ঢাকা ১০:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অভিবাসন ইস্যুতে ডেমোক্র্যাটদের কৌশলী হওয়ার সময় কি এখনই? দুদক পুনর্গঠনে এনসিপিকে টার্গেট করছে সরকার: নাহিদ ইসলাম বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রধান অর্থনীতিবিদ পদে নিয়োগ নতুন তথ্য: পাওনা পরিশোধে বিলম্ব: আশুলিয়ায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ পাকিস্তানের কোহাটে মসজিদে শক্তিশালী আত্মঘাতী হামলা, নিহত ১৬ এআইয়ের অপব্যবহার রোধে কঠোর আইন ও ব্যবস্থার পথে সরকার কুমিল্লায় বিষপানে নবদম্পতির মর্মান্তিক পরিণতি: স্বামী মৃত, স্ত্রী সংকটাপন্ন একাত্তরের অবস্থান পরোক্ষভাবে মেনে নিয়েছে জামায়াত: আইনমন্ত্রী এম এস সুব্বুলক্ষ্মীর বায়োপিকে রাশমিকা মান্দানা ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ ফ্যাকাল্টি ও বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি

অভিবাসন ইস্যুতে ডেমোক্র্যাটদের কৌশলী হওয়ার সময় কি এখনই?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৫:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের দুই মাসও বাকি নেই। এই সময়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা নজিরবিহীনভাবে হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে তাঁর অনুমোদনের হার মাত্র ৩৩ শতাংশ। তার প্রতি জনঅসন্তোষের কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের ওপর বারবার আক্রমণ, অর্থনীতির ভঙ্গুর দশা, পরিবারের সম্পদ বৃদ্ধি নিয়ে ওঠা বিতর্ক এবং ইরান যুদ্ধের মতো ইস্যুতে সাধারণ মানুষের অনীহা। জরিপে মাত্র ৪ শতাংশ আমেরিকান দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী মনে করছেন, অন্যদিকে ৬৮ শতাংশ মানুষ ইরান যুদ্ধের ঘোর বিরোধী।

ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান দলের প্রতি এই প্রবল ক্ষোভ দেখে আপাতদৃষ্টিতে ডেমোক্র্যাটদের জন্য বড় জয়ের সম্ভাবনা দেখা গেলেও বাস্তবচিত্র কিছুটা জটিল। বিশেষ করে প্রতিনিধি পরিষদে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও, চূড়ান্ত জয় নিশ্চিত করতে তাদের অনেক চ্যালেঞ্জ পার হতে হবে। এর মধ্যে একটি বড় দুর্বলতা হলো অভিবাসন নীতি নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের অস্পষ্ট অবস্থান। সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, অভিবাসন নিয়ে সাধারণ মানুষের সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক উদ্বেগই উগ্র ডানপন্থীদের সমর্থক বাড়াতে মূল ভূমিকা পালন করছে।

ট্রাম্প ও তাঁর রাজনৈতিক সহযোগীরা অভিবাসনকে জাতীয় নিরাপত্তা ও আমেরিকান পরিচয়ের জন্য বড় হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, আর নিজেদের তারা সাধারণ নাগরিকদের রক্ষাকর্তা হিসেবে তুলে ধরেছেন। সাধারণত মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলো অভিবাসন ইস্যুকে এড়িয়ে চলে অথবা ডানপন্থীদের সুরে কথা বলে। তবে গবেষণায় দেখা গেছে, ইস্যু এড়িয়ে গেলে ডানপন্থীদের প্রভাব কমে না, বরং তাদের বক্তব্যকে স্বীকৃতি দিলে ভোটারদের কাছে অভিবাসন আরও বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে ওঠে।

ডানপন্থীদের অভিবাসনবিরোধী বয়ানের বিপরীতে ডেমোক্র্যাটদের উচিত শক্তিশালী পাল্টা যুক্তি তৈরি করা। এই উদ্দেশ্যে রিপাবলিকান ও স্বতন্ত্র ভোটারদের ওপর একটি পরীক্ষামূলক জরিপ চালানো হয়েছিল। এতে দেখা গেছে, অভিবাসীদের অর্থনৈতিক অবদান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সমাজে অন্তর্ভুক্তির দীর্ঘ ইতিহাসের ওপর গুরুত্ব দিলে ভোটারদের ভয় অনেকাংশেই কমে। অভিবাসীরা সরকারি সুবিধা বা চাকরি কেড়ে নিচ্ছে—এই ধারণাগুলোও পাল্টা যুক্তির সামনে ধোপে টেকে না।

ফলাফলে দেখা গেছে, যখন অভিবাসীদের অর্থনৈতিক অবদানের কথা তুলে ধরা হয়, তখন আমেরিকানদের কর্মসংস্থান, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও জাতীয় পরিচয় নিয়ে থাকা উদ্বেগগুলো উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। এমনকি আইন মেনে চলা অভিবাসীদের পুলিশ ও সেনাবাহিনীতে অসামান্য অবদানের বিষয়টি উল্লেখ করলেও ইউরোপীয় সংস্কৃতি হারানোর ভয় কমেছে। আশ্চর্যজনকভাবে, এই ইতিবাচক প্রচারণা ‘মাগা’ (MAGA) এবং সাধারণ রিপাবলিকান ভোটারদের ওপরও প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়েছে।

