রিয়াদে হুতি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা
- আপডেট সময় : ১০:২৩:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
রিয়াদে হুতি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে হুতি বিদ্রোহীরা। শনিবার ভোরে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জ্বালানি তেলের ট্যাংকের কাছে শক্তিশালী বিস্ফোরণের পর কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়। গত জুলাই মাসে হুতিদের আক্রমণ বৃদ্ধির পর এই প্রথম সৌদি রাজধানীতে বিমান হামলার সাইরেন বাজিয়ে সতর্কতা জারি করা হয়। রয়টার্স ও বিবিসির খবরে বিষয়টি উঠে এসেছে।
সৌদি প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার সকালে রিয়াদ লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আকাশে থাকতেই ধ্বংস করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
পড়ুন>>কেরানীগঞ্জে থানায় জব্দ করা পিকআপে অগ্নিসংযোগ
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রিয়াদ ছাড়াও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বিশ, তাইফ, ফারাসান এবং লোহিত সাগরের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র ইয়ানবুতে বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে একাধিক হামলা প্রতিহত করা হয়েছে।
হুতি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারিয়া এক বিবৃতিতে জানান, সানায় সৌদি আগ্রাসনের জবাব দিতে রিয়াদের সংবেদনশীল স্থাপনা ও ইয়ানবুর আরামকো তেল ডিপোতে বিপুল সংখ্যক ব্যালিস্টিক, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে নির্ভুল হামলা চালানো হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, গত এক সপ্তাহে সৌদি জোট ইয়েমেনে তিন শতাধিক হামলা চালিয়েছে।
রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার জেরে ফ্লাইট চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় এবং বেশ কয়েকটি ফ্লাইট বাতিল করতে হয়। সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এবং ওই অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণ পুনর্বিবেচনা করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
পড়ুন>>স্কাইট্র্যাক্স অ্যাওয়ার্ডসে ৪টি পুরস্কার জয় কাতার এয়ারওয়েজের
তবে হুতিদের বিরুদ্ধে সরাসরি মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের আহ্বান নাকচ করে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। এই পরিস্থিতিতে সৌদি আরবকে প্রযুক্তিগত সামরিক সহায়তা দেয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান।
উল্লেখ্য, গত মাসে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তির শর্তানুসারে, কোনো এক দেশের ওপর হামলা পুরো জোটের ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ























