ্রহ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে শুক্রবার ঘোষিত হতে যাওয়া নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়ে। এই পুরস্কারটি ঐতিহাসিকভাবে নরওয়ের অসলোতে প্রদান করা হয়। ইউক্রেনের শিশু অধিকারকর্মী মাইকোলা কুলেবা, যিনি রাশিয়ার দখল করা অঞ্চল থেকে ইউক্রেনীয় শিশুদের ফিরিয়ে আনতে কাজ করছেন, তিনি সেভ দ্য চিলড্রেন-এর সঙ্গে যৌথভাবে এই দৌড়ে রয়েছেন। এছাড়া সুদানের ইমার্জেন্সি রেসপন্স রুমস এবং সাংবাদিকদের সুরক্ষায় কাজ করা কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে রয়েছে। পেন্ডলবেরির মতে, এসব গবেষণার যেকোনো একটির স্বীকৃতি হিসেবে নোবেল পুরস্কার পাওয়া সম্ভব।
নোবেল কমিটির সচিব ক্রিস্তিয়ান বের্গ হার্পভিকেন জানিয়েছেন, এই পুরস্কারকে ঘিরে সবসময়ই ব্যাপক তদবির ও চাপ সৃষ্টির চেষ্টা থাকে, তবে কমিটি এ ধরনের পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রস্তুত। বিগত বছরগুলোতে শান্তি পুরস্কার পাওয়া ব্যক্তিদের ঘিরে বিতর্কের জেরে এবার সর্বজনগৃহীত কোনো প্রার্থীর নাম আসতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
সূত্র: ডেইলি স্টার বাংলা
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