অ্যারিজোনা, জর্জিয়া, মিশিগান, নেভাদা, নর্থ ক্যারোলাইনা, পেনসিলভানিয়া ও উইসকনসিনের মতো দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্যগুলোতেও একই ধরনের ফল পাওয়া গেছে। এটি প্রমাণ করে যে, রিপাবলিকানদের চরম ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের বিরুদ্ধে ডেমোক্র্যাটদের একটি যৌক্তিক বয়ান তৈরি করা সম্ভব। জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো বা মূল্যস্ফীতি মোকাবিলার পাশাপাশি অভিবাসন নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া ডেমোক্র্যাটদের ভবিষ্যতের রাজনৈতিক ভিত্তি শক্ত করতে সাহায্য করবে।

পরিশেষে, রক্ষণশীল ভোটারদের সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য এই কৌশল হতে পারে একটি কার্যকর মাধ্যম। ভবিষ্যৎ নির্বাচনে জয়ী হতে হলে ডেমোক্র্যাটদের অভিবাসন নিয়ে কথা বলার মানসিকতা তৈরি করতে হবে এবং জনমনে থাকা ভুল ধারণাগুলো দূর করার উদ্যোগ নিতে হবে।

এই বিশ্লেষণটি প্রস্তুত করেছেন ফিলিপ মিলাচিচ (ফ্রিডরিখ এবার্ট ফাউন্ডেশন), এলি রাউ (টেকনোলজিকো দে মনতেরে) এবং সুসান স্টোকস (শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়)। (সূত্র: প্রজেক্ট সিন্ডিকেট, অনুবাদ: সারফুদ্দিন আহমেদ) প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাঁর অনুমোদনের হার নেমে এসেছে মাত্র ৩৩ শতাংশে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এসব কারণে এবং মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলকে শাস্তি দেওয়ার মার্কিন ভোটারদের প্রবণতার কারণে মনে হতে পারে, নভেম্বরের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা বড় জয় পেতে যাচ্ছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তীব্র রাজনৈতিক মেরুকরণে কোন পথে যাবে আমেরিকা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পশ্চিমা দেশগুলোয় উগ্র ডানপন্থী দলগুলোর উত্থান নিয়ে গবেষণায় আগে সাধারণত বলা হতো অভিবাসন বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ ধরনের পরিস্থিতিতে মূলধারার মধ্য-বাম ও মধ্য-ডান দলগুলোর সামনে তিনটি পথ থাকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অভিজ্ঞতা বলছে, মূলধারার দলগুলো সাধারণত প্রথম দুটি পথই বেছে নেয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অভিবাসন নিয়ে মানুষের উদ্বেগ উপেক্ষা করলে বরং ডানপন্থীরা আরও সমর্থন পায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আর তাদের বক্তব্য অনুকরণ করলে সেই বক্তব্যই স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

অভিবাসন ইস্যুতে ডেমোক্র্যাটদের কৌশলী হওয়ার সময় কি এখনই?

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের দুই মাসও বাকি নেই। এই সময়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা নজিরবিহীনভাবে হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে তাঁর অনুমোদনের হার মাত্র ৩৩ শতাংশ। তার প্রতি জনঅসন্তোষের কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের ওপর বারবার আক্রমণ, অর্থনীতির ভঙ্গুর দশা, পরিবারের সম্পদ বৃদ্ধি নিয়ে ওঠা বিতর্ক এবং ইরান যুদ্ধের মতো ইস্যুতে সাধারণ মানুষের অনীহা। জরিপে মাত্র ৪ শতাংশ আমেরিকান দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী মনে করছেন, অন্যদিকে ৬৮ শতাংশ মানুষ ইরান যুদ্ধের ঘোর বিরোধী।

ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান দলের প্রতি এই প্রবল ক্ষোভ দেখে আপাতদৃষ্টিতে ডেমোক্র্যাটদের জন্য বড় জয়ের সম্ভাবনা দেখা গেলেও বাস্তবচিত্র কিছুটা জটিল। বিশেষ করে প্রতিনিধি পরিষদে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও, চূড়ান্ত জয় নিশ্চিত করতে তাদের অনেক চ্যালেঞ্জ পার হতে হবে। এর মধ্যে একটি বড় দুর্বলতা হলো অভিবাসন নীতি নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের অস্পষ্ট অবস্থান। সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, অভিবাসন নিয়ে সাধারণ মানুষের সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক উদ্বেগই উগ্র ডানপন্থীদের সমর্থক বাড়াতে মূল ভূমিকা পালন করছে।

ট্রাম্প ও তাঁর রাজনৈতিক সহযোগীরা অভিবাসনকে জাতীয় নিরাপত্তা ও আমেরিকান পরিচয়ের জন্য বড় হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, আর নিজেদের তারা সাধারণ নাগরিকদের রক্ষাকর্তা হিসেবে তুলে ধরেছেন। সাধারণত মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলো অভিবাসন ইস্যুকে এড়িয়ে চলে অথবা ডানপন্থীদের সুরে কথা বলে। তবে গবেষণায় দেখা গেছে, ইস্যু এড়িয়ে গেলে ডানপন্থীদের প্রভাব কমে না, বরং তাদের বক্তব্যকে স্বীকৃতি দিলে ভোটারদের কাছে অভিবাসন আরও বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে ওঠে।

ডানপন্থীদের অভিবাসনবিরোধী বয়ানের বিপরীতে ডেমোক্র্যাটদের উচিত শক্তিশালী পাল্টা যুক্তি তৈরি করা। এই উদ্দেশ্যে রিপাবলিকান ও স্বতন্ত্র ভোটারদের ওপর একটি পরীক্ষামূলক জরিপ চালানো হয়েছিল। এতে দেখা গেছে, অভিবাসীদের অর্থনৈতিক অবদান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সমাজে অন্তর্ভুক্তির দীর্ঘ ইতিহাসের ওপর গুরুত্ব দিলে ভোটারদের ভয় অনেকাংশেই কমে। অভিবাসীরা সরকারি সুবিধা বা চাকরি কেড়ে নিচ্ছে—এই ধারণাগুলোও পাল্টা যুক্তির সামনে ধোপে টেকে না।

ফলাফলে দেখা গেছে, যখন অভিবাসীদের অর্থনৈতিক অবদানের কথা তুলে ধরা হয়, তখন আমেরিকানদের কর্মসংস্থান, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও জাতীয় পরিচয় নিয়ে থাকা উদ্বেগগুলো উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। এমনকি আইন মেনে চলা অভিবাসীদের পুলিশ ও সেনাবাহিনীতে অসামান্য অবদানের বিষয়টি উল্লেখ করলেও ইউরোপীয় সংস্কৃতি হারানোর ভয় কমেছে। আশ্চর্যজনকভাবে, এই ইতিবাচক প্রচারণা ‘মাগা’ (MAGA) এবং সাধারণ রিপাবলিকান ভোটারদের ওপরও প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়েছে।

অ্যারিজোনা, জর্জিয়া, মিশিগান, নেভাদা, নর্থ ক্যারোলাইনা, পেনসিলভানিয়া ও উইসকনসিনের মতো দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্যগুলোতেও একই ধরনের ফল পাওয়া গেছে। এটি প্রমাণ করে যে, রিপাবলিকানদের চরম ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের বিরুদ্ধে ডেমোক্র্যাটদের একটি যৌক্তিক বয়ান তৈরি করা সম্ভব। জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো বা মূল্যস্ফীতি মোকাবিলার পাশাপাশি অভিবাসন নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া ডেমোক্র্যাটদের ভবিষ্যতের রাজনৈতিক ভিত্তি শক্ত করতে সাহায্য করবে।

পরিশেষে, রক্ষণশীল ভোটারদের সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য এই কৌশল হতে পারে একটি কার্যকর মাধ্যম। ভবিষ্যৎ নির্বাচনে জয়ী হতে হলে ডেমোক্র্যাটদের অভিবাসন নিয়ে কথা বলার মানসিকতা তৈরি করতে হবে এবং জনমনে থাকা ভুল ধারণাগুলো দূর করার উদ্যোগ নিতে হবে।

এই বিশ্লেষণটি প্রস্তুত করেছেন ফিলিপ মিলাচিচ (ফ্রিডরিখ এবার্ট ফাউন্ডেশন), এলি রাউ (টেকনোলজিকো দে মনতেরে) এবং সুসান স্টোকস (শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়)। (সূত্র: প্রজেক্ট সিন্ডিকেট, অনুবাদ: সারফুদ্দিন আহমেদ) প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাঁর অনুমোদনের হার নেমে এসেছে মাত্র ৩৩ শতাংশে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এসব কারণে এবং মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলকে শাস্তি দেওয়ার মার্কিন ভোটারদের প্রবণতার কারণে মনে হতে পারে, নভেম্বরের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা বড় জয় পেতে যাচ্ছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তীব্র রাজনৈতিক মেরুকরণে কোন পথে যাবে আমেরিকা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পশ্চিমা দেশগুলোয় উগ্র ডানপন্থী দলগুলোর উত্থান নিয়ে গবেষণায় আগে সাধারণত বলা হতো অভিবাসন বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ ধরনের পরিস্থিতিতে মূলধারার মধ্য-বাম ও মধ্য-ডান দলগুলোর সামনে তিনটি পথ থাকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অভিজ্ঞতা বলছে, মূলধারার দলগুলো সাধারণত প্রথম দুটি পথই বেছে নেয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অভিবাসন নিয়ে মানুষের উদ্বেগ উপেক্ষা করলে বরং ডানপন্থীরা আরও সমর্থন পায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আর তাদের বক্তব্য অনুকরণ করলে সেই বক্তব্যই স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে।

Facebook Comments Box